আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

ইসলামের মর্মবাণী-সত্যবাণীর দিকে,কুরআনের আদর্শ কুরআনের শিক্ষার দিকে-হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.) আমাদেরকে আহ্বান করেছেনঃ রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)।

বলাই আচায্য বলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ২২ চৈত্র গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র পবিত্র ৮৯তম বার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে রাত ১০ টায় মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে সমগ্র সৃষ্টির কল্যাণ কামনায় অনুষ্ঠিত মুনাজাতে অংশগ্রহণ করে মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করে তিনি একথা বলেন।

পবিত্র ওরশ শরীফের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি তার মুনাজাতে বলেন, “আপনার মহান অলির জন্ম- মৃত্যু এবং পুনরুত্থান দিবসকে আপনি শান্তিপূর্ণ করে ঘোষণা করেছেন।
মওলা,এই শান্তি লাভের আশায়,বরকত লাভের আশায়, আপনার মহান-পূণ্যবান বান্দাগণের ফয়েজ-বরকত হাসিলের আশায় আপনার মহান বন্ধুগণের নজরে-করম লাভের আশায় আপনার বান্দারা দূর-দূরান্ত থেকে দরবারে পাকে হাজির হয়েছে।
এই হাজেরীর ভেতর দিয়ে,এই জিন্দেগীর যে সময়টুকু তারা কুরবানী করেছে,যে সম্পদ কুরবানী করেছে,যে শ্রম কুরবানী করেছে-মুনিবের দরবারে এই আসা-যাওয়ার মাধ্যমে-এর ভেতর দিয়ে তারা আপনার-আপনার পেয়ারা হাবিবের (সাঃ) সন্তুষ্টি কামনা করছে।সকলকে মনজিলে মকসুদে কবুল করুন।

আপনার বান্দারা এই মহান ২২শে চৈত্রকে সামনে রেখে যে সমস্ত পুণ্য কর্মের মাঝে নিজেদেরকে- আমলে-সোয়াহলের মাঝে নিজেদেরকে নিবেদিত রেখেছে এগুলোকে আমাদের জন্যে নাজাতের ওয়াছিলা বানিয়ে দিন।”

তিনি বলেন আউলিয়াকে কেরামগণ ও হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী(কঃ)’র অবদান বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, “আপনার আউলিয়ায়ে কেরামগণ-আপনার মহান প্রেরিত দ্বীনের দায়ী হিসেবে,সমস্ত মানবজাতিকে, আপনার দিকে-সত্যের দিকে ডেকেছেন মাওলা,আপনার পেয়ারা হাবিবের (সাঃ) দিকে ডেকেছেন মাওলা, কুরআনের সত্যের দিকে ডেকেছেন মাওলা। তারা দিনের দায়ী হিসেবে সর্বোত্তম প্রচেষ্টায় নিজেদেরকে দ্বীনের মুয়াজ্জিন হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন,দ্বীনের দিকে সবাইকে ডেকেছে।পবিত্র ইসলামের দিকে ডেকেছে। আপনার পেয়ারা হাবিব (সাঃ)-‘ব যে শিক্ষা-আদর্শ-বাণী, সে বাণীর-সে জামায়াতের, ইসলামের যে,ন্যায়ের যে কাফেলা,সে কাফেলায় মুকাব্বির হিসেবে এই আহ্বানকে তারা বুলন্দ করেছে,মাওলা।
তার চেষ্টায়-আহ্বানের চেষ্টায় মুয়াজ্জিন হিসেবে, বুলন্দ করার চেষ্টায় মুকাব্বির হিসেবে,তারা যুগে যুগে দেশে দেশে নিজেদেরকে উৎসর্গিত করেছে।

তার-ই ধারাবাহিকতায় আমরা হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.)-কে পেয়েছি।ইসলামের মর্মবাণীর দিকে, ইসলামের সত্য বাণীর দিকে, কুরআনের আদর্শের দিকে, কুরআনের শিক্ষার দিকে- হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.) আমাদেরকে আহ্বান করেছেন।

সে বাণীকে হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.) বুলন্দ করার জন্যে নিজের সমস্ত জিন্দেগীকে উৎসর্গিত করেছেন।যার ফলে দিগ-বিদিক আলোকিত হয়েছে।
অসংখ্য ইনসানে কামেল দিকে দিকে, মাওলা,তাঁর মাধ্যমে-এই জমিন অসংখ্য ইনসানে কামেলকে আপনার পক্ষ হতে উপহার হিসেবে পেয়েছে।

ইসলামের যে মহান বাণী,যে মহান মর্মবাণী,সাম্য,ন্যায়-নীতি-দয়াগুণের-যে শিক্ষা,হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী তা আদলে মোতলাকের মাধ্যমে, উসুলে সাবআ-র মাধ্যমে, আমাদেরকে শিক্ষা দান করেছেন-মাওলা।এই আদর্শ-সাম্যের আদর্শ,সমতার আদর্শ,ন্যায় নীতির আদর্শ, ন্যায়- নিষ্ঠতার আদর্শ,দয়ার আদর্শ, দয়াশীলতা-দয়া প্রদর্শনের আদর্শ।

ইসলামের এই মূলনীতির মাধ্যমে সমাজে ইসলাম কায়েমের জন্যে, প্রত্যেকের অধিকার কায়েমের জন্যে,যার যে অধিকার , প্রত্যেককে জাতি- ধম বর্ণ নির্বিশেষে নিজ নিজ অধিকার, নানান জাতিগোষ্ঠীর, সমাজের নানান অংশ, প্রত্যেকের নিজ নিজ অধিকার,যে অধিকার ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, আপনার মহান গাউছুল আজম মানবের সেই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে আমাদেরকে মহান আদর্শ শিক্ষা দিয়েছেন,মাওলা।

সে আদর্শে অসংখ্য ইনসানে কামেল প্রস্তুত হয়েছে, মাওলা।
তারাও মানব এই জগতকে, এই অত্র অঞ্চলকে ,এই বিশ্ববাসীকে সেই মহান আলোর পথে সকলকে আহ্বান করেছেন,মাওলা।এই মহান নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করার মত যোগ্যতা আমাদের কাছে নেই।এই মহান দিনে আপনার বান্দারা সমবেত হয়ে, আপনার এই মহান নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করছে, মাওলা।

আমরা যাতে এই শিক্ষাকে,এই আদর্শকে, আমরা যাতে দিকে-দিকে পৌঁছে দিতে পারি,সে তওফিক আমাদেরকে দান করুন।বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী কিবলা কাবার গোলামেরা, এই বাণীকে দিকে দিকে পৌছে দেওয়ার জন্যে,এই শিক্ষাকে দিকে দিকে পৌছে দেওয়ার জন্যে জায়গায় জায়গায় যে সমস্ত খেদমতের আঞ্জাম দিচ্ছেন, সে সমস্ত খেদমতকে আপনি কবুল করুন।

সমাজকে ইসলামের সেই মর্মবাণীর উপরে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে,ইসলামী উম্মাহকে-যে উম্মাহ আজকে ইসলামের সে মর্মবাণী থেকে বিচ্যুত হয়ে দুর্দশা-গ্রস্থ অবস্থায় পতিত হয়েছে- হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী-(ক.)-র সেই মহান আদর্শকে উম্মাহর মাঝে তুলে ধরার জন্যে যারা-গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)র গোলামেরা, মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটির সদস্যরা দিকে দিকে- দেশে দেশে নানানভাবে যারা খেদমত করছেন,মাওলা,এই খেদমতকে কবুল করুন।

এই মানব জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায়, মানবজাতির শান্তি প্রতিষ্ঠায়, মজলুমের মুক্তির প্রত্যাশায় আপনার বান্দারা- হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারী (ক.)’র গোলামেরা,বিশ্বঅলি শাহানশাহ্ হক ভান্ডারী (ক.)’র গোলামেরা, মাইজভান্ডারী তরিকার খাদেমরা, মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটির সদস্যবৃন্দ-যারা দিন-রাত পরিশ্রম করে এই খেদমতের আঞ্জাম দিচ্ছেন,এই আদর্শকে প্রতিষ্ঠার জন্যে চেষ্টা করে চলেছেন, রাব্বুল আলামীন তাদের এই প্রচেষ্টাকে আপনি কামেয়াবী দান করুন। ”

তিনি সকলের গুনাহ-খাতা ভূল-ক্রুটি, সীমাবদ্ধতাকে ক্ষমা করার জন্য ফরিয়াদ জানিয়ে বলেন, “আজকের এই মহান বরকতময়, শান্তিময় এই দিনের উছিলায় আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের শান্তিময়,স্বচ্ছল একটি জিন্দেগী, নিরাপদ একটা জিন্দেগী আমরা কামনা করছি।

এই পবিত্র রাতের উছিলায়,এই মহান বরকতময় রাতের উছিলায় আমরা মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করছি। মুসলিম উম্মাহ যাতে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যম বিশ্ববাসীর কল্যাণ সাধনে সক্ষমতা অর্জন করে যে সক্ষমতা আমরা এখন হারিয়েছি,সে সক্ষমতা যেন অর্জন করতে পারে সে তওফিক দান করুন।

এই পবিত্র বরকতময় ২২শে চৈত্রের উছিলায় সমস্ত বিশ্ববাসীর উপর আপনি রহমত বর্ষিত করুণ বিশ্বের প্রতিটি মানবসন্তানের উপর রহমত বর্ষণ করুণ।”

তিনি ন্যায়-নীতির প্রতিষ্ঠার নামে আমরা দয়া গুণকে যেন বিসর্জন না দিই, ন্যায় নীতি প্রতিষ্ঠার নামে আমরা যাতে সাম্যকে বিসর্জন না দিই-সাম্য,ন্যায়,নীতি,দয়াগুণ এই সমস্ত গুনাবলীকে ভারসাম্যের মধ্যে রেখে ইসলামের এই মহান শিক্ষাকে সামনে রেখে আমরা যাতে দ্বীন ইসলামের মহত্ত্ব, মাহাত্ম্য,গুরুত্ব উপযুক্তভাবে তুলে ধরতে পারী সেই তওফিক প্রদান করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

এবং এই চেষ্টার মধ্যে গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর গোলামেরা যে মেহনত করছেন,খেদমত করছেন,এই খেদমতকে কামেয়াবী দান করার জন্য-এই খেদমত,এগিযে নিয়ে যাওয়ার জন্যে যে শিক্ষা – দীক্ষা প্রয়োজন,যে দক্ষতার প্রয়োজন,যে চিন্তাশীলতার প্রয়োজন,যে সৃজনশীলতার প্রয়োজন,সে সমস্ত কিছু যাতে অর্জন করতে পারে সে তওফিক দান করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

তিনি সকলের সচ্ছল,কর্মময়, কর্জমুক্ত জিন্দেগীর জন্য ফরিয়াদ করেন। তিনি জালিমের জুলুম থেকে হেফাজত করার জন্য এবং আমাদের দ্বারা যাতে কোনো জুলুম সংগঠিত না হয়,সে অবস্থা সকলকে হেফাজত করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

তিনি মাইজভান্ডারী গাউছিয়া হক কমিটির সদস্যরা যে খেদমতের মধ্যে আছেন, আরও বৃহৎ ভাবে ব্যাপকভাবে সে খেদমত করার জন্যে সকলকে জালে মালে তওফিক দান করার জন্য ফরিয়াদ করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে মে দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য বিলীন হয়ে যাবে।শিকাগো শহরে শ্রমিকরা তাদের রক্তের বিনিময়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন, সেই চেতনা আজও আমাদের সামনে প্রাসঙ্গিক। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো আমরা সব শ্রমিকের ন্যায্য দাবি পূরণ করতে পারিনি।

তিনি শুক্রবার (১ মে) দুপুরে নগরীর টাইগার পাস মোড়ে মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, প্রতিটি সেক্টরেই শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে ভবন, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, নগরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখার প্রতিটি কাজে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রম রয়েছে। আজ আমরা যে উন্নত অবকাঠামো ও নগরজীবন উপভোগ করছি, তা শ্রমিকদের ঘাম ও শ্রমের ফল।

তিনি আরও বলেন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবেও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করেন। নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। কোথাও পানি জমলে বা কোনো সমস্যা হলে দ্রুত সেখানে ছুটে যাই, যাতে মানুষের কষ্ট কমানো যায়।

রুট লেভেলের শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, তাদের ন্যায্য মজুরি ও জীবনমান নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না। গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেতন বকেয়া থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রমিকরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে আন্দোলনে নামে, যা আমাদের জন্য দুঃখজনক।


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ১২০০ অস্থায়ী শ্রমিককে স্থায়ী করার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এটি ছিল তাদের দীর্ঘদিনের দাবি। ঝুঁকি নিয়েই আমরা এটি বাস্তবায়ন করেছি, কারণ তারা দীর্ঘদিন অসহায় অবস্থায় ছিলেন।

এ সময় তিনি শ্রমিকবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। মেয়র বলেন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য পাঁচটি আবাসন নির্মাণে ৩০৯ কোটি টাকা বরাদ্দ এবং সিটি কর্পোরেশনের জন্য ৬০ কোটি টাকার সরকারি অনুদান শ্রমিকদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে শ্রমিকদের ৫ হাজার টাকা করে বোনাস প্রদানকেও তিনি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

বক্তব্যের শেষে মেয়র একটি হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি পরিশোধ করতে হবে। তিনি বলেন, এই নীতিকে বাস্তবে প্রয়োগ করা গেলে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা দেশের উন্নয়ন ও একটি সুন্দর চট্টগ্রাম গড়তে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

চট্টগ্রাম হালকা মোটরযান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমির হোসেনের পরিচালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর চৌধুরী, রাজনীতিবিদ তোফাজ্জল হোসেন, মিল্টন ডেকোরেটারসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাজেদুল ইসলাম চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার ও পরিবেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এস এম সামশুল হক। বক্তব্য রাখেন মে দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক শামসুল ইসলাম আরজু, সদস্য সচিব মো. সোলাইমান সুমন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শাহ আলম ফিরোজী, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, সংগঠনের নেতা কে এম শহীদুল্লাহ, কাজল ইসলাম, মাঈন উদ্দিন তাপস, সাইফুল ইসলাম শাহীন, মো. হাসান, মিজানুর রহমান, জসিম উদ্দিন, নজরুল ইসলাম, রাসেল হাওলাদার, ইয়াছিন মিয়াজি, মনির হোসেন, মো. সোহাগ, আবদুস সালাম, মো. শফি, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, কাজী গোলাম মোস্তফা, এম এ হাকিম, এস এম ফজলুল হক, ওয়াজেদ আলী ওমর, ইমাম হোসেন মাসুদ প্রমুখ।

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষা বিভাগে আগুনের ঘটনার পেছনে কারা জড়িত? দেখা যাক তদন্তে কি বেড়িয়ে আসছে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ