আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে এসোসিয়েশনের কমিটি গঠন।

কে এম রাজীব

সভাপতি ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক নায়ক রুবেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ ফাইটার কারাতে এসোসিয়েশন এর নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। গতকাল সংগঠনের নিজ কার্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভায় ৭৭ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কমিটিতে সভাপতি পদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের মার্শাল আর্টের জনক প্রযোজক, পরিচালক ও নায়ক ওস্তাদ জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবারও নির্বাচিত হয়েছেন মার্শাল আর্টের কিংবদন্তি লড়াকু নায়ক মাসুম পারভেজ রুবেল।

কমিটির সম্পাদকিয় অন্যান্য সদস্যরা হলেন, সিনিয়র সহসভাপতি পদে নুর মোহাম্মদ খালিদ আহম্মেদ বিদ্যূত, সহ-সভাপতি বি এম আশরাফ, মার্শাল শাহাজাদা মোল্লা, আমিনুল ইসলাম, আনিসুর রহমান নয়ন, মোহাম্মদ আলী, ইদ্রিস আলী, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তনু পান্ডে, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাফুদ্দৌলা সিদ্দিকী খোকন, আলমগীর চৌধুরী আলম, রেহেনা পারভিন, রোমানা ইসলাম মুক্তি, মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ইউনুস খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শরিতুল, মোঃ জাহাঙ্গীর,

ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুল লতিফ চিতা, সহ–ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহমান, মোঃ শরীফ, অর্থ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সহ- অর্থ সম্পাদক মোঃ হানিফ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মাসুকা নাসরীন রাকা, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূরানী আশরাফ নাজু, শিক্ষা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ ইসমাইল সিকদার, সহ- শিক্ষা ও আইন বিষয়ক সম্পাদক মইনুল ইসলাম মনু, প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সংযম ইসলাম প্রাপ্ত, সহ-প্রকাশনা সম্পাদক ময়নাল হোসেন মঈন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শাহাজাদা বাবু, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জালাল আহম্মেদ,

গবেষণা সম্পাদক তাজওয়ার আলম, দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ মুজিবুর রহমান ভূইয়া, প্রচার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম পলাশ খান, সহ-প্রচার সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মার্শাল জনি, সহ-তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ কবির, যুব মানবাধিকার সম্পাদক কে এম সাইফুল ইসলাম খান, সহ-মানবাধিকার সম্পাদক সাইদ, সাংস্কৃতি সম্পাদক মিজানুর রহমান শামীম, সহ-সাংস্কৃতি সম্পাদক বিথী, বাধন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন ও সহ- আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাজগুল আহম্মেদ রাজু।

এছাড়া সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সাহেদ, শিপলু, আশা, ফারুক, আলমগীর, মোশারফ, আব্দুল মতিন, শরিফুল, জয়নাল, মার্শাল হাসান, মোঃ সুমন, জুয়েল সরকার, বাবুল আহম্মেদ, তপন মন্ডল, রুহুল আমিন, হান্নান, ইব্রাহিম খলিল, সিরাজুল ইসলাম, কে এম রাজীব, মুহাম্মদ সাহিদ এমরান সিশু, রাজওয়ার আলম, এস এইচ প্রীতম, লিটন গাজী, নুরে আলম, তাহের, পাভেল, কাজল পাশা, ওয়াদুদ, আনোয়ার, হায়দার, কাজল আইচ ও আক্তার হোসেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ