আজঃ মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৮ জনকে পুশইন করেছে বিএসএফ।

বদিউজ্জামান রাজাবাবু চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার চাঁনশিকারী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত দিয়ে ৮ বাংলাভাষীকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষি বাহিনী বিএসএফ। মঙ্গলবার ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে এঘটনা ঘটে। পরে ভারত হতে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ এর দায়ে ৮ জন কে আটক করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৯ বিজিবি। আটককৃতরা হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শেখালীপুরের মোঃ গোলাব এর ছেলে মোঃ ফায়েক (২৮), খুলনা জেলার দিঘলিয়া থানার আমবাড়ীয়ার ডোমরা গ্রামের আব্দুর রহমান সরদারের ছেলে মোঃ আজিম সরদার (২৫), একই এলাকার আজিম উদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ মিম খাতুন (১৯), ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ থানার হরছুয়া

বেলদহী গ্রামের মোঃ শফির উদ্দিনের ছেলে রুস্তম আলী (৪৪), রাজশাহী জেলার চারঘাট থানার মুক্তাপুর ইউনিয়নের চকমুক্তাপুর গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেন এর ছেলে মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন (৩৫), রাজশাহীর তানোর উপজেলার তালন্দ হরিদেবপুর গ্রামের গোবরধন দাসের স্ত্রী দুঃখী দাস (৫৫), নারায়নগঞ্জ জেলার রুপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চনরানীপুর গ্রামের আতিকুর রহমানের মেয়ে মোছাঃ রত্না আক্তার নুপুর (২২) এবং বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার গুলশাখালীর পিছি বারইখালী গ্রামের ইব্রাহিম এর স্ত্রী মোছাঃ নাদিরা খাতুন (৩৭)। মঙ্গলবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহানন্দা ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পাঠানো এক প্রেসনোটে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রেসনোটে জানানো হয়, ৩ জুন
আনুমানিক ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে ৫৯ বিজিবি অধীনস্থ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট থানাধীন হোসেনভিটা ইউনিয়নের চাঁনশিকারী বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত মেইন পিলার ১৯৯ এর নিকট দিয়ে ৮ জন (পুরুষ-৪ জন, মহিলা-৪ জন) ব্যক্তি অনুপ্রবেশ করে। পরবর্তীতে চাঁনশিকারী বিওপি’র টহলদল তাদেরকে আন্তর্জাতিক সীমারেখার শূন্য লাইনে আটক করতে সক্ষম হয়।আটককৃত ব্যক্তিদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা ২০১৭ সাল হতে ২০২৪ সালের বিভিন্ন সময়ে কাজের সন্ধানে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল। পরবর্তীতে অবৈধ অনুপ্রবেশের জন্য তাদেরকে ভারতীয় পুলিশ বিভিন্ন সময় আটক করে এবং তারা ভারতের মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রীয় জেলে আটক অবস্থায় ছিল।
আটককৃত ব্যক্তিদেরকে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের জন্য ভোলাহাট থানায় হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানী কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভোট চুরি করতে আসলে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে হবে সারজিস আলম।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার যে ভোট চুরি করতে আসবে, তাকে বাড়ি থেকে বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন বলে মন্তব্য করেছেন পঞ্চগড়-১ আসনের ১১ দলীয় জোটের এনসিপি দলের প্রার্থী সারজিস আলম। পঞ্চগড় উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী শেষ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন-রক্ত দিয়ে দিবেন, জীবন দিয়ে দিবেন, একটা ভোট চুরি করতে দিবেন না। যে ভোট চুরি করার আশায় আসবে তার একমাত্র ঠিকানা হবে হাসপাতাল। তাকে বাড়ি থেকে শেষ বিদায় নিয়ে আসতে বলবেন। আমরা স্পষ্ট করে নির্বাচন কমিশনসহ সবাইকে বলতে চাই, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা বিন্দুমাত্র কোনো ধরনের নীল নকশা কেউ যদি বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে, সর্বশেষ প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিণতি যেন তারা মনে রাখে। তার গলায় জুতার মালা ছিল, আপনার গলায় কোন মালা থাকবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ১২ তারিখের লড়াই আমাদের মুক্তির লড়াই। ১২ তারিখের লড়াই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লড়াই। আমরা জীবন দিয়ে, রক্ত দিয়ে এ লড়াইয়ে বিজয়ী হবো।

পাবনা-০৩ আসনে জামায়াতের এমপি পদপ্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে পাবনা-০৩ (চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মহি উদ্দিন সাহেব আমীরে জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গুড়া উপজেলা শাখা।

“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” শিরোনামে ঘোষিত এ ইশতেহারে-শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, কর্মসংস্থান, নারী ও শিশু কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, নির্বাচিত হলে চাটমোহর,ভাঙ্গুড়া,ফরিদপুর এই তিন উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। শিক্ষা খাতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলো আধুনিকায়ন, চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করা হয়।
কৃষি খাতে কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত, আধুনিক কৃষি প্রশিক্ষণ, সার-বীজ সহজলভ্য করা এবং সরকারি উদ্যোগে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। পাশাপাশি নদীভাঙন রোধ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
ইশতেহারে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় পর্যায়ে শিল্প স্থাপন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।

এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা আলী আছগার বলেন, ৭০,পাবনা-০৩ এলাকায় “আমি নির্বাচিত হলে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে তিন এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করব ইনশাল্লাহ।একটি ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতেই আমার এই অঙ্গীকার।”তিনি উন্নয়ন ও সুশাসন বাস্তবায়নে এলাকাবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ