আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঈদকে কেন্দ্র করে রাস্তাঘাট ও হাট বাজারে তল্লাশি অভিযান সেনাবাহিনীর।

বিজয় রায়, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় ঈদুল আযহাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছেন। এই সময় তারা মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ড ভ্যানসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেন। এই তল্লাশিতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের জনসাধারণ ।

সোমবার (২জুন) সকালে সেনাবাহিনী ঠাকুরগাঁও অস্থায়ী ক্যাম্পের ওয়ারেন্ট অফিসার আবু বক্করের নেতৃত্বে জেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার গোল চত্বর থেকে অভিযান শুরু করে। অভিযানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরাও উপস্থিত থেকে এই তল্লাশি অভিযান শুরু করেন
, শহরের বাসস্ট্যান্ড গোল চত্বর থেকে শুরু করে সত্যপীর ব্রিজ, পল্লীবিদ্যুৎ, আটগ্যালারি, রোডের বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি করেছেন। অভিযান তল্লাশি চালানোর সময় গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় যানবাহন ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া দেন ।

অপরদিকে সেনাবাহিনী বিভিন্ন হাট বাজারে তৎপরতা চালান, যেন সাধারণ মানুষের কাছে, অতিরিক্ত টোল না নিতে পারে।
এই অভিযান সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অভিমত প্রকাশ করেন , এ ধরনের অভিযান মাঝে মাঝেই প্রয়োজন। তাহলে অপরাধ কমে আসবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা যত বাড়বে, মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরবে।

এ বিষয়ে ওয়ারেন্ট অফিসার আবু বক্কর জানান, ১জুন থেকে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ১৪ তারিখ পর্যন্ত। আর ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির গরু ক্রয়ের জন্য অতিরিক্ত টোল যেন আদায় না করতে পারে। সেজন্য আমাদের অভিযান চলমান থাকবে ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএসএফের টাকার টোপে সীমান্তের দরিদ্ররা সহযোগিতা করছেন পুশ-ইনে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীমান্তজুড়ে পুশ-ইন ইস্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা দিয়ে নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে কড়া নজরদারির কারণে অনেক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও এ কাজে সীমান্ত এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে অর্থের প্রলোভনে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্তে গিয়ে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নদীপথগুলো এখন নতুন কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে। আগে যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কিংবা স্থলপথে কড়াকড়ি ছিল, এখন সেখানে নদীপথকে ব্যবহার করে রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরের সময় পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন একাধিক ঘটনার তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র কিছু বাংলাদেশিকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে ব্যবহার করছে বিএসএফ।

সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিএসএফের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এসব পুশইনে সহায়তা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একজনকে পুশ-ইন করতে পারলে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে।

তবে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং যেকোনো পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ