আজঃ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও দস্তগীর চৌধুরীর অবদান স্মরণীয়:চসিক মেয়র.

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন,আওয়ামী লীগের দুঃশাসনেও বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম দস্তগীর চৌধুরী সাহসিকতার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন । শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরের কদমতলী মোড়ে নির্মিতব্য ‘দস্তগীর চৌধুরী চত্বর’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
মেয়র আরও বলেন, মুক্তিযোদ্ধা দস্তগীর চৌধুরী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। এক-এগারোর সময় তিনি চট্টগ্রামে প্রথম গ্রেপ্তার হওয়া রাজনীতিক ছিলেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তাঁর অবদান স্মরণীয়। তিনি চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

শহরের পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্লাস্টিক, পলিথিন, ডাবের খোসা যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে, যাতে জলাবদ্ধতা কমে এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমে। করোনা সংক্রমণও বাড়ছে, সবাইকে মাস্ক পরতে হবে ও সতর্ক থাকতে হবে।চট্টগ্রামের বাকলিয়া আইল্যান্ড এলাকায় ‘ওয়ান সিটি, টু টাউন’ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন, গ্রীন ও হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এটি শুধু চট্টগ্রামের নয়, পুরো দেশের জন্যও একটি উদাহরণ হবে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য হাজী মো. সালাউদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম সাইফুল আলম, জেলা রেড ক্রিসেন্ট ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম ইউসুফ, সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন জিয়া, মরহুম দস্তগীর চৌধুরীর পরিবারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

টি-টোয়েন্টি সিরিজ : চট্টগ্রামে স্টেডিয়ামজুড়ে নিরাপত্তা মহড়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সোমবার (১৫ জুন) অনুষ্ঠিত এ মহড়ায় স্টেডিয়ামের ভেতর ও আশপাশের এলাকায় আধুনিক নিরাপত্তা সক্ষমতার নানা দিক তুলে ধরে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। এতে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সোয়াত এর পাশাপাশি অংশ নেয় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-৯ (ক-৯) ইউনিট।

আগামী ১৭ জুন বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের মধ্যকার আন্তর্জাতিক ম্যাচ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি যাচাই এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়।

সিএমপি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বড় আয়োজনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও কার্যকর করতেই এ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, দর্শক এবং ভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

ফুটবল বিশ্বকাপ -২০২৬ শুভ সূচনায় মেক্সিকোর চমক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ২-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে শুভ সূচনা করেছে স্বাগতিক মেক্সিকো। তিনটি লাল কার্ডে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে কার্যত ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা আর কোনো প্রতিরোধ গড়তে পারেনি।ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মেক্সিকো। নবম মিনিটেই স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। পঞ্চাশ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার সিথোলে পেনাল্টি বক্সের মাথায় ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। এর ফলে ১০ জনের দলে নেমে যায় সফরকারীরা।এরপর ছেষট্টি মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রাউল হিমিনেজ। এক গোল পেছনে পড়ে এবং একজন কম নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার লড়াই তখন আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

চুরাশি মিনিটে আরও একবার লাল কার্ড দেখে বিপদ বাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা। আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে ফাউল করে মাঠ ছাড়েন থেম্বা জেওয়ানে। যোগ করা সময়ের দুই মিনিটে লাল কার্ড দেখেন মেক্সিকোর সেজার মন্তেস, ফলে ম্যাচে মোট তিনটি লাল কার্ড দেখা যায়।শেষ পর্যন্ত দুই গোলের জয় নিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে মেক্সিকো।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ