আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

প্রতিনিয়ত তাড়া করছে আতংক চট্টগ্রামের রেয়াজউদ্দিন বাজারে নিরাপত্তাহীনতায় আড়তদাররা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী রেয়াজউদ্দিন বাজারে আতংকের মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন আড়তদাররা। একের পর এক হামলা, লুটপাট, ভাংচুরের ও উচ্ছেদের হুমকিতে প্রতিনিয়ত তারা আতংককে সঙ্গী করে আড়ত চালিয়ে যাচ্ছেন। হামলাকারীরা প্রশাসনকেও তোয়াক্কা করছেনা বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে থানা পুলিশও আদালতের শরানাপন্ন হয়েও কোন কাজ হচ্ছেনা বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

জানা গেছে, রেয়াজউদ্দিন বাজারে দীর্ঘদিন ধরে আড়তদারী ব্যবসা পরিচালনা করছেন মোহাম্মদ মিন্টু সওদাগর। তার মালিকানাধীন দোকান ‘মেসার্স রফ বাণিজ্যালয়’ নিয়ে চলমান বিরোধে আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দোকানঘরের মালিক বারবার সন্ত্রাসী দিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশি উপস্থিতি থাকলেও সন্ত্রাসীরা পালিয়ে গিয়ে বারবার ফিরে এসে হামলা চালাচ্ছে বলে জানান ভুক্তভোগী।


প্রায় ১৮ বছর ধরে রেয়াজউদ্দিন বাজারে ‘মেসার্স রফ বাণিজ্যালয়’ নামে আড়তদারী ব্যবসা পরিচালনাকারী মিন্টু সওদাগর এই ব্যবসার মাধ্যমে তিনি স্থানীয় পাইকারি বাজারে একটি নির্ভরযোগ্য অবস্থান তৈরি করেন। দোকানঘরটি তিনি নিয়মিত মাসিক ভাড়ার বিনিময়ে ভোগদখল করে আসছিলেন। তার দাবি, সময়মতো ভাড়া পরিশোধসহ দোকানঘরের মালিকের সব শর্ত যথাযথভাবে পালন করে তিনি দোকান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই দোকানঘরের মালিক কোনো পূর্ব নোটিশ বা আইনি প্রক্রিয়া না মেনে, কয়েকজন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে নিয়ে দোকানে হামলা চালান।

মিন্টু সওদাগরের অভিযোগ, মোছাম্মদ ইসমত আরা রউফ, তার দুই ছেলে রাকিব রেজা ও আবদুর রাহাত তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে দোকানের মালামাল ভাঙচুর করে, নগদ অর্থ লুটে নেয় এবং আমাকে ও কর্মচারীদের মারধর করে দোকান থেকে জোর করে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনার পর মিন্টু সওদাগর স্থানীয় কতোয়ালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন এবং পরবর্তীতে ২৩ মে ২০২৪ তারিখে আদালতের আশ্রয় নেন।


এদিকে গত বছরের ২৩ মে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি আদেশ জারি করেন, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ মিন্টু সওদাগর তার পূর্বের অবস্থায় দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করবে এবং তাকে বাধা দেওয়া যাবে না। আদালত এ সংক্রান্ত একটি স্থিতিবস্থার আদেশও জারি করেন।
কিন্তু আদালতের এই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দোকান মালিক পুনরায় সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দোকানে হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী।

স্থানীয় আড়তদাররা জানান, পুলিশ এলে সন্ত্রাসীরা এলাকা ত্যাগ করে; কিন্তু কিছু সময় পরই তারা আবার ফিরে আসে এবং আগের মতোই ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। এ নিয়ে আশপাশের দোকানদার ও সাধারণ জনগণের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে রেয়াজউদ্দিন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ সওদাগর বলেন, একজন ব্যবসায়ীকে ইচ্ছে মতো দোকান থেকে বের করে দেওয়া যায় না। এটা একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সময় দিতে হয়। তাছাড়া দোকানঘর মালিকের শর্ত পূরণ হলে ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের কোনো সুযোগ নেই। এখন বিষয়টি আদালতের হাতে, সেখানে যা সিদ্ধান্ত হবে সেটাই চূড়ান্ত।
জানতে চাইলে রেয়াজউদ্দিন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক শিবলী জানান, দোকানে হামলা এবং ভাংচুরের খবর পেয়ে সমিতির লোকজন ছুটে গিয়ে মিন্টু সওদাগরকে উদ্ধার করে। এরপরও হামলা অব্যাহত থাকলে স্থানীয় কোতোয়ালী থানাকে অভিহিত করলে পুলিশ এসে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। কিন্তু শুনা যায় সন্ত্রাসীরা বারবার হামলা করে মিন্টুর ওপর।

এ বিষয়ে বৈঠকের পরও কোন সুরাহা না হলে বিষয়টি আদালতে মামলার জন্য প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে মামলাটি আদালতে চলমান রয়েছে। ব্যবসায়ী মিন্টু যাতে নিয়মিত তার ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে তারজন্য আদালত নিষেধাজ্ঞা জারী করে। যা এখনো বহাল রয়েছে। তিনি বলেন, জানতে পেরেছি সন্ত্রাসীরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিন্টু সওদাগরের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

আমরাও চাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত পূর্বক শাস্তির ব্যবস্থা হোক। তিনি যাতে সুন্দর ভাবে নিরাপদে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে। এলাকাবাসী এবং আশপাশের ব্যবসায়ীরা হামলা ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। একজন প্রতিবেশী দোকানদার বলেন, আমরা সবাই আতঙ্কে থাকি। আজ ওর দোকানে হামলা হয়েছে, কাল হয়তো আমাদের দিকেও চোখ পড়বে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচিত দ্রুত এই সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনা।

এ বিষয়ে কেতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, আমরা ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। ইতোমধ্যে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সন্ত্রাসীদের ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে স্থানীয়রা দাবি করছেন, হামলাকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাগ্রস্ত।

মোহাম্মদ মিন্টু সওদাগর বলেন, আমি এখন আদালতের নির্দেশনার আশ্রয় নিয়ে দোকানে বসে আছি, কিন্তু প্রতিনিয়ত ভয় নিয়ে থাকতে হচ্ছে। আমি চাই প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করে এবং আমার মতো একজন সাধারণ ব্যবসায়ীকে ন্যায়বিচার পায়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ