আজঃ বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

পহেলা বৈশাখ ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণে নগরের ডিসি হিল ও সিআরবির শিরীষতলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন পরিষদ এবং নববর্ষ উদযাপন পরিষদ দুই সংগঠনই পেয়েছে জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি। তাই পহেলা বৈশাখ ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। প্রতিবছরের মতো এবারও ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন পরিষদ। বর্ষবরণের এই আয়োজনে অংশ নেবে ৫০টির বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন। অনুষ্ঠান শুরু হবে ১৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে এবং চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

লোকজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাঙালির প্রাণের উৎসবকে কেন্দ্র করে দিনটি উদযাপিত হবে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এটি এ বছর ৪৭ বছরে পদার্পণ করল। পূর্বে দুই দিনব্যাপী বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উদ্যাপন হলেও, করোনা-পরবর্তী বাস্তবতায় তা এখন একদিনেই সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে আয়োজক সংগঠনটি। ১০ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। যেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সকাল থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠান চলবে।

এদিকে, সিআরবি শিরীষতলায় নববর্ষ উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ১৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে বর্ষবিদায়ের আয়োজন। পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলবে ঐতিহ্যবাহী এই শিরীষতলায়।
অন্যদিকে, নববর্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নগর পুলিশের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডিসি হিল, সিআরবি এবং শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠেয় বর্ষবরণ আয়োজকদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বর্ষবরণ পরিষদের এক সদস্য বলেন, আমরা সংস্কৃতির মানুষ। বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। প্রশাসনের সহযোগিতায় সীমিত সময়ের মাঝেও আমরা এই আয়োজন প্রাণবন্ত করে তুলতে চাই।

এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ঘিরে চলছে উৎসবের প্রস্তুতি।ঈদের ছুটি শেষে বিরামহীনভাবে চলছে প্রতিকৃতি ও মুখোশ তৈরির মহাযজ্ঞ। কাঠ, কাগজ, রঙ, ক্যানভাস আর হাসিমাখা মুখে তরুণ শিল্পীরা তৈরি করছেন বাঘ, পাখি, মাছসহ নানা লোকজ প্রতীক। মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। চলছে শেষ মুহূর্তের আচঁড়।

প্রতিবারের মতো এবারেও সকাল নয়টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। চট্টেশ্বরী মোড়-আলমাস মোড়-কাজীর দেউড়ি মোড়-এস এস খালেদ রোড-প্রেস ক্লাব ইউটার্ন-সার্সন রোড হয়ে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আর সন্ধ্যায় চারুকলার মুক্তমঞ্চে থাকবে সাংস্কৃতিক আয়োজন। সেখানে স্থানীয় শিল্পীদেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শুরু হলো চবি শাহ আমানত হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ আমানত হলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় চবি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান।উদ্বোধনকালে চবি উপাচার্য শিক্ষার্থীদের মোবাইলে আসক্ত না হয়ে খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ক্রীড়া একটি দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ক্রীড়ার জন্য বিশ্বে আমাদের দেশ পরিচিত।

আমাদের ক্যাম্পাসের অনেক ক্রীড়াবিদ জাতীয় পর্যায়ে ভালো অবদান রাখছে। এজন্য শুধু আজকের দিনে নয়, সব সময় শরীরচর্চা, খেলাধুলায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের নিয়োজিত রাখবে প্রত্যাশা করি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, খেলাধুলায় এ হলের অনেক সুনাম রয়েছে। আমরা চাইবো, শুধুমাত্র খেলাধুলায় নয়, কথা-বার্তায়, আচার-আচরণেও এ হলের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে থাকবে। তিনি সকল ক্রীড়াবিদদের জন্য শুভ কামনা জানান।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চবি ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী ও আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চবি শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. চৌধুরী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান। অনুষ্ঠানে চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হাবিবুর রহমান জালাল বক্তব্য রাখেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় উপাচার্য জাতীয় পতাকা, উপ-উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, ব্যবসায় প্রশাসন ও আইন অনুষদের ডিন ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) অলিম্পিক পতাকা এবং শাহ আমানত হলের প্রভোস্ট হল পতাকা উত্তোলন করেন। মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ মোহাম্মদ আলী রিমন ও জাকির হোসেন।

বিচারকদের পক্ষে হলের আবাসিক শিক্ষক নুরুল ইসলাম এবং ক্রীড়াবিদদের পক্ষে হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ নাইমুর রশিদ দুর্জয়কে উপাচার্য শপথ বাক্য পাঠ করান।
শাহ আমানত হলের আবাসিক শিক্ষক ফজলে এলাহী নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়াবিদদের মার্চপাস্ট। হলের পতাকা বহন করেন হলের কৃতী ক্রীড়াবিদ নাদিম শাহ মারুফ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শাহ আমানত হল সংসদের ভিপি মো. জাহাঙ্গীর আলম হান্নান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন তাসলিম হাসান ও মোছা. সাজেদা ইসফাত রহমান সামান্তা। প্রথম ইভেন্ট ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য পুরষ্কার বিতরণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টবৃন্দ, প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, চবি ছাত্র-ছাত্রী পরামর্শ ও নির্দেশনা কেন্দ্রের পরিচালক, শাহ আমানত হলের আবাসিক শিক্ষকবৃন্দ, চাকসুর প্রতিনিধিবৃন্দ, শাহ আমানত হল সংসদের ভিপি, জিএসসহ অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, ক্রীড়ামোদী শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সূধীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নাফেরার দেশে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বুধবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় হাফিজ উদ্দিন খানের মামাতো ভাই লিয়াকত আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তিনি স্ত্রী ও কানাডা প্রবাসী দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আলোচিত খবর

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে অনুমোদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ – ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের এক সভায় এতে অনুমোদন দেওয়া হয়।প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এর প্রেস রিলিজে বলা হয় উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনে সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কলেজগুলোর নিজস্ব পরিচয়, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর তাদের অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এইপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিদর্শন, মূল্যায়ন ও নির্দেশনার ক্ষমতা পাবে।

নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওযার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ