আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

পরিকল্পিত মব সন্ত্রাস বন্ধের দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোটের সমাবেশ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর সিনেমা প্যালস চত্বরে বিকাল ৪টায় নারী ধর্ষণ নির্যাতন, পরিকল্পিত মব সন্ত্রাস বন্ধ জানমালের নিরাপত্তা, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন বোনাস ও নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট চট্টগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাসদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার সমন্বয়ক আল কাদেরী জয়ের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড মসিউদ্দৌলা, সিপিবি চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি কমরেড আশোক সাহা, বাসদ( মার্ক্সবাদী) চট্টগ্রাম জেলা শাখার সমন্বয়ক শফিউদ্দিন কবির আবিদ । আরো উপস্থিত ছিলেন সিপিবির চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক জাহাঙ্গীর, বাসদ নেতা হেলাল উদ্দিন কবিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ পরিচালনা করেন বাসদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার সদস্য আকরাম হোসেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণভ্যুথানের যে আকাঙ্খার উপর বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে তার একের পর এক ভুল ও প্রশ্নবিদ্ধ পদক্ষেপ জনগণকে হতাশ করছে। অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ক্ষমতার হাতবদল হলেও ব্যবস্থার বদল হয়নি, বরং শাপলা চত্বর আর শাহবাগের মতো অহেতুক বিতর্ক সামনে এনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা চালাচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাইরে গিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। যে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন জনগণ

করেছে সেই জনগণের উপর অতিরিক্ত ট্যাক্সের বোঝা চাপানো হয়েছে কিন্তু সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এখনো বন্ধ হয় নি। জনগণের নাগালের বাইরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। অন্যদিকে গত কয়েকদিন দেশের মধ্যে নারী ধর্ষণ,খুন ও নিপীড়নের ঘটনায় জনগণ আতঙ্কিত ও ক্ষুদ্ধ। মাগুরায় শিশু আছিয়া বর্বরভাবে ধর্ষিত হওয়ার ঘটনায় প্রমাণ করে এই সরকার এখনো জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে

পারে নি, অথচ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার লোকদেখানো বকুনিতে মানুষ অতীতের স্বৈরাচারী শাসকদের প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। তাই এই ব্যর্থ উপদেষ্টাকে অবিলম্বে অপসারণ করতে হবে।” সম্প্রতি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা তাদের বেতন বোনাসের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। অতীতে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সময়েও ইদের আগে শ্রমিকরা তাদের বেতন বোনাসের দাবিতে রাস্তায় নামত। এই সরকারের আমলেও৷ আমরা তার ব্যাতিক্রম দেখছিনা। অবিলম্বে ইদের আগে সব শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ করতে হবে। গত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছিলো, জনগণ ভোট দিতে পারেনি। আমরা দেখছি এই অন্তর্র্বতীকালীন সরকার এখনো

নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করতে পারেনি।
সমাবেশে বক্তারা নারী ধর্ষণ নির্যাতন বন্ধ, পরিকল্পিত মব সন্ত্রাস বন্ধ জানমালের নিরাপত্তা, ঈদের আগে শ্রমিকদের বেতন বোনাস পরিশোধ ও কালবিলম্ব না করে দ্রুত সময়ে নির্বাচনের আয়োজন ঘোষণাসহ নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আহবান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ