আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চমেক হাসপাতালে চার মাসে চিকিৎসা নিয়েছে ধর্ষণের শিকার ১৪৮ নারী-শিশু

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা বেড়েই চলছে। বেশিরভাগ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য বা পরিচিতজনদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশী। শুধুমাত্র চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত চার মাসে ধর্ষণের শিকার ১৪৮ নারী ও শিশু চিকিৎসা নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অপরাধীদের দ্রুত বিচার না হওয়া এবং সামাজিক প্রতিরোধ দুর্বল থাকায় ধর্ষণের ঘটনা লাগামহীনভাবে বাড়ছে।অপরাধের ধরণ বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবারের নিকটজন, প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়দের দ্বারাই ধর্ষণের বেশিরভাগ ঘটনা ঘটছে। যা সামাজিকভাবে ভুক্তভোগীদের জন্য আরও দুর্বিষহ পরিস্থিতি তৈরি করছে।

নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগ এবং ভুক্তভোগীদের মানসিক সহায়তা বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করা গেলে এ ধরনের অপরাধ কমার সম্ভাবনা কম।
নারী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর ভাষ্য, ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর ভুক্তভোগীরা যেন সহজে আইনি ও চিকিৎসা সহায়তা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক লজ্জা বা ভয় কাটিয়ে তাদের সামনে আসার জন্যও সঠিক পদক্ষেপ দরকার।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কেবল আইনগত ব্যবস্থা নিলেই সমস্যার সমাধান হবে না, ধর্ষণের মতো অপরাধ কমাতে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
জানতে চাইলে এ বিষয়ে শিক্ষাবিদ ড. আনোয়ারা আলম বলেন, এই আইনের সংস্কার করতে হবে। বিচারহীনতার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে সেটা বন্ধ করতে হবে। আইনে যে সবোর্চ্চ শাস্তির কথা বলা হয়েছে সেটা হতে হবে দৃষ্টান্তমূলক। সেটা প্রিয়জন আর প্রতিবেশী যেই হোক। ধর্ষণ প্রতিরোধের জন্য একেবারে রুট লেভেল থেকে রাষ্টের সবোর্চ্চ পর্যায়ে পজিটিভ ভূমিকা থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মোবাইলে পর্নোগ্রাফি নিষিদ্ধ করতে হবে। এটি পুরুষ যে বয়সের হোক না কেন-তাদের ভোগবাদী প্রবণতাকে বাড়িয়ে দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না আর তখন অবুঝ অসহায় শিশুরা আক্রান্ত হয়। সোজা কথায় এই বিষয়টি এখন অশনিসংকেত। সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে এটি বন্ধ করার জন্য নীতিনির্ধারণীদের আন্তরিক হওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) তথ্য অনুযায়ী, গত চার মাসে (ডিসেম্বর থেকে মার্চ) ধর্ষণের শিকার হয়ে হাসপাতালে এসেছে ১৪৮ জন নারী ও শিশু। উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এদের মধ্যে ১০ থেকে ১৮ বছর বয়সী শিশুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

ওসিসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ধর্ষণের শিকার হয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছে ৩৬ জন, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৩৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে সেটি বেড়ে দাঁড়ায় ৪৩ জনে। আর চলতি মাসের ২৫ মার্চ পর্যন্ত হাসপাতালে এসেছে ৩১ জন।
এদিকে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। যদিও অনেক ভুক্তভোগী হাসপাতালে ভর্তি হন না বা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন না। তবু যেসব ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, তার পরিসংখ্যানই ভয়াবহ পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, আগের চেয়ে সম্প্রতি ধর্ষণের কেস বেড়েছে বলেই মনে হচ্ছে। কারণ ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর প্রথমে অনেকেই জরুরি বিভাগে আসে, এরপর আমরা ওসিসিতে রেফার করি। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, ভিকটিম প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েই চলে যায়, ভর্তি হয় না। এ কারণে পরিসংখ্যানে হয়তো প্রকৃত চিত্র পুরোপুরি উঠে আসে না।
চমেক হাসপাতালের চিকিৎসকদের মতে, ধর্ষণের শিকার অনেক নারী ও শিশু সামাজিক লজ্জা, ভয় এবং পারিবারিক চাপের কারণে চিকিৎসা সেবা ও আইনি প্রক্রিয়ার পুরোটা সম্পন্ন করতে পারেন না। বিশেষ করে যারা হাসপাতালে ভর্তি না হয়ে চলে যান, তারা বিচার প্রক্রিয়ায়ও খুব একটা এগোতে পারেন না।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওসিসির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, এখানে ধর্ষণের ঘটনায় আসা বেশির ভাগ কেসে দেখা যায় বিয়ের আশ্বাসে কিংবা প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করা হয় বলে তারা জানান। এমনও ঘটনা আছে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়ে শিশুদের প্রেম, বিয়ে ও ফাঁদে ফেলে প্রতারণার মাধ্যমে ধর্ষণ করা হচ্ছে। কিছু ক্ষেত্রে বিভিন্ন কিছুর প্রলোভন দেখিয়ে পাঁচ-ছয় বছরের শিশুদেরও ধষর্ণ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ