আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলার অভিষেকে জেলা লিগাল এইড অফিসার

স ম জিয়াউর রহমান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সহকারী সিনিয়র জজ রুপন কান্তি দাশ বলেন, সুন্দর বাংলাদেশ গঠনে সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রতি অনিবার্য। ধর্ম ও নীতিশিক্ষা মানুষকে প্রকৃত মানুষে পরিনত করে। গীতা শিক্ষার মাধ্যমে আজকের শিশুরা আদর্শ মানুষ হয়ে আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়বে।পুরষ্কার শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুপ্ত প্রতিবার উন্মেষ ঘটায়। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব জুলাই বিপ্লব হলে বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি ( বাগীশিক) চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত বার্ষিক গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরিক্ষার পুরস্কার বিতরণ ও নবগঠিত কার্যকরী সংসদের শুভ অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী সিনিয়র জজ ও লিগ্যাল এইড অফিসার রুপন কান্তি দাশ।

সংসদের সভাপতি লায়ন শুভাশীষ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মঙ্গলপ্রদীপ প্রজ্বলন করেন শীতলপুর লোকনাথ ব্রম্মচারী সেবাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ শ্রী গোবিন্দ ব্রহ্মচারী ও বাংলাদেশ লোকনাথ সেবক ফোরামের সভাপতি শিবু প্রসাদ দত্ত।

অনুষ্ঠানের শুভ উদ্ভোধন ঘোষণা করেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা লায়ন শম্ভু দাশ। আর্শীবাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের উপদেষ্টা লায়ন দীলিপ কুমার শীল।

শপথবাক্য পাঠ করান বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ঝুন্টু চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সহ- সাধারণ সম্পাদক লায়ন কৈলাশ বিহারি সেন।

মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা বিজয়া লক্ষী দেবী, সহকারী পুলিশ সুপার, ট্রাফিক পশ্চিম দেবব্রত কর দেবু, নির্মল কান্তি দেবনাথ, সভাপতি গোসাইলডাঙ্গা ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ শ্রী মন্দির।

সভায় আলোকিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের উপদেষ্টা ডা: এলভিন সাহা, পৃষ্ঠপোষক রতন দাশ, ড. শ্রীবাস ভট্টাচার্য্য, সমীর দে, আরতি বনিক, বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দিলীপ ভট্টাচার্য্য, প্রতিষ্ঠিতা সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি নাথ রনি, চট্টগ্রাম প্রতিদিন সম্পাদক আয়ান শর্মা, বাগীশিক দক্ষিণ জেলা সংসদের সভাপতি পুলক চৌধুরী, মহানগর সংসদের সভাপতি প্রকৌশলী সঞ্জয় চক্রবর্তী মানিক, সাঃ সম্পাদক অপূর্ব ধর, রবিন সাহা, বাগীশিক চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শ্রী রাজীব বরণ বিশ্বাস।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বাসু চৌধুরী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহসভাপতি শিবু দাশ, অধ্যাপক সুব্রত কুমার নাথ, হাটহাজারী উপজেলা সংসদের সভাপতি চন্দন নাথ, সাধারণ সম্পাদক শ্যাম সুন্দর বৈষ্ণব, ফটিকছড়ি উপজেলা সংসদের সভাপতি মানস চক্রবর্তী, সাধারণ সম্পাদক লিটন মহাজন, মিরসরাই উপজেলা সংসদের সভাপতি উৎফল কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কুমার দে, সীতাকুণ্ড উপজেলা

সৈকত দেবনাথ, সবুজ পাল, ছোটন দাশ, সঞ্চয় চৌধুরী, উজ্জ্বল চন্দ্র নাথ, রুপন দাশ, পিংকু চন্দ্র নাথ, দেবব্রত গোলদার, সুভাষ চক্রবর্তী, রনজিৎ নাথ, কৃষ্ণ আচার্য্য, পরিক্ষিৎ দাশ, সুজয় ভট্টাচার্য, ডাঃ মিলন নাথ, সঞ্জয় দেবনাথ, প্রিয়ম দে, প্রিন্স ভৌমিক দূর্জয়, সুমন কান্তি দাশ, সুমি চৌধুরী,
প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ত্রিদিব সাহা।

অনুষ্ঠান সূচীর মধ্যে ছিল পার্থসারথি পূজা, সমবেত গীতাপাঠ,শুভ অভিষেক,শিক্ষা জীবনে গীতার গুরুত্ব শীর্ষক আলোচনা, পুরষ্কার বিতরণ, ভক্তি সংগীতাঞ্জলী, প্রসাদ বিতরণ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নিতে এবং বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চট্টগ্রামের বোয়ালখালী সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজে দিনব্যাপী বসন্তবরণ ও পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কলেজ প্রাঙ্গণে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক। এসময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমন্ত্রিত অতিথিদের পদচারণায় পুরো ক্যাম্পাস এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে এবং আলোচনা সভায় বক্তারা বাঙালি সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, আকাশ সংস্কৃতির যুগে আমাদের শিকড়কে ভুলে গেলে চলবে না। নতুন প্রজন্মের মাঝে দেশীয় ঐতিহ্যচর্চা, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে এ ধরনের উৎসবের ভূমিকা অপরিসীম।

বসন্তের উজ্জ্বল রঙে সেজে ওঠা ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। হরেক রকম পিঠাপুলির স্টল এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পুরো আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। গ্রামবাংলার হারিয়ে যেতে বসা পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
আয়োজকরা জানান, পাঠ্যপুস্তকের শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং আমাদের গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

সংরক্ষিত এমপির মনোনয়ন পেতে চট্টগ্রামের নারী প্রার্থীদের অতীতের কর্মকান্ড হাইকমান্ডে তুলে ধরার চেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যার ফলে চট্টগ্রাম থেকে বিএনপির একাধিক নেত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হওয়ার প্রত্যাশায় রয়েছেন। সংসদ ও সরকার গঠনের পর এবার দলীয় মনোনয়ন পেতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ চলমান রয়েছে। বিশেষ করে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিকজন নেত্রী সক্রিয় যোগাযোগ রাখছেন।সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, সংরক্ষিত আসনে চট্টগ্রামের যোগ্য ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন চাই।

চট্টগ্রাম থেকে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্যদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা। আইন অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা এবং দলীয় কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার কারণে তাঁর নাম আলোচনায় এসেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অনদিকে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদা খানম এবং মহিলা দলের নেত্রী মেহেরুন্নসা নার্গিসের নামও মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় রয়েছেন। এছাড়াও জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিনী সুলতানা পারভীনের নামও আলোচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপির দলীয় একাধিক সূত্র বলছে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, পেশাগত দক্ষতা ও তৃণমূলের গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সমন্বয় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিও মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে। তবে সংরক্ষিত নারী আসনে তফসিলের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।দলীয় নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রত্যাশীরা।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা বলেন, আমি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু দল আমাকে মনোনয়ন দেয়নি। এখনো দলের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে মেনে নেব। সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আমি গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আছি।

ছাত্র জীবন থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ পথচলায় একাধিক মামলা ও পাঁচ-ছয় বার গ্রেপ্তারও হয়েছি। অনেক সময় বাসায় থাকতে পারিনি, পরিবার-পরিজনের সঙ্গ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। আমি চাই, চট্টগ্রামে আমার এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মূল্যায়ন করা হোক। ব্যক্তিগত জীবনে আমি কোনো প্রাপ্তির কথা ভাবিনি; শুধু আদর্শ ও দলের জন্য কাজ করে গেছি। আমার মতো ত্যাগী নেত্রীদের যথাযথ সম্মান ও মূল্যায়ন করা সময়ের দাবি। ২০০১ সালেও আমি মনোনয়ন নিয়েছিলাম, তখনও মূল্যায়ন করা হয়নি। ম্যাডাম ভবিষ্যতে মূল্যায়নের আশ্বাস দিয়েছিল।

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়নের বিষয়ে জাসাসের কেন্দ্রীয় তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমা সাঈদ বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম ও দলীয় কর্মসূচিতে ঝুঁকি নিয়েও দীর্ঘদিন সক্রিয়ভাবে কাজ করে গেছি। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার বিভিন্ন কর্মসূচিতেও ছিলাম সরব, পাশাপাশি অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছি।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি মন্ত্রিপরিষদের নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা জানান।

জানা যায়, এরপর প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার কথা রয়েছে। এ সময় তারা উভয় নেতার মাজার জিয়ারতও করবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ