আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চাকরি দেয়ার নামে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে চাকরি দেওয়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে সরকারী চাকুরী দেওয়ার নাম করে বুলবুল হোসেন ও তার আত্মিয় স্বজনদের কাছ থেকে ৪৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় প্রতারক জিয়ারুল ইসলাম জিয়া। সে জেলার কাটাখালি থানাধীন মাসকাটাদীঘি এলাকার ইয়াদ আলীর ছেলে।

ভুক্তভোগি বুলবুল হোসেন নগরীর রাজপাড়া থানার গোলজারবাগ এলাকার জয়নাল আলীর ছেলে। মঙ্গলবার দুপুরে নগরীর একটি রেস্তোরায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বুলবুল হোসেন লিখিত বক্তব্যে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরী নিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত ২০২২ সালের ১৫ জানুয়ারি পূর্বালী ব্যাংক কাটাখালি শাখার হিসাব নাম- নাফি নিহান ফার্মেসী, হিসাব নং-৩২৯৫৯০১০১০৬৮৩ ও ২০২৩ সালের ৫ ডিসেম্বর চেকের মাধ্যমে (ব্যাংক চেক নং ৮৪৩৯৫২২) ২৫ লাখ টাকা এবং ২০২৪ সালের ২০ জানুয়ারি চেকের মাধ্যমে (চেক নং ৮৪৩৯৫২৩) ২০হ লাখ টাকা নেয়।

ওই সময় বুলবুলের আত্মীয় তুষার আহম্মেদ বলেন, সাবেক সিটি মেয়রের এইএসএম খায়রুজ্জামান লিটন তার খুব কাছের। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকশন অফিসার পদে চাকুরী নিয়ে দেওয়া কোন ব্যাপার না। যার কারণে সে এবং তার বোন কাফেলার চাকুরী জন্য নগদ অর্থ ৪৫ লাখ টাকা জিয়াউরকে দেয়। তুষারের অভিভাবক হিসাবে বুলবুল দায়িত্ব নিয়ে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের যে কোন পদে নিয়োগ দেওয়া তার কাছে কোন বিষয় না বলে বুলবুলকে আশ্বস্ত করে। চাকরি না হলে জিয়াউল হক বলেন, দুটি চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে নেওয়ার পরামর্শ দেয়। কিন্তু ব্যাংকে গিয়ে দেখা যায় ওই হিসাব নাম্বারের কোন টাকা নেই।

স্থানীয় আওয়ামী নেতা জিয়াউলের কাছ থেকে পাওনা টাকা ফেরতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে বুলবুল আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পুনরাই তার নিকট পাওনা টাকা ফেরত চাওয়া হয়। কিন্ত সে বলে, পরিস্থিতি ভালো না, সরকার ক্ষমতায় নেই, প্রয়োজনে তার জমি বিক্রয় করে টাকা দিব। কিন্তু টাকা ফেরত দেওয়ার কোন পদক্ষেপ নেই। উল্টো আমাদের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে। এছাড়াও সত্য ঘটনাকে মিথ্যা ব্যাখ্যা দিয়ে সাধারন মানুষের কাছে সহানুভুতি নেওয়ার চেষ্টার নতুন ফাঁদ বুনছে।

এ ব্যাপারে জানতে জিয়াউলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ