আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বেকারত্ব কমাতে ফিরতে হবে শহীদ জিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতে: চসিক মেয়র।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোর সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের যে পথ সুগম করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সে পথে হাটলে দেশের বেকারত্ব হ্রাস পাবে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সকালে খুলশী, পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ উদ্যোগে শহীদ ওয়াসিম আকরাম পার্কের নামফলক উন্মোচন ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি

উদ্বোধনকালে তিনি জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করে মুসলিম দেশগুলোর সাথে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরাশক্তিগুলোর সাথে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত দেন।
দিনব্যাপী কর্মসূচি খতমে কুরআন ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে শুরু হয়। সকালে শহীদ ওয়াসিম আকরাম পার্কের নাম ফলক উন্মোচন ও স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
চট্টগ্রাম জেলা ড্যাবের যুগ্ম সম্পাদক ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুনের সঞ্চালনায় সকাল ১০টায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ঔষধ বিতরণ কর্মসূচী উদ্বোধন করেন

অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের স্বাস্থ্য সংস্কার বিষয়ক কমিটির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সদস্য প্রফেসর ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক ভিপি হারুনুর রশিদ হারুন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি, চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এস এম নছরুল কদির, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ- উপাচার্য (প্রসাশন) অধ্যাপক ড. মো. কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপস্থাপক প্রফেসর মো. শাহ আলম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু, কেন্দ্রীয় রেলওয়ে শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এম আর মঞ্জু, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব জমির উদ্দিন নাহিদসহ নেতৃবৃন্দ।

মেয়র বলেন, জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন ছিল মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক শক্তির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি রক্ষা করা। এই নীতির ফলে বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছে। আমাদের জাতীয় আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস রেমিট্যান্স। আজ যে সংকটময় সময় অতিক্রম করছি, তাতে রেমিট্যান্সই অর্থনীতির বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।

তিনি বলেন, শহীদ জিয়া দেশের শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তাদের বিদেশে কাজের সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আজও তার সেই কূটনৈতিক কৌশল অনুসরণ করলে আমরা বৈদেশিক কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারবো, যা তরুণ সমাজের বেকারত্ব দূরীকরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন জিয়াউর রহমানের দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানই প্রথম সার্ক গঠনের প্রস্তাব দেন। এমনকি ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এভাবেই মুসলিম বিশ্বের আস্থাভাজন হয়ে তিনি বাংলাদেশকে কূটনৈতিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন। এই নীতির ফসল আজও আমরা ঘরে তুলছি রেমিট্যান্সের মাধ্যমে।

তিনি আরও যোগ করেন, দেশের উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো দিয়ে হয় না, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আজকের এই কর্মসূচি শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং একটি বার্তা, আমরা জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার আশা প্রকাশ করেন তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আমাদের অনেক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছে। আমরা এখনো পর্যন্ত তাদের স্মৃতিস্মরণে স্মৃতিসৌধ বা পার্ক করতে পারিনি। তাই আমরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে চট্টগ্রামের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের নামে পার্ক করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

বোয়ালখালীতে অবৈধ ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করলেন ইউএনও।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কসকবাজার আরকান সড়কের বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী ফুলতলার দক্ষিণ পাশে রায়খালী খালের ওপর অবৈধভাবে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের ওপর অনুমোদনহীনভাবে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার ও ভয়াবহ বন্যা সহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে একই সাথে চাষবাদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অবৈধ ব্রিজ নির্মাণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন ।

পরিদর্শনকালে তারা খালের ওপর অবৈধভাবে ব্রিজ নির্মাণের সত্যতা পান। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নির্মাণকাজের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে সোমবারের মধ্যে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অপসারণ বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন প্রশাসন ।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা প্রতিপালন না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ