আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে অস্থির চালের বাজার বস্তাপ্রতি বেড়েছে ২-৩শ’ টাকা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সরকারি গুদামে চালের মজুত দ্বিগুণ বেড়েছে।মজুদ থাকা সত্বেও অস্থির হয়ে উঠেছে চালের বাজার। বর্তমানে চালের দাম বেড়েছে বস্তাপ্রতি ২-৩শ’ টাকা।অথচ চাল আমদানি করে মজুত বাড়ানো হয়েছে। খাদ্য কর্মকর্তা ও চাল ব্যবসায়ীরা জানান, পর্যাপ্ত চাল মজুত থাকার পরও কর্পোরেট গ্রুপগুলো কারসাজি করে চালের দাম বাড়াচ্ছে।

পাইকারি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত সপ্তাহের ব্যবধানে জিরাশাইল, নাজিরশাইল, কাটারি আতপসহ চিকন চালের দাম বস্তাপ্রতি ২-৩শ টাকা বেড়েছে। এতে ফের বিপত্তিতে পড়েছে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। বর্তমানে জিরাশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে বস্তাপ্রতি ৪১০০-৪১৫০ টাকা। এর আগে ৩৯০০-৪০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

নাজিরশাইল ৪২০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাটারি আতপ ৪০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যন্য চালের দাম অনেকটা অপরিবর্তিত রয়েছে।চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রক জ্ঞানপ্রিয় বিদূষী চাকমা বলেন, সরকার ৯-১০ লাখ টন খাদ্যশস্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক টন খাদ্যশস্য দেশে পৌঁছেছে। বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে চারটি জাহাজ থেকে আমদানি করা চাল খালাস করা হচ্ছে।

পাহাড়তলী বণিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম নিজাম উদ্দিন বলেন, চাল আমদানির কিছুটা প্রভাব পড়েছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ ধরে চার ধরনের চালের দাম বস্তাপ্রতি ২-৩শ’ টাকা বেড়েছে। তিনি বলেন, বাজারে প্রচুর চাল রয়েছে। কয়েকটি কোম্পানি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে চালের দাম বাড়াচ্ছে। চালের ওপর সরকারের কোনো নজরদারি না থাকায় বাজার বার বার অস্থির হয়ে উঠছে।

কর্পোরেট কোম্পানি ও উত্তর বঙ্গের বড় চাতাল এবং মোকাম সিন্ডিকেটের কাছে চালের বাজার জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন প্রবীণ চাল ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন। তিনি বলেন, দেশে সরকারি ও বেসরকারি খাতে প্রচুর পরিমাণ চাল মজুত রয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারায় সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। বাজার ও বড় ব্যবসায়ীদের গুদামে মনিটরিং করা হলেই বাজারে স্বস্তি ফিরে আসবে।

খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চট্টগ্রামে সরকারি খাদ্য গুদামে খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে এক লাখ ৬৫ হাজার ৪৪৭ মেট্রিক টন। এরমধ্যে চালের মজুত আছে এক লাখ ২৮ হাজার ৫৮৫ মে. টন। গম মজুত রয়েছে ৩৬ হাজার ৫৭৫ টন। গত বছর (২০২৪ সাল) একই সময়ে খাদ্য মজুত ছিল ৮১ হাজার ৩২২ টন। চাল ছিল ৭০ হাজার ৯৮১ টন। গম ছিল ১০ হাজার ২৯৯ টন। এক বছরে চালের মজুত বেড়েছে এক দশমিক ৫৮ গুণ।
চালের দাম বৃদ্ধির জন্য কর্পোরেট কোম্পানিগুলোকে দায়ী করেছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের খাদ্য পরিদর্শক (কারিগরি) ফখরুল আলম। তিনি বলেন, সরকার চাল আমদানির পর বাজারে চালের দাম কিছুটা কমেছে। কিন্তু কিছু কোম্পানি বস্তা পাল্টিয়ে ব্র্যান্ডের নামে চালের দাম বাড়িয়ে নিচ্ছেন।

ফুডগ্রেন লাইসেন্সের আওতায় খাদ্য অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা হয় বলে জানান খাদ্য কর্মকর্তা ফখরুল আলম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম খাদ্য সংকট এলাকা। এখানে ধানি জমি কমে যাচ্ছে। শিল্প-কারখানা বাড়ছে। তাই প্রতিদিন বিভিন্ন জেলা থেকে ৬০-৭০ ট্রাক চাল চট্টগ্রামে আসে।

পাইকারি মোকামে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অজুহাতে বেড়েছিল চালের দাম। আগস্ট মাসে সরকার পতনের পর আরেক দফা বেড়েছিল। পরিবহন সংকট ও গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির অজুহাতে দুই দফায় বাড়ানো হয়েছিল। জুলাই মাস থেকে ক্ষণে ক্ষণে বেড়েছিল চালের দাম। বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার চাল আমদানির অনুমতি দেয়। সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির পরও সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে- জ্বালানি উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ানো হয়েছে- জ্বালানি উপদেষ্টা।

চট্টগ্রামে আমদানি নির্ভর এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণে প্রয়োজন ৫০ একর খালি জমি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম মহানগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় আমদানি নির্ভর এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। আর এই প্ল্যান্ট নির্মাণে প্রয়োজন অব্যবহৃত ৫০ একর খালি জমি। প্ল্যান্টটি বানাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অব্যবহৃত জমি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। তবে পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি বলে জানা গেছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্ল্যান্ট নির্মাণ করা গেলে সরকারিভাবে এলপিজির অংশীদারিত্ব বাড়বে। বাজারে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা সম্ভব হবে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত হবে। সূত্র জানায়- নতুন এলপিজি প্ল্যান্ট বানাতে জমি চেয়ে সম্প্রতি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয় সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বরাদ্দ পেলে সেই জমিতেই বার্ষিক ৪০ হাজার মেট্রিকটন ক্ষমতাসম্পন্ন আমদানি নির্ভর একটি এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষা পাউবোর এই জমি বরাদ্দ চাওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়- দেশের বন্দর এলাকাসমূহে এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হলে অপেক্ষাকৃত স্বল্প পরিবহন খরচে রেফ্রিজারেটেড এলপিজি ও প্রেসারাইজড এলপিজি আমদানি করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে বিপিসির আমদানি নির্ভর এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্লান্ট নির্মাণপূর্বক বাজারজাত করার কার্যক্রম গ্রহণ করা সহজ হবে।

চিঠিতে বলা হয়- চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার দক্ষিণ কাট্টলী মৌজায় অধিগ্রহণমূলে পাউবোর মালিকানাধীন দুটি দাগে ২৫ একর ও ৩৩ দশমিক ৫১ একর ভূমি অব্যবহৃত রয়েছে। তবে পাউবো যে উদ্দেশ্যে ভূমি অধিগ্রহণ করেছিল-সে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে না। কাজেই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশ বান্ধব সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পাউবোর অধিগ্রহণকৃত এসব ভূমি থেকে ৫০ একর ভূমি বিপিসির অনুকূলে বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণে জমি চেয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দেওয়া চিঠির বিষয়ে পাউবো এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাদী। তিনি বলেন, পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। তারা যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, আমরা সেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ বিষয়ে বিপিসির সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।

জানা গেছে, দেশে এখন দুটি সরকারি এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্লান্ট থাকলেও দেশে ক্রমবর্ধমান বোতলজাত এলপি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে তিন দশক পর নতুন প্ল্যান্ট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, নগরের উত্তর পতেঙ্গায় ‘চট্টগ্রাম এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট’ নির্মাণ করা হয় ১৯৭৭-৭৮ সালে। এরপর ১৯৯৫ সালে সিলেটের কৈলাশটিলায় আরো একটি এলপিজি স্টোরেজ, বটলিং ও ডিস্ট্রিবিউশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। দাম কম হওয়ায় বাজারে সরকারি এলপিজির বিপুল চাহিদা থাকলেও এরপর আর কোনো এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মিত হয়নি।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে বোতলজাত এলপি গ্যাসের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিকটন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে এই চাহিদা ৩০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ দেশে পাইপলাইনের মাধ্যমে আবাসিকে গ্যাসের সংযোগ বন্ধ থাকায় এলপিজির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পাশাপাশি শিল্প, বাণিজ্য এবং অটোমোবাইল খাতেও সংযোগ সীমিত থাকায় এলপিজির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিন্তু বিপুল এই চাহিদার বিপরীতে সরকারিভাবে এলপিজি সরবরাহের সক্ষমতার পরিমাণ মাত্র ৩৩ হাজার মেট্রিকটন। এরমধ্যে এলপি গ্যাস লিমিটেডের চট্টগ্রাম প্ল্যান্ট থেকে ২৫ হাজার এবং সিলেটের কৈলাশটিলা প্ল্যান্ট থেকে ৮ হাজার মেট্রিকটন এলপিজি সরবরাহ করার সক্ষমতা রয়েছে। চাহিদার বাকি প্রায় ৯৯ শতাংশ এলপিজি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ করছে। ফলে এই খাতে সরকারি অংশীদারিত্ব নেই বললেই চলে। এ প্রেক্ষাপটে দেশের অভ্যন্তরে চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় আমদানি নির্ভর এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিপিসি।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ