আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পহেলা বৈশাখ ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণে নগরের ডিসি হিল ও সিআরবির শিরীষতলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন পরিষদ এবং নববর্ষ উদযাপন পরিষদ দুই সংগঠনই পেয়েছে জেলা প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি। তাই পহেলা বৈশাখ ঘিরে চট্টগ্রামজুড়ে বইছে উৎসবের আমেজ। প্রতিবছরের মতো এবারও ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদ্যাপন পরিষদ। বর্ষবরণের এই আয়োজনে অংশ নেবে ৫০টির বেশি সাংস্কৃতিক সংগঠন। অনুষ্ঠান শুরু হবে ১৪ এপ্রিল সকাল সাড়ে ছয়টা থেকে এবং চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

লোকজ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাঙালির প্রাণের উৎসবকে কেন্দ্র করে দিনটি উদযাপিত হবে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এটি এ বছর ৪৭ বছরে পদার্পণ করল। পূর্বে দুই দিনব্যাপী বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উদ্যাপন হলেও, করোনা-পরবর্তী বাস্তবতায় তা এখন একদিনেই সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে।

জানা গেছে, প্রতিবছরের মতো এবারও ডিসি হিলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে আয়োজক সংগঠনটি। ১০ এপ্রিল জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়। যেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সকাল থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠান চলবে।

এদিকে, সিআরবি শিরীষতলায় নববর্ষ উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হবে বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। ১৩ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চলবে বর্ষবিদায়ের আয়োজন। পহেলা বৈশাখ অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বর্ষবরণের অনুষ্ঠান চলবে ঐতিহ্যবাহী এই শিরীষতলায়।
অন্যদিকে, নববর্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নগর পুলিশের উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ডিসি হিল, সিআরবি এবং শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠেয় বর্ষবরণ আয়োজকদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষা বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

বর্ষবরণ পরিষদের এক সদস্য বলেন, আমরা সংস্কৃতির মানুষ। বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। প্রশাসনের সহযোগিতায় সীমিত সময়ের মাঝেও আমরা এই আয়োজন প্রাণবন্ত করে তুলতে চাই।

এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রাকে ঘিরে চলছে উৎসবের প্রস্তুতি।ঈদের ছুটি শেষে বিরামহীনভাবে চলছে প্রতিকৃতি ও মুখোশ তৈরির মহাযজ্ঞ। কাঠ, কাগজ, রঙ, ক্যানভাস আর হাসিমাখা মুখে তরুণ শিল্পীরা তৈরি করছেন বাঘ, পাখি, মাছসহ নানা লোকজ প্রতীক। মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। চলছে শেষ মুহূর্তের আচঁড়।

প্রতিবারের মতো এবারেও সকাল নয়টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে বের হবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। চট্টেশ্বরী মোড়-আলমাস মোড়-কাজীর দেউড়ি মোড়-এস এস খালেদ রোড-প্রেস ক্লাব ইউটার্ন-সার্সন রোড হয়ে পুনরায় চারুকলা ইনস্টিটিউটে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। আর সন্ধ্যায় চারুকলার মুক্তমঞ্চে থাকবে সাংস্কৃতিক আয়োজন। সেখানে স্থানীয় শিল্পীদেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগে আতর্কিত হামলা ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীর নির্বাচনী গণসংযোগে হামলার ঘটনা ঘটেছে। মহানগরের খুলশী থানাধীন আমবাগান রেলগেট এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, গণসংযোগ চলাকালে হঠাৎ করে একদল দুর্বৃত্ত হামলা চালায়। এতে জামায়াতের অন্তত ৮ জন নেতাকর্মী আহত হন।
আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে শামসুজ্জামান হেলালী অভিযোগ করে বলেন, অতর্কিতভাবে স্থানীয় বিএনপির লোকজন আমাদের শান্তিপূর্ণ গণসংযোগে হামলা চালিয়েছে।

এতে আমাদের নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন।এদিকে হামলার পর এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা বা আটকের তথ্য পাওয়া যায়নি।

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ