আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

সম্মিলিত উদ্যোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে ক্রেতা সুরক্ষার বেসরকারী উদ্যোগ ভলান্টারি মুভমেন্ট ‘কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি’ চট্টগ্রামের উদ্যোগে আলোচনা সভা শনিবার বিকেল ৪টায় সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল-‘টেকসই জীবনধারায় একটি ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর’।

সেলফ এইড ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আ হ ম কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে ও সংগঠক নোমান উল্লাহ বাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবসের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব অর্ন্তবর্তী কমিটির সদস্য সচিব ও ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিআরবি’র মহাসচিব কে.জি.এম সবুজ।

অন্যান্যের মধ্যে সিআরবিসহ বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মহানগর বিএনপি’র সদস্য মাহবুব রানা, মাহফুজুর রহমান, মাওলানা তৌহিদুল হক চৌধুরী, লায়ন মোঃ ইউসুফ, লায়ন মোঃ কামাল উদ্দিন, ফরহাদ উদ্দিন সোহাগ, এম.এ হালিম, এস.এম কামরুল ইসলাম, নেছার আহমদ খান, সাজ্জাদুল হক চৌধুরী, তাহেরা শারমীন, মেজবাহ উদ্দিন, প্রবাসী তানভীর কাজী খান, সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম, এবিএম ইমরান সিকদার, মোঃ জসিম উদ্দিন, রোটারিয়ান আবছার উদ্দিন, শিক্ষার্থী জান্নাতুল মারূফা প্রমূখ। আলোচনা

সভার পূর্বে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস উপলক্ষে ক্রেতা অধিকার সুরক্ষায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিকাল ৩টায় কাজীর দেউরী কাঁচা বাজার প্রাঙ্গণ থেকে বাদ্য-বাজনা সহকারে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। এটি চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গিয়ে শেষ হয়। শেষে ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ক্রেতা সুরক্ষা আন্দোলন-সিআরবি “পরিবহণ ও ঘর ভাড়া নির্ধারণে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের দাবী” শিরোনামে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করেছে।

আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, পবিত্র রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্স কার্যক্রমসহ মোবাইল কোট অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রমজানে ৪’শটি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ঘোষনাও দিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম। টাস্কফোর্স অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন বাজারে চারটি করে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

শুধু জেল-জরিমানা করে অসাধু সিন্ডিকেট রোধ করা সম্ভব নয়, পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে সম্মিলিত উদ্যোগে অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিতে হবে। এজন্য ভোক্তা-ক্রেতাসহ সংশ্লিষ্টদের সচেতন হতে হবে।
আলোচনা সভায় চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভোগে সুখ নেই, ত্যাগেই সুখ। ভেজাল খাবার খেয়ে মানুষ বিভিন্ন জঠিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ভোক্তাকে ঠকিয়ে ব্যবসা করলে পরিনাম ভালো হয়না। আমাদেরকে সচেতন হতে হবে, সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি ভেজাল খাবারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।

সভায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব অর্ন্তবর্তী কমিটির সদস্য সচিব ও ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকার সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি বলেন, বিগত সাড়ে ১৬ বছর ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দুঃশাসনের কবলে ছিল দেশ। তাদের আমলে প্রতি বছর রমজানে অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ছিল বেপরোয়া। আওয়ামী লীগের পতনের পর বাংলাদেশ নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। নৈরাজ্য ও হতাশা কেটে যাচ্ছে। বর্তমান সময়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও ওজনে কারচুপি রোধে আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি ‘কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ-সিআরবি’র মতো ক্রেতা সুরক্ষা আন্দোলন আরও জোরদার করতে সাধারণ ভোক্তা ও ক্রেতা সাধারণসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, প্রতিবাদে অবস্থান ধর্মঘট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার দাবিতে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে ৮টি পরিবেশবাদী ও সামাজিক সংগঠন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় নগরীর চেরাগি পাহাড় চত্বর এলাকায় চট্টগ্রাম নদী ও খাল রক্ষা আন্দোলন এই ধর্মঘটের আয়োজন করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি এস এম পেয়ার আলী সঞ্চালনায় অবস্থান ধর্মঘটে অংশ নেয় বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম, সৃষ্টি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশন, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদ, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, রেজাউল করিম শিকদার ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন।
অবস্থান র্ধমঘট চলাকালে বক্তারা বলেন, কর্ণফুলী নদী রক্ষায় তিন দফা দাবি অচিরেই বাস্তবায়ন করা না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যম কর্ণফুলীতে সাম্পান ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনটি দাবি হচ্ছে- মহামান্য হাইকোর্টে চলমান মামলায় দখলদারদের পক্ষ নিয়ে জনস্বার্থ মামলার বিরোধিতাকারীদের প্রত্যাহার করতে হবে। হাইকোর্ট নির্দেশিত নদী জীবত্ব সত্ত্বা আদেশ অনুযায়ী কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করতে হবে এবং সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী নদীর তীরে টিকে থাকা সাড়ে তিন শতাধিক দেশিয় প্রজাতির গাছ সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।পাশাপাশি নদী তীরে ব্যাপকহারে গাছ লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে ডা. মাহফুজুর রহমান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদলে গ্রাম সরকার বা ওয়ার্ড সরকার করে তাদের সমন্বয়ে দেশ পরিচালনা না করলে এই অব্যবস্থাপনা যাবে না।

বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে কর্ণফুলীর কারণে। দুখের কথা হচ্ছে- দেশের সঞ্চালক এই নদী রক্ষার জন্য সরকার ও প্রশাসন বরাবর উদাসীন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছি- আপনারা কর্ণফুলী দখল দূষণমুক্ত করুন, না হয় জনগণ আপনাদের ক্ষমা করবে না। সাংবাদিক আলীউর রহমান বলেন, নতুন সরকারের নদী ও খাল রক্ষার ঘোষণায় কর্ণফুলীর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হওয়ার আশায় ছিলাম। এখন অনেকে দখলদারদের পক্ষ নিয়ে কর্ণফুলীকে চিরতরে ধ্বংস করার পাঁয়তারা করছে, যা চট্টগ্রামের সর্বস্তরের জনগণ প্রতিহত করবে।

এসময় বক্তব্য দেন ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি জানে আলম, কর্ণফুলী সুরক্ষা পরিষদের সভাপতি কামাল পারভেজ, বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এম নুরুল হুদা চৌধুরী, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুল করিম বাপ্পি, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি জাফর আলম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক লোকমান দয়াল, ইউনাইটেড সোশ্যাল নেটওয়ার্কের পরিচালক আমির হোসেন, হস্তচালিত বড় সাম্পান মাঝি সমিতির সভাপতি মোজাম্মেল হোসাইন, চরপাথরঘাটা ব্রিজঘাট সাম্পান সমিতির সাধারণ সম্পাদক কোরবান আলী, মৎস্যজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন রায়, সমাজসেবক আরমান হোসেন প্রমুখ।

বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে। সেতু চালু হলে দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত প্রত্যাশা পূরণে ঢাকার পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো একধাপ এগিয়ে যাবে। একটি কুচক্রী মহল এতদিন সেতু নির্মাণ কাজ বাঁধাগ্রস্থ করে রাখে। আজ ১৮জুন বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা সেতু ও কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু পরিদর্শন শেষে নগরপাড়ায় আয়োজিত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মাহফুজুর রহমান হুমায়ুন, সাধারণ সম্পাদক হাজী বাছির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার পূর্ব মাদারটেক, সবুজবাগ হয়ে বালু নদের সেতু পার হয়ে সিলেট ও চট্টগ্রামসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় সহজেই আসা-যাওয়া করা যাবে। সেই দিক থেকে বালু নদের সেতুটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। বালু নদের সেতু নির্মাণ কাজ আগামী এক বছরের মধ্যে সমাপ্ত করা হবে। সেতু দু’টি চালু হলে লাখো মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। কৃষি ও ব্যবসা বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। সিলেটসহ ঢাকার পূর্বাঞ্চলীয় জেলায় যানবাহন চলাচল আরো সহজ ও দ্রুত হবে। উল্লেখ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু নির্মাণ ২৩ বছরেও শেষ হয়নি।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ