আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের হস্তান্তর করলে বৃহত্তর সংগ্রাম: এ এম নাজিম উদ্দিন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দর পোর্ট কলোনি ১২ নং রোডে শহীদ মিনার সামনে শুক্রবার বিকেলে সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বৈরাচারীর ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা মনোনীত আন্তর্জাতিক মাফিয়া ডি পি ওয়ার্ল্ড কে বন্দর এন সি টি হস্তান্তরের প্রতিবাদে বিশাল শ্রমিক জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মোহাম্মদ হারুন, সঞ্চালনা করেন তসলিমা হোসেন সেলিম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় শ্রমিক সম্পাদক চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এ এম নাজিম উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয়বাদী শ্রমিক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন।

বিশেষ বক্তা ছিলেন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল চট্টগ্রাম বিভাগের সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম বন্দর সংযুক্ত শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী কাজী শেখ রুল্লাহ বাহার। আরও বক্তব্য রাখেন বন্দর শ্রমিক দলের শ্রমিক নেতা ইব্রাহিম খোকন, স্টাফ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, স্টাফ হাউজ গেইং আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, লাইসেন্স গেইং এর সভাপতি ইকবাল হোসেন, বন্দর শ্রমিক দলের সুমন, মোঃ হুমায়ুন, সামসু মিয়া টুকু, ডক শ্রমিক দলের নেতা আবুল কাশেম, মোহাম্মদ ফারুক, ওয়ার্চম্যানের কামরুল হাসান সহ অন্যান্য শ্রমিক

সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় প্রধান অতিথি এ এম নাজিম উদ্দিন তার বক্তব্য বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর নিজস্ব অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানের একটি টানির্মাল নির্মাণ করা হয়েছে। এটি নিয়ে কেন এত ষড়যন্ত্র মাফিয়াচক্র? ফ্যাসিবাদ পালিয়ে গেছে আজকে তার আদর্শ বাস্তবায়ন যারা করতে চায় তারা ফ্যাসিবাদকে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যার কারণে পালাতে ফ্যাসিবাদের দোসরদেরকে সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দরকে লুটপাট করার জন্য তারা বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত করছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সাথে সংযুক্ত ২৫ হাজার অধিক শ্রমিক কর্মচারী কর্মরত আছে। তাদের সাথে পরিবার পরিজন নিয়ে কয়েক লক্ষ রুটি রুজি স্থান সকলের যদি নিজেদের অধিকারের জন্য পরিবার পরিজন নিয়ে রাজপথে নেমে আসে স্বৈরাচারিনী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার মত পালাতে পথ খুঁজে পাবে না বর্তমান চাটুকার প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তিনি আরো বলেন কলোনিতে শ্রমিকদের যে সমস্যা তা প্রশাসন বন্দর কর্তৃপক্ষ একদিনের নির্দেশে সমাধান করতে পারেন। সভায় সকলের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবিলম্বে বন্দর প্রতিনিধি অর্থাৎ সিবিএ নির্বাচনের দাবি জানান।

প্রধান বক্তা শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন তার বক্তব্য বলেন চট্টগ্রাম বন্দরের অতীতের অনেক ইতিহাস রয়েছে শ্রমিকের দাবি আদায়ের। শ্রমিকেরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাদের দাবির প্রতি ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মাধ্যমে আদায় করে নিয়েছে দাবি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি অতীতের ন্যায় এখনো ভবিষ্যতেও সমর্থন ও সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। তাই প্রশাসনের প্রতি উদার্ত আহবান শ্রমিকের অধিকার নিয়ে সংগ্রাম গড়ে তুললে আপনাদের পরিণতি অনেক খারাপের দিকে যেতে পারে সেদিকে না গিয়ে শ্রমিকদের ন্যায়সংগত দাবি মেনে নিন।

বিশেষ বক্তা কাজী শেখরুল্লাহ বাহার বলেন, শ্রমিকেরা নিজের জীবন দিতে প্রস্তুত কিন্তু তাদের দাবির প্রতি অকুত্যসমর্থন ব্যর্থ করে সকালে ঐক্যবদ্ধ প্রতিজ্ঞা শপথ নিয়েছেন। উপদেষ্টাদের যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয় তার দায়ভার বর্তমান উপদেষ্টা মন্ডলী ও সরকার প্রশাসন বন্দর কর্তৃপক্ষ সবকিছুর জন্য দায়ভার তাদের উপর বর্তাবে বন্দর অচলসহ সর্বাত্ম কর্মসূচি পালন করার জন্য প্রস্তুত আছে। আগামী ১৩ই মে শ্রমিক কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দর উপদেষ্টা বৈঠকের আশ্বাস

দিয়েছেন। তারপর ১৪ মে প্রধান উপদেষ্টা চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে আসছেন এরপরেও শ্রমিকদের দাবি, দেশবাসীর দাবি না মানলে ১৫ মে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বন্দর বন্ধসহ বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। তার জন্য শ্রমিক কর্মচারীরা ঐক্যবদ্ধ আছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা গুনল ৪ বাস কাউন্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ঠেকাতে এ অভিযান চালানো হয়। সোমবার মহানগরীর গরিবুল্লাশাহ মাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন তীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ। অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ।

মো. ফয়েজ উল্ল্যাহ বলেন, গরীবুল্লাহশাহ মাজার এলাকায় বাস কাউন্টারগুলোতে অভিযান চালিয়েছি। এসময় ভাড়ার তালিকা প্রদর্শন না করায় সেন্টমার্টিন পরিবহনেকে ৫ হাজার টাকা, রিলাক্স পরিবহনকে ৩ হাজার, দেশ ট্রাভেলস ৩ হাজার ও রয়েল মত্রি সার্ভিসকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ঈদে যাতে কেউ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে না পারে সে লক্ষ্যে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

সিএমপির নতুন কমিশনার মো. শওকত আলী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডিআইজি হাসান মো. শওকত আলী।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিআইজি) হাসান মো. শওকত আলীকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। অন্যদিকে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজকে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (এপিবিএন) বদলি করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

এছাড়া বিশেষ শাখা (এসবি) ঢাকার ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামানকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবীব পলাশকে সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি দিয়ে মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) হিসেবে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র‌্যাব) পদায়ন করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ