আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৮৪৩ মেট্টিক টন চাহিদা-সরবরাহ দুইটাই স্বাভাবিক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পশু কোরবানীকে সামনে রেখে প্রতি বছর ঈদুল আজহায় লবনের চাহিদা বাড়ে। বিশেষ করে কাঁচা চামড়ার আড়তদাররা ইতোমধ্যে লবন মজুদ করেছেন। এবার লবনের চাহিদা ও সরবরাহ দুইটিই বেশী থাকায় লবনের ঘাটতি হবেনা বলে জানা গেছে।

একই সাথে দামও রয়েছে নিয়ন্ত্রণে।এবার চাহিদা অনুযায়ী লবণের মজুদ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি রয়েছে। তাছাড়া অপরিশোধিত লবণের মজুদও পর্যাপ্ত রয়েছে। এদিকে লবণের দামও রয়েছে নিয়ন্ত্রণে। সরকার এ বছর প্রতি কেজি লবণের দাম নির্ধারণ করেছে ১২-১৫ টাকা। তবে বিসিকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাঠ পর্যায়ে এখন প্রতিমণ লবণ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকায়। মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এ দর ছিল ২০০ টাকা।

জানা গেছে, চলতি মৌসুমে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া, মহেশখালী, সদর, পেকুয়া, চকরিয়া, ঈদগাঁও ও টেকনাফে ৫৯ হাজার ৯৯ একর এবং চট্টগ্রামের বাঁশখালী, আনোয়ারা ও পটিয়ায় ১০ হাজার ৮৯ একর জমিতে লবণ উৎপাদন হয়েছে। চাষির সংখ্যা ৪১ হাজার ৩৫৫ জন। গত বছর একই এলাকায় লবণ উৎপাদন হয় ৬৮ হাজার ৫০৫ একর জমিতে।

বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নূরুল কবীর বলেন, এবার লবণ সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। চামড়া ব্যবসায়ীরা গত মাস থেকেই লবণ নেওয়া শুরু করেছে। প্রায় ৩০ হাজার টনের মতো বিক্রি হয়েছে। চাহিদা বাড়লে অনেক সময় দামও কিছুটা বাড়ে। তবে এবার চাহিদা ও সরবরাহ-দুটোই ভালো রয়েছে। তাই ঈদের সময় লবণের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক থাকবে। এ বছর চট্টগ্রামে প্রতি বস্তা (৭৪ কেজি) লবণ বিক্রি হচ্ছে ৮১০-৮৫০ টাকায়।

এদিকে লবণের দাম স্থিতিশীল থাকায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন চামড়া ব্যবসায়ীরা। চট্টগ্রাম চামড়া আড়তদার সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মুসলিম উদ্দিন বলেন, লবণের দাম কমায় চামড়া কেনা ও সংরক্ষণে আমাদের সুবিধা হয়েছে। এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ লবণ কিনেছি। বাকি লবণ কেনার প্রক্রিয়া চলছে।

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) তথ্য মতে, চট্টগ্রাম জেলায় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে লবণের লক্ষ্যমাত্রা ৫ হাজার ৮৪৩ মেট্রিক টন। এবছর লবণ মজুদ আছে ৬ হাজার ৫৮২ মেট্রিক টন। এছাড়া অপরিশোধিত লবণের মজুদ রয়েছে ৬৬ হাজার মেট্রিক টন, যা দিয়ে সারাদেশের লবণের চাহিদার একটি বিরাট অংশ পূরণ করা যাবে।

বিসিক কক্সবাজার লবণ শিল্প উন্নয়ন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে লবণ উৎপাদিত হয়েছে ২২ লাখ ৫১ হাজার ৬৫১ টন। গত ২০২৩-২৪ মৌসুমে লবণ উৎপাদিত হয়েছিল ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮৯০ টন। সরকারিভাবে এ বছর দেশে লবণের চাহিদা ধরা হয়েছে ২৬ লাখ ১০ হাজার টন।

বিসিক চট্টগ্রাম জেলার উপ মহাব্যবস্থাপক এস এম এম আলমগীর জানান, প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী চট্টগ্রামে যে পরিমাণ পশু কোরবানি হবে তার রেশিও অনুযায়ী লবণের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে। সে অনুযায়ী লবণের মজুদ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি রয়েছে। ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তাছাড়া অপরিশোধিত লবণের মজুদও পর্যাপ্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

বোয়ালখালীতে অবৈধ ব্রিজ নির্মাণ বন্ধ করলেন ইউএনও।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কসকবাজার আরকান সড়কের বোয়ালখালীর গোমদণ্ডী ফুলতলার দক্ষিণ পাশে রায়খালী খালের ওপর অবৈধভাবে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালের ওপর অনুমোদনহীনভাবে ব্রিজটি নির্মাণ করা হলে বর্ষা মৌসুমে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার ও ভয়াবহ বন্যা সহ জলাবদ্ধতার ঝুঁকি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে একই সাথে চাষবাদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকি মধ্যে রয়েছে ।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) অবৈধ ব্রিজ নির্মাণের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হলে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা ঘটনাস্থলে সরেজমিনে পরিদর্শনে করেন ।

পরিদর্শনকালে তারা খালের ওপর অবৈধভাবে ব্রিজ নির্মাণের সত্যতা পান। এ সময় খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে নির্মাণকাজের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে সোমবারের মধ্যে নির্মাণাধীন ব্রিজটি অপসারণ বা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন প্রশাসন ।


এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা প্রতিপালন না করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, জনস্বার্থ রক্ষা ও জলাবদ্ধতা নিরসনে উপজেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ