আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষণ-ছিনতাই ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে রাজপথে শিক্ষার্থীরা ।

রেজাউল ইসলাম মাসুদ, ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি, ছিনতাই, ডাকাতি ও চাঁদাবাজির প্রতিবাদে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিল করেছে ঠাকুরগাঁওয়ের শিক্ষার্থীরা।
ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুল বড় মাঠ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিলটি শহরের চৌরাস্তা প্রদক্ষিণ করে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এ প্রতিবাদ মিছিল করেন তারা। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন। এ সময় ঘণ্টাব্যাপী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। সড়কে অবস্থান নেওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। পরে ঠাকুরগাঁও জেলা স্কুলের সামনে শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা।

এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা ঘোষণা দেন। সেই সাথে কীভাবে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা যায় এবং সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়, তা নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান করেন।

শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে একটি অশুভ শক্তি প্রতিনিয়ত নানা অপরাধ করে যাচ্ছে। সম্প্রতি ধর্ষণের মতো জঘন্য ঘটনা বেড়ে গেছে। পাশাপাশি ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও খুনের মতো অপরাধেরও বৃদ্ধি ঘটেছে, যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে বাধ্য করছে। সুজানা আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, একটি সুন্দর সমাজ গঠনের লক্ষ্যে আমরা চব্বিশের আন্দোলন করেছি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, ফ্যাসিবাদের দোসররা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছে। তারা বিভিন্ন স্থানে খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ ঘটিয়ে ছাত্র-জনতার সরকারকে বিপাকে ফেলতে চাইছে।

আজ থেকে এসব দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আমরাও সোচ্চার থাকব। ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ২৪-এর অভ্যুত্থানে নারীরা সামনের সারিতে থেকে ভূমিকা রাখলেও, অভ্যুত্থান পরবর্তী তারা ঘরে বাইরে কোথাও নিরাপদ নয়। রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। অনতিবিলম্বে ধর্ষণকারীসহ সকল অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি না করলে সামনের দিনে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে আমাদের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন – আমীরুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পথশিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের ডিসি আমীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পথশিশুরা আমাদেরই সন্তান। অযত্ন ও অবহেলায় বেড়ে উঠলেও এদের মধ্যেও রয়েছে অসীম মেধা ও সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে “আমরা চাটগাঁবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পথশিশু ও কিশোরদের জন্য ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পথশিশুদের কাছে টানতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবিএম ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মওলা মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, পাঁচলাইশ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম এবং প্রোগ্রামের স্পন্সর ওয়াহিদ ইলেক্ট্রিশিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন।

আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাঁচলাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুল আবসার, স্বর্ণলতা স্কুলের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, আরটিআর তারেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠক তাহসান হাবিব, অধরা মেঘ কলি ও মোঃ আলীসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে ডিসি মহোদয় বাছাইকৃত শিশু-কিশোরদের নিজ কার্যালয়ে তুলে এনে ঈদের জামা উপহার দেন।

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ