আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা শূন্যে নামিয়ে আনার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা ক্রমান্বয়ে শূন্যে নামিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে ‘চট্টগ্রাম মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন’ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, সিডিএসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে প্রধান উপদেষ্টা জলাবদ্ধতা নিরসন বিষয়ে সর্বশেষ তথ্য অভিজ্ঞতার কথা শোনেন। এরপর তিনি জলাবদ্ধতা সামনের বর্ষা মৌসুমে আগের তুলনায় অর্ধেকে এবং ক্রমান্বয়ে শূন্যে নামিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা অনেক রকম থিওরিটিক্যাল আলোচনা করেছি, সেসব আর করতে চাই না, আমরা চাই জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে চিরতরে বের হয়ে আসতে। কিন্তু সেটা একবারেই হবে না, তাই আমাদের ক্রমান্বয়ে অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। এ বছর যেহেতু বর্ষা মৌসুম ইতোমধ্যে এসে গেছে, তাই এবার সমস্যা পুরোপুরি সমাধান সম্ভব হবে না। কিন্তু গত কয়েক মাসে সিটি করপোরেশনসহ স্থানীয় সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো সম্মিলিতভাবে যে প্রচেষ্টা চালিয়েছে, তাতে যদি এবছর আশানুরূপ ফল না আসে তাহলে তো সব কিছু মনে হবে জলে গেল।

চট্টগ্রামকে এ কাজে দৃষ্টান্ত স্থাপনের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন হচ্ছে একটি প্রতীকী সমস্যা এবং খুবই জটিল সমস্যা। এই সমস্যা নিরসনের মাধ্যমে অন্যান্য শহর ও জেলা উৎসাহিত হবে, তাই চট্টগ্রামকে এ কাজে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করতে হবে। চট্টগ্রাম শহরের যে সক্ষমতা রয়েছে অন্য অনেক অনেক শহরের সেই সক্ষমতা নেই। তাই চট্টগ্রামের সকল প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় হতে হবে এবং নাগরিক সমাজকে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিতে হবে।
সভায় অন্যান্যের মধ্েয সড়ক পরিবহন ও সেতু উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগম, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক–ই–আজম
বীরপ্রতীক, প্রধান উপদেষ্টার স্পেশাল এনভয় লুৎফে সিদ্দিকী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার ইফতার মাহফিল ও “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য এবং “বাণিজ্যিক রাজধানী—প্রহসন নয়, বাস্তবায়ন চাই” শীর্ষক এক আলোচনা সভা শনিবার ১৪ মার্চ বিকেল ৪টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুর নাহার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পত্রিকার উপদেষ্টা ও টেরিবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় নির্ধারিত প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: মঞ্জুরুল কিবরিয়া।

নগরীতে একাধিক ইফতার মাহফিল ও তীব্র যানজটের অনিবার্য কারণে নির্ধারিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত হতে না পারায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর কার্যকরী সভাপতি আলহাজ্ব শাহসূফি শাহজাদা সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন উদ্যোক্তা, গবেষক ও সংগঠক সিআরবির সমন্বয়ক জিয়াউল হক খন্দকার।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ সিরাজুদ্দৌলা বলেন, মাহে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও মানবিকতার মাস। এই মাস মানুষের ভেতরের নৈতিক শক্তিকে জাগ্রত করে এবং সমাজে ন্যায়, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক রাজধানীর দাবিটি অনেক সময় কেবল কথার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। এখন সময় এসেছে বাস্তব উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানীতে রূপান্তর করার।

তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যানজট নিরসন এবং বাজার ব্যবস্থাপনার উন্নতির মাধ্যমে নগরীর অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে অত্র সংগঠন ব্যবসায়ী সমাজের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে আগ্রহী বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক রাজধানী পত্রিকার সম্পাদক ও দৈনিক ঘোষণা পত্রিকার বোয়ালখালী প্রতিনিধি আলমগীর রানার সঞ্চালনে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ মজুমদার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাপ্তাহিক সোনার বাংলার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমরান হোসেন। দৈনিক বর্তমান বাংলার প্রধান সমন্বয়কারী সিরাজুল মনির। মানবাধিকারকর্মী শাহজালাল।
উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দেশবার্তার ব্যুরোচীফ মো: আনিসুর রহমান ফরহাদ, দৈনিক ঘোষণার বিশেষ প্রতিনিধি এস এম সামজাত, সূফি কথার বার্তা সম্পাদক আল সিরাজ ভাণ্ডারী, হাফিজুল মোর্শেদ, মো: রাশেদ, আলমগীর, আবুল বাশার, আবদুল্লাহ আল হাবিব, মো: রানা, শাফায়েত উদ্দিন, মো: নাছির, নুরুল আবসার, আবদুল মাবুদ, সুমাইয়া, জান্নাতুল ফেরদৌস, মো; সাঈদ, মো: ইভান প্রমুখ।

পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন লেখক ও গবেষক এস এম ওসমান। নাতে রাসুল(দ:) পরিবেশন করেন এইচ এম নিজামুদ্দীন চৌধুরী আলিফ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন আদনান লাভলু, আরফাত শাওন, আবিদুর মাহিন, নিজামুদ্দিন আলিফ, আতিকুর আবির প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব মোঃ নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের আমদানি-রপ্তানির বড় অংশই এই নগরীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তাই “বাণিজ্যিক রাজধানী” শব্দটি যেন শুধু স্লোগান না হয়ে বাস্তবে রূপ পায়, সে লক্ষ্যে সরকার, সিটি কর্পোরেশন ও ব্যবসায়ী সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, মাহে রমজান আমাদের সংযম, সততা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষাকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারলে সমাজে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও সততা ও নৈতিকতার চর্চা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা রমজানের তাৎপর্য তুলে ধরে সমাজে নৈতিকতা, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে সত্যিকারের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভা শেষে দেশ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া, মোনাজাত ও ইফতারের আয়োজন করা হয়।

নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরবাসীর জন্য নিরাপদ পানি ও কার্যকর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা এবং কমিউনিটির সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।চট্টগ্রামে আয়োজিত “ওয়াশ ফর আরবান পুওর” প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের ফেইজ আউট ওয়ার্কশপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গত মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন। ওয়াটারএইড বাংলাদেশের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর বাস্তবায়নে পরিচালিত এ প্রকল্পটি ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে শুরু হয়ে চলতি বছরের মার্চ মাসে সমাপ্ত হচ্ছে।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার কারণে নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য আমাদের একটি সমন্বিত সিস্টেম গড়ে তুলতে হবে, যেখানে সিটি কর্পোরেশন, প্রশাসন, উন্নয়ন সংস্থা ও সাধারণ জনগণ সবাই একসাথে কাজ করবে।
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, নগরের স্টেডিয়াম এলাকায় এবং পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় নাগরিকদের জন্য টয়লেট নির্মিত হওয়ায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা সম্ভব হচ্ছে।

এভাবে জনবহুল এলাকাগুলোতে টয়লেট নির্মাণ করা হলে মানুষ উপকৃত হবে এবং পরিবেশ উন্নত হবে।
মেয়র বলেন, নগরের জনসাধারণের সুবিধার্থে সিটি কর্পোরেশন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জনস্বাস্থ্যবান্ধব অবকাঠামো গড়ে তুলছে। ইতোমধ্যে নগরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্রেস্টফিডিং কর্নার স্থাপন করা হয়েছে, যাতে মায়েরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে শিশুদের দুধ পান করাতে পারেন। কর্ণফুলী সেতুর পাশসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, নগরের জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নয়ন সংস্থা ও সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করলে নগরবাসীর কাছে স্বাস্থ্যসেবা ও স্যানিটেশন সুবিধা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, নগরীর এখনও অনেক এলাকায় নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিকে সচেতন হয়ে নিজেদের দাবিদাওয়া তুলে ধরতে হবে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে কাজ করতে হবে। এমন গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য তিনি ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।কর্মশালায় ওয়াটারএইড বাংলাদেশের প্রোগ্রাম লিড বাবুল বালা প্রকল্পের অর্জন ও কার্যক্রম নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব আশরাফুল আমিন বলেন, ডিএসকে ও ওয়াটারএইডের কাজের গুণগত মান ও নান্দনিকতা দেখে বোঝা যায় প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ভবিষ্যতে পাহাড়ি এলাকা বাদ দিয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় কাজ করলে সাধারণ মানুষ আরও বেশি উপকৃত হবে।

চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী বলেন, আজকের উপস্থাপনাটি অত্যন্ত তথ্যবহুল। সমাজে এখনও নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ব্যক্তি সচেতনতার পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিনিয়র আর্কিটেক্ট বলেন, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও ডিএসকে গত তিন বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছে। তাদের কাজের গুণগত মান অত্যন্ত ভালো এবং ভবিষ্যতে নিজেদের কার্যক্রমে তাদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আগ্রহ রয়েছে।

ডিএসকে ঢাকার ওয়াশ বিভাগের পরিচালক এম. এ. হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)-এর প্রকল্প ব্যবস্থাপক আরেফাতুল জান্নাত।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রাম ওয়াসা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, সমাজসেবা অধিদপ্তর, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর, থানা শিক্ষা অফিস, পুলিশ প্রশাসন, ফার্মেসি প্রতিনিধি, স্কুল ও মাদ্রাসা প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার, সিবিও প্রতিনিধি, হাইজিন হকার এবং স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ