আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সিআরবিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম শহরের প্রাচীনতম স্থাপনার ঐতিহাসিক ও সংরক্ষিত এলাকা সিআরবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম শহরের প্রাচীনতম স্থাপনার ঐতিহাসিক ও সংরক্ষিত এলাকা সিআরবি (সেন্ট্রাল রেলওয়ে বিল্ডিং)। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটি বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চলীয়) মহাব্যবস্থাপকের নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়। সিআরবি এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রাখতে রেলওয়ের উদ্যোগে পরিচালিত হলো বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান।

এ উপলক্ষে ৫ এপ্রিল শনিবার সকাল ৮ ঘটিকায় সরেজমিনে পরিদর্শন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) শেখ সাকিল উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে আয়োজিত এই কার্যক্রমে অংশ নেন রেলওয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

মোঃ সুবক্তগীন মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব), চট্টগ্রাম, মোঃ আবু জাফর মিঞা প্রধান প্রকৌশলী (পূর্ব), ডাঃ ইবনে সফি আব্দুল আহাদ প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা পূর্ব, মোঃ আশাবুল ইসলাম চীফ কমান্ড্যান্ট, আরএনবি পূর্ব, এ বি এম কামরুজ্জামান বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক, চট্টগ্রাম, ফেরদৌস আহমেদ উপ পরিচালক (জন সংযোগ) পুর্ব, তাহামিনা আক্তার ডিভিশনাল অফিসার সিআরবি, এস রিয়াসাদ ইসরাম বিভাগীয় প্রকৌশলী ২ পাহাড়তলী রেলওয়ে কন্ট্রাকটরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক শফিকুর রহমান স্বপন সদস্য সচিব মো. শাহ আলম , রেলওয়ে শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর মঞ্জু, সেলিম পাটোয়ারী কার্যকরী সভাপতি বি,আর,ই,এল, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

আলোচনায় সিআরবি এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা, আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষ সংরক্ষণ এবং সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। কর্মকর্তারা বলেন, সিআরবি শুধু রেলওয়ের নয়, এটি চট্টগ্রামের প্রাণ ও ঐতিহ্যের অংশ। তাই এর পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে। অভিযান শেষে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কৃতজ্ঞতা জানিয়ে খিচুড়ি দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে : চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম মিঞা। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি জারির পর থেকে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় জেলার সার্বিক পরিবেশ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

জেলা প্রশাসক জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে পুরো চট্টগ্রাম জেলাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মাঠে রয়েছে ৪০ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং প্রায় ১১৫ জন জুডিশিয়াল ও অ্যাক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে এবং তারা সার্বক্ষণিক টহল ও মুভমেন্টের মাধ্যমে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। নিয়মিত তল্লাশি অভিযানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে কিছু অর্থ জব্দ করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনের লক্ষ্য কেবল ভোটগ্রহণ ও ফলাফল ঘোষণায় সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রতিটি ভোটার যেন উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের সুচিন্তিত মতামত প্রকাশ করতে পারেন এবং নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন-সেই নিশ্চয়তা প্রদানই প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার।

সীতাকুণ্ড ও রাউজানের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসহ প্রতিটি উপজেলা বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং কোনো ধরনের উদ্বেগের ইঙ্গিত পাওয়া গেলে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে নির্বাচনের পরিবেশ স্বস্তিকর।

চট্টগ্রাম জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৬৬ লাখ ৮২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৩৪ লাখ ৮৩ হাজার ৮৭৭ জন।নারী ভোটার ৩১ লাখ ৯৮ হাজার ৫৭০ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৭০ জন। এসব ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন জেলার মোট ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্রে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ৮ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে নির্বাচনী সরঞ্জাম ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রাম-৮ আসনের বোয়ালখালীতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম।বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারী ) দুপুর সাড়ে ১২টার সময় উপজেলার বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজ থেকে প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এসব সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে দেখা গেছে।


নিবার্চন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালখালীতে ৮২ টি কেন্দ্রে মোট ভোটার রয়েছে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯০ জন। এছাড়া বোয়ালখালী উপজেলা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ নং ওয়ার্ড নিয়ে চট্টগ্রাম-৮ আসন। এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মো. মেহেদী হাসান ফারুক বলেন, ভোট গ্রহণের জন্য আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ভোটের সরঞ্জাম নিয়ে ইতোমধ্যে প্রিজাইডিং অফিসাররা কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে।নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ হয়, সেজন্য পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ