আজঃ শুক্রবার ২৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে এবার কোরবানির ঈদে পশুর চাহিদা প্রায় ৯ লাখ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সবচেয়ে বেশি ৮৫ হাজার ২৫০ টি পশুর চাহিদা সন্দ্বীপে, কম ২৯ হাজার ৭৪২ টি বোয়ালখালীতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কোরবানির ঈদে পশুর চাহিদা প্রায় ৯ লাখ। যা গেল বছরের চেয়ে অন্তত সাড়ে ১০ হাজার বেশি। এরমধ্যে জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ৮ লাখ ৬১ হাজার পশু। তবে পশুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি হলেও বাজারে এর খুব বেশি প্রভাব পড়বে না বলে দাবি এমনটি বলেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। এদিকে কোরবানির ঈদকে ঘিরে চলছে পশু বেচাকেনার নানা প্রস্তুতি। নগর ও জেলাতে নানা প্রকারের প্রস্তুতি চলছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর বলেন, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কুষ্টিয়া, চাপাইনবাবগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ , ফরিদপুর, কুমিল্লাসহ আশপাশের ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় চাহিদার চেয়ে উদ্বৃত্ত রয়েছে পশু। সেসব এলাকা থেকে চট্টগ্রামের হাটে প্রচুর পশু আসে, এবারও আসবে। তাই কোনো সমস্যা হবে না। তবে এবার উৎপাদন ব্যয় একটু বেশি, খাবার, ওষুধসহ অন্যান্য সামগ্রীর দাম বাড়তি। তাই পশুর দাম গেল বছরের চেয়ে কিছুটা বাড়তে পারে। তবে বাজারের সঙ্গে দরদামের সমন্বয় থাকবে, খুব বেশি বাড়বে না

প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের হিসেবে এবার জেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮২ টি পশু। আর চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে ৩৫ হাজার ৩৮৭ টি পশুর। যা গেল বছরের চেয়ে অন্তত ৪ হাজার বেশি। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৭ হাজার ৫০০টি পশুর ঘাটতি রয়েছে ডবলমুরিং এলাকায়। আর চাহিদার চেয়ে সবচেয়ে বেশি ৯ হাজার ১১১টি পশু উদ্বৃত্ত আছে ফটিকছড়ি উপজেলায়।

এদিকে কোরবানির জন্য জেলায় প্রস্তুত ৮ লাখ ৬০ হাজার ৮৮২ টি পশুর মধ্যে ৩ লাখ ৬৫ হাজার ২৯টি ষাঁড়, ১ লাখ ২১ হাজার ৬৭০টি বলদ, ৪৯ হাজার ১১৪টি গাভী, ৬৪ হাজার ১৬৩টি মহিষ, ২ লাখ ৫ হাজার ১৭৪ টি ছাগল, ৫৫ হাজার ৬৯৭টি ভেড়া এবং ৩৩টি অন্যান্য পশু রয়েছে। প্রতিবছর কোরবানির ঈদকে ঘিরে নগর ও গ্রামাঞ্চলে কয়েক ডজন পশুর হাট বসে চট্টগ্রামে। এসব হাটে বিক্রির জন্য পার্শ্ববর্তী জেলা ও উত্তরবঙ্গ থেকে বেশকিছু পশু নিয়ে আসেন খামারিরা। আর তাতে পশুর ঘাটতি পূরণ হয়ে যাবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য মতে, এবার সবমিলিয়ে ৮ লাখ ৯৬ হাজার ২৬৯টি কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে চট্টগ্রামে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ৮৫ হাজার ২৫০ টি পশুর চাহিদা রয়েছে সন্দ্বীপ উপজেলায়। সবচেয়ে কম ২৯ হাজার ৭৪২ টি পশুর চাহিদা রয়েছে বোয়ালখালীতে। অন্যান্য এলাকার মধ্যে সাতকানিয়ায় ৪৫ হাজার ৩৭১টি, চন্দনাইশে ৪৭ হাজার ৪টি, আনোয়ারায় ৬৩ হাজার ৪২৮টি, পটিয়ায় ৭০ হাজার ১৮০টি, কর্ণফুলীতে ৩৩ হাজার ৫৩৩টি, মিরসরাইয়ে ৫৮ হাজার ৭৮০টি,

সীতাকুণ্ডে ৫৬ হাজার ৮৫০টি, হাটহাজারীতে ৪৪ হাজার ৮৯০ টি, রাঙ্গুনিয়ায় ৫০ হাজার টি, ফটিকছড়িতে ৬৯ হাজার ৪১৯ টি, লোহাগাড়ায় ৩৮ হাজার ৫৯টি, রাউজানে ৩৪ হাজার ৩০২ টি, বাঁশখালীতে ৫৯ হাজার ৪০৪টি, ডবলমুরিং এলাকায় ৩৭ হাজার ৫০০টি, কোতোয়ালীতে ৩০ হাজার ৬৯৮ টি এবং পাঁচলাইশে ৪১ হাজার ৫৫৯টি পশুর চাহিদা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে আরও একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তিনি বলেন, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বোয়ালখালীর মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনগণ উজারভাবে আমাকে বিপুল ভোটে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী করেছেন। তাই আমি জনগণের আশা আকাংকার প্রতীক হিসেবে সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষায় বোয়ালখালী তথা দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণের দাবী নতুন কালুরঘাট সেতু দ্রুত নির্মাণে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তাছাড়া ইতোমধ্যে, চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফ্যামিলি কার্ড প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উদ্বোধন করেছেন। ক্রমান্নয়ে আমার নির্বাচনী এলাকা বোয়ালখালীতেও কার্যক্রম শুরু হবে। এছাড়া, শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচী হিসেবে সম্প্রতি আহল্লা কড়লডেঙ্গা ও আমুচিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হকখালী খালের খনন কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে। তাতে, কৃষকরা আগে দুই ফসলী চাষাবাদ করলেও খাল খননের কাজ শেষ হলে আগামীতে তিন ফসলী চাষাবাদ হবে তাতে কৃষকরা লাভবান হবে।

8
এছাড়া সরকার স্বাস্থ্য খাতকে গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন। স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবার মান আরও বৃদ্ধি করা হবে এবং উপজেলার পূর্ব অঞ্চলের পাহাড়ী এলাকা আহল্লা করলডেঙ্গা, আমুচিয়া ও শ্রীপুর-খরণদ্বীপের জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আরও একটি উন্নতমানের হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

গতকাল (২৪ মার্চ) রাতে উপজেলার আমুচিয়া ধোরলা কিশোর লাইব্রেরী একতা সংঘ ও কানুনগোপাড়া পল্লী সমিতির উদ্যোগে পৃথক দু’টি ধর্মীয় আলোচনা সভায় উক্ত কথা বলেন।

ধোরলা কিশোর লাইব্রেরী একতা সংঘ সভাপতি প্রদীপ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আলহাজ্ব আজিজুল হক চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপি সদস্য শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইছহাক চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব হামিদুল হক মন্নান চেয়ারম্যান, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বরেণ্য সাংবাদিক মো. মুজাহিদুল ইসলাম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আজগর, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীন সিকদার, স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল মনছুর চৌধুরী, আবু সিদ্দিক, ইউপি সদস্য আবু জাফর তালুকদার, ইউপি সদস্য পংকজ চন্দ্র, ইউপি সদস্য দিলীপ দাশ, সুজিত দে, মোহরম আলী প্রমুখ।

বিজয় ৭১ এর উদ্দ্যেগে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিজয় ৭১ এর উদ্দ্যেগে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী কর্মসূচী পালন করা হয়। কর্মসূচীর মধ্যে সকাল ৮ টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন, ৯টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ বিকাল ৪ ঘটিকায় মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমীতে সকল শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন, মুক্তিযোদ্ধাকে জানো শীর্ষক আলোচনা সভা, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বর্ধনা ও কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের পুরস্কার প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচী সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

উক্ত কর্মসূচীর সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বীর গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমেদ, উদ্বোধক ছিলেন সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মাহফুজুর রহমান, প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান এডভোকেট নিলু কান্তি দাশ নীলমনি, বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক লায়ন ডা: আর কে রুবেল, সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাদল চন্দ্র বড়ুয়া, সার্ক মানবধিকার ফাউন্ডেশনের চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল। সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সোমা মুৎস্সুদীর সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খালেদা আক্তার চৌধুরী, কেয়া লাহেরী, নিবেদিতা চৌধুরী, দিলীপ সেন, সমীরণ পাল, পূরবী বড়ুয়া। বক্তারা বলেন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে নীরস্ত্র মানুষের নৃশংস হামলার পর ২৬শে মার্চ এর প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। সেই থেকে দিনটি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে যথাযথভাবে পালন করছে। দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাঙ্গালী জাতির কাংখিত স্বাধীনতা।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ