ইসলামের মর্মবাণী-সত্যবাণীর দিকে,কুরআনের আদর্শ কুরআনের শিক্ষার দিকে-হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.) আমাদেরকে আহ্বান করেছেনঃ রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)।

বলাই আচায্য বলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ২২ চৈত্র গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র পবিত্র ৮৯তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে রাত ১০ টায় মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত মুনাজাতে অংশগ্রহণ করে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করে তিনি একথা বলেন।

পবিত্র ওরশ শরীফের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি তার মুনাজাতে বলেন, “আপনার মহান অলির জন্ম- মৃত্যু এবং পুনরুত্থান দিবসকে আপনি শান্তিপূর্ণ করে ঘোষণা করেছেন।
মওলা,এই শান্তি লাভের আশায়,বরকত লাভের আশায়, আপনার মহান-পূণ্যবান বান্দাগণের ফয়েজ-বরকত হাসিলের আশায় আপনার মহান বন্ধুগণের নজরে-করম লাভের আশায় আপনার বান্দারা দূর-দূরান্ত থেকে দরবারে পাকে হাজির হয়েছে।
এই হাজেরীর ভেতর দিয়ে,এই জিন্দেগীর যে সময়টুকু তারা কুরবানী করেছে,যে সম্পদ কুরবানী করেছে,যে শ্রম কুরবানী করেছে-মুনিবের দরবারে এই আসা-যাওয়ার মাধ্যমে-এর ভেতর দিয়ে তারা আপনার-আপনার পেয়ারা হাবিবের (সাঃ) সন্তুষ্টি কামনা করছে।সকলকে মনজিলে মকসুদে কবুল করুন।

আপনার বান্দারা এই মহান ২২শে চৈত্রকে সামনে রেখে যে সমস্ত পুণ্য কর্মের মাঝে নিজেদেরকে- আমলে-সোয়াহলের মাঝে নিজেদেরকে নিবেদিত রেখেছে এগুলোকে আমাদের জন্যে নাজাতের ওয়াছিলা বানিয়ে দিন।”

তিনি বলেন আউলিয়াকে কেরামগণ ও হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী(কঃ)’র অবদান বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “আপনার আউলিয়ায়ে কেরামগণ-আপনার মহান প্রেরিত দ্বীনের দায়ী হিসেবে,সমস্ত মানবজাতিকে, আপনার দিকে-সত্যের দিকে ডেকেছেন মাওলা,আপনার পেয়ারা হাবিবের (সাঃ) দিকে ডেকেছেন মাওলা, কুরআনের সত্যের দিকে ডেকেছেন মাওলা। তারা দিনের দায়ী হিসেবে সর্বোত্তম প্রচেষ্টায় নিজেদেরকে দ্বীনের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,দ্বীনের দিকে সবাইকে ডেকেছে।পবিত্র ইসলামের দিকে ডেকেছে। আপনার পেয়ারা হাবিব (সাঃ)-‘ব যে শিক্ষা-আদর্শ-বাণী, সে বাণীর-সে জামায়াতের, ইসলামের যে,ন্যায়ের যে কাফেলা,সে কাফেলায় মুকাব্বির হিসেবে এই আহ্বানকে তারা বুলন্দ করেছে,মাওলা।
তার চেষ্টায়-আহ্বানের চেষ্টায় মুয়াজ্জিন হিসেবে, বুলন্দ করার চেষ্টায় মুকাব্বির হিসেবে,তারা যুগে যুগে দেশে দেশে নিজেদেরকে উৎসর্গিত করেছে।

তার-ই ধারাবাহিকতায় আমরা হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.)-কে পেয়েছি।ইসলামের মর্মবাণীর দিকে, ইসলামের সত্য বাণীর দিকে, কুরআনের আদর্শের দিকে, কুরআনের শিক্ষার দিকে- হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.) আমাদেরকে আহ্বান করেছেন।

সে বাণীকে হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.) বুলন্দ করার জন্যে নিজের সমস্ত জিন্দেগীকে উৎসর্গিত করেছেন।যার ফলে দিগ-বিদিক আলোকিত হয়েছে।
অসংখ্য ইনসানে কামেল দিকে দিকে, মাওলা,তাঁর মাধ্যমে-এই জমিন অসংখ্য ইনসানে কামেলকে আপনার পক্ষ হতে উপহার হিসেবে পেয়েছে।

ইসলামের যে মহান বাণী,যে মহান মর্মবাণী,সাম্য,ন্যায়-নীতি-দয়াগুণের-যে শিক্ষা,হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী তা আদলে মোতলাকের মাধ্যমে, উসুলে সাবআ-র মাধ্যমে, আমাদেরকে শিক্ষা দান করেছেন-মাওলা।এই আদর্শ-সাম্যের আদর্শ,সমতার আদর্শ,ন্যায় নীতির আদর্শ, ন্যায়- নিষ্ঠতার আদর্শ,দয়ার আদর্শ, দয়াশীলতা-দয়া প্রদর্শনের আদর্শ।

ইসলামের এই মূলনীতির মাধ্যমে সমাজে ইসলাম কায়েমের জন্যে, প্রত্যেকের অধিকার কায়েমের জন্যে,যার যে অধিকার , প্রত্যেককে জাতি- ধম বর্ণ নির্বিশেষে নিজ নিজ অধিকার, নানান জাতিগোষ্ঠীর, সমাজের নানান অংশ, প্রত্যেকের নিজ নিজ অধিকার,যে অধিকার ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, আপনার মহান গাউছুল আজম মানবের সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে আমাদেরকে মহান আদর্শ শিক্ষা দিয়েছেন,মাওলা।

সে আদর্শে অসংখ্য ইনসানে কামেল প্রস্তুত হয়েছে, মাওলা।
তারাও মানব এই জগতকে, এই অত্র অঞ্চলকে ,এই বিশ্ববাসীকে সেই মহান আলোর পথে সকলকে আহ্বান করেছেন,মাওলা।এই মহান নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার মত যোগ্যতা আমাদের কাছে নেই।এই মহান দিনে আপনার বান্দারা সমবেত হয়ে, আপনার এই মহান নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করছে, মাওলা।

আমরা যাতে এই শিক্ষাকে,এই আদর্শকে, আমরা যাতে দিকে-দিকে পৌঁছে দিতে পারি,সে তওফিক আমাদেরকে দান করুন।বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী কিবলা কাবার গোলামেরা, এই বাণীকে দিকে দিকে পৌছে দেওয়ার জন্যে,এই শিক্ষাকে দিকে দিকে পৌছে দেওয়ার জন্যে জায়গায় জায়গায় যে সমস্ত খেদমতের আঞ্জাম দিচ্ছেন, সে সমস্ত খেদমতকে আপনি কবুল করুন।

সমাজকে ইসলামের সেই মর্মবাণীর উপরে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে,ইসলামী উম্মাহকে-যে উম্মাহ আজকে ইসলামের সে মর্মবাণী থেকে বিচ্যুত হয়ে দুর্দশা-গ্রস্থ অবস্থায় পতিত হয়েছে- হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী-(ক.)-র সেই মহান আদর্শকে উম্মাহর মাঝে তুলে ধরার জন্যে যারা-গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)র গোলামেরা, মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটির সদস্যরা দিকে দিকে- দেশে দেশে নানানভাবে যারা খেদমত করছেন,মাওলা,এই খেদমতকে কবুল করুন।

এই মানব জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায়, মানবজাতির শান্তি প্রতিষ্ঠায়, মজলুমের মুক্তির প্রত্যাশায় আপনার বান্দারা- হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.)’র গোলামেরা,বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হক ভান্ডারী (ক.)’র গোলামেরা, মাইজভান্ডারী তরিকার খাদেমরা, মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটির সদস্যবৃন্দ-যারা দিন-রাত পরিশ্রম করে এই খেদমতের আঞ্জাম দিচ্ছেন,এই আদর্শকে প্রতিষ্ঠার জন্যে চেষ্টা করে চলেছেন, রাব্বুল আলামীন তাদের এই প্রচেষ্টাকে আপনি কামেয়াবী দান করুন। ”

তিনি সকলের গুনাহ-খাতা ভূল-ক্রুটি, সীমাবদ্ধতাকে ক্ষমা করার জন্য ফরিয়াদ জানিয়ে বলেন, “আজকের এই মহান বরকতময়, শান্তিময় এই দিনের উছিলায় আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের শান্তিময়,স্বচ্ছল একটি জিন্দেগী, নিরাপদ একটা জিন্দেগী আমরা কামনা করছি।

এই পবিত্র রাতের উছিলায়,এই মহান বরকতময় রাতের উছিলায় আমরা মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করছি। মুসলিম উম্মাহ যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যম বিশ্ববাসীর কল্যাণ সাধনে সক্ষমতা অর্জন করে যে সক্ষমতা আমরা এখন হারিয়েছি,সে সক্ষমতা যেন অর্জন করতে পারে সে তওফিক দান করুন।

এই পবিত্র বরকতময় ২২শে চৈত্রের উছিলায় সমস্ত বিশ্ববাসীর উপর আপনি রহমত বর্ষিত করুণ বিশ্বের প্রতিটি মানবসন্তানের উপর রহমত বর্ষণ করুণ।”

তিনি ন্যায়-নীতির প্রতিষ্ঠার নামে আমরা দয়া গুণকে যেন বিসর্জন না দিই, ন্যায় নীতি প্রতিষ্ঠার নামে আমরা যাতে সাম্যকে বিসর্জন না দিই-সাম্য,ন্যায়,নীতি,দয়াগুণ এই সমস্ত গুনাবলীকে ভারসাম্যের মধ্যে রেখে ইসলামের এই মহান শিক্ষাকে সামনে রেখে আমরা যাতে দ্বীন ইসলামের মহত্ত্ব, মাহাত্ম্য,গুরুত্ব উপযুক্তভাবে তুলে ধরতে পারী সেই তওফিক প্রদান করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

এবং এই চেষ্টার মধ্যে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর গোলামেরা যে মেহনত করছেন,খেদমত করছেন,এই খেদমতকে কামেয়াবী দান করার জন্য-এই খেদমত,এগিযে নিয়ে যাওয়ার জন্যে যে শিক্ষা – দীক্ষা প্রয়োজন,যে দক্ষতার প্রয়োজন,যে চিন্তাশীলতার প্রয়োজন,যে সৃজনশীলতার প্রয়োজন,সে সমস্ত কিছু যাতে অর্জন করতে পারে সে তওফিক দান করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

তিনি সকলের সচ্ছল,কর্মময়, কর্জমুক্ত জিন্দেগীর জন্য ফরিয়াদ করেন। তিনি জালিমের জুলুম থেকে হেফাজত করার জন্য এবং আমাদের দ্বারা যাতে কোনো জুলুম সংগঠিত না হয়,সে অবস্থা সকলকে হেফাজত করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

তিনি মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটির সদস্যরা যে খেদমতের মধ্যে আছেন, আরও বৃহৎ ভাবে ব্যাপকভাবে সে খেদমত করার জন্যে সকলকে জালে মালে তওফিক দান করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

চট্টগ্রামে এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল ৫ বছরের শিশুর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক যুবকের মৃত্যুর দুইদিন পর এবার সিরাজুল মনিরা (৫) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সিরাজুল মনিরা সীতাকুণ্ড পৌরসভার আমিরাবাদ এলাকার নুরুন্নবীর মেয়ে। অন্যদিকে হাসপাতালে ভর্তির একদিন না পেরোতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রাফসান মোহাম্মদ নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাদের কাছে ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর দুইটার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত রাফসান মোহাম্মদ প্রাচুর্য সীতাকুণ্ড উপজেলার ফৌজদারহাট তুলাতলি এলাকার সাত নম্বর ওয়ার্ডের মৃত নুরুল আলমের ছেলে। পরিবারের তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে রাফসান বড় ছেলে ছিলেন। রাফসান একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন।

মনিরার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকদিন ধরে তীব্র জ্বরসহ নানান শারীরিক অসুস্থতায় খুব দুর্বল হয়ে পড়ে সে। অবস্থার অবনতি হতে দেখে অভিভাবকরা তাকে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সীতাকুণ্ড পৌরসদরের মেডিকেয়ার ল্যাবে নিয়ে আসলে চিকিৎসক এনএসওয়ান পরীক্ষা করেন। পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লে তাকে দ্রুত চমেক হাসপাতালে ভর্তি করাতে বলেন চিকিৎসক। সেখানে বুধবার তাকে আইসিইউতে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে রাফসানের ভগ্নিপতি মোহাম্মদ আসলাম উদ্দিন জানান, রাফসান গত পাঁচদিন আগ থেকে জ্বরে ভুগছিলেন। পরে ১০ সেপ্টেম্বর তাকে চট্টগ্রাম নগরীর মেরনসিটি নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তার স্বজনরা তাকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। পরে রাফসানকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর দুইটার সময় তার মৃত্যু হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার সময় ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করালাম দুই দুইটার সময় রাফসান মারা যান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দুই লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিল করেছে। যা অতিরিক্ত।
পরিবারের অভিযোগ, অল্প সময়ের চিকিৎসার বিপরীতে এত বেশি বিল হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে চাপে পড়েছেন। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা যায়নি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ