আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ইউসাম’র উদ্যাগে ঈদ পুনর্মিলনী ও ৯৩ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: ইউসাম’র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী, নবীন বরণ ও সংবর্ধনা মিরসরাই উপজেলা অডিটোরিয়ামে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার সকালে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এতে নবীন শিক্ষার্থীদের অভ্যর্থনা এবং দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থান পাওয়া মিরসরাইয়ের ৯৩ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এছাড়া “মায়ের ভাষায় মাকে চিঠি” প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিগত কার্যকরী কমিটিকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হয়।

আব্দুল্লাহ আল মুরাদের সভাপতিত্বে ও মাকসুদুল আলম ফাহিমের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ইউসামের নবীন-প্রবীণ সদস্যরা। অতিথি ছিলেন ঢাবি’র ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ইব্রাহিম স্যার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান শওকত স্যার, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব জাহিদ ইকবাল, টেকনাফের সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেলওয়ার হোসেন, রাজনীতিবিদ শাহিদুল ইসলাম চৌধুরী, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল এড.সাইফুর রহমান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও রাজনীতিবিদ নুরুল আমিন চেয়ারম্যান, মিরসরাই কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নুরুল আফসার, সাবেক ট্যাক্স কমিশনার কামরুল ইসলাম চৌধুরী, চবি’র রসায়ন বিভাগের ড. কামরুল ইসলাম, মিরসরাই এসোসিয়েশন-চট্টগ্রাম এর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ উদ দৌজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হামিদুল হক, প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান চৌধুরী, রাজনীতিবিদ গাজী নিজাম উদ্দিন, বারইয়ারহাট বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি দিদারুল আলম মিয়াজী, ইউসামের প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্য ও


রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ম্যানেজার (মার্কেট অপারেশন) আলতাফ হোসেন রাজু, রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার ও ইউসামের সাবেক সভাপতি ডা. সাকিরুল ইসলাম, ইউনিটেক্স স্টোর অফিসার ও ইউসাম ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের সদস্য কাউসার হামিদ, চউক’র সহকারী অথোরাইজড অফিসার প্রকৌশলী মুহম্মদ হামিদুল হক, ঢাকাস্থ মিরসরাই ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান, সংগঠনের সাবেক সভাপতি মেসবাহুস সালেহীন রায়হান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরিফুল হাসান তুহিন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, ইউসাম প্রমাণ করল কঠিনতম চ্যালেঞ্জ ও পরিশ্রম, একাগ্রতা ও সংহতির শক্তিতে জয় করা সম্ভব। এ আয়োজন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি এক নবজাগরণ, শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের পথে এক সেতুবন্ধন এবং এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়! অনুষ্ঠান শেষে লাকি কুপন ড্র এর বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ