আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

গাজীপুরকে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর সকলের সহযোগীতা নিয়ে গাজীপুরকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরীতে পরিণত করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ন সচিব) আবদুল লতিফ খান। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও বসবাসের যোগ্য করতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি এখানে বসবাসকারী সকল নাগরিকদের সহযোগিতা চেয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থানে পরিছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনের তিনি এসব কথা বলেন।

বুধবার (২এপ্রিল) ঈদের তৃতীয় দিন মহানগরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(যুগ্ন সচিব) আবদুল লতিফ খান বলেন, ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের একটি নিয়মিত কাজের অংশ। প্রতিদিন আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা রাস্তা ও ফুটপাতের ময়লা অপসারণ করছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের ময়লা-আবর্জনা পরিচ্ছন্নতার অভিযানে অংশ হিসেবে আমাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের কার্যক্রম দেখার জন্য প্রতিদিনের মত আজকেও পরিদর্শনে এসেছি।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যেখানে সেখানে যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলে সিটি কপোরেশনের নির্ধারিত স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলুন। নগর পরিষ্কার রাখার দায়িত্ব গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের। আমরা যথাযথ সময়ে তা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবো।

তিনি আরও জানান, ময়লা-আবর্জনা পরিচ্ছন্নতার অভিযান প্রতিদিনই চলে। আমরা মাঠ পরিদর্শন করে এ অভিযান আরও বেগবান করি। যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থেকে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার জন্য বসবাসকারীদের আরো সচেতন হতে হবে। একটু সচেতন হলে আমরাই আমাদের নগরীকে সুন্দর করে গড়ে তুলতে পারি।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জনবলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত জনবল নেই। স্বল্প সংখ্যাক জনবল নিয়ে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন রাতদিন কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা তা প্রতিদিনই আমি মাঠ পর্যায়ে পরিদর্শন করি। আর যেখানে পরিদর্শন করতে না পারি সেখানে ভিডিও কলের মাধ্যমে তা তদারকি করি।

পরিদর্শনকালে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক,বিদ্যুৎ,পানি) সুদীপ বসাক, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ সোহেল রানা, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (আনিক-৫) ফিরোজ আল মামুন, আইন কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ, প্রকৌশলী (যান্ত্রিক)আমজাদ হোসেনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ