আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

বাগমারায় কে বা কাহারা বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করছে

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বাগমারায় কে বা কাহারও বৈদ্যুতিক মিটার চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।রাজশাহীর বাগমারায় প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতের মিটার। মিটার চুরির ঘটনায় অভিযোগ হলেও দীর্ঘদিন থেকে এই চক্রের কাউকে ধরতে পারছে না আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মিটার চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। চুরির পাশাপাশি চোরেরা মোবাইল নম্বার রেখে গেছে। সেই নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে তারা টাকা দাবি করে। টাকা দিলে তারা মিটার ফেরত দেবেন বলেও জানা গেছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে বাগমারার পশ্চিম এলাকার শংকরপৈ মোড়ের রাইস মিল, বকপাড়া মোড়ের রাইস মিল, নারায়নপাড়া গ্রামের ইয়াদ আলী সহ গ্রামবাসীর একটি গভীর নলকূপ এবং মুগাইপাড়ায় বরেন্দ্র চালিত গভীর নলকূপের মিটার চুরির ঘটনা ঘটে। চারটি মিটার চুরির পর একই মোবাইল নাম্বার রেখে যায় তারা। তবে নাম্বারটির নিচে শুধু ভিন্ন সংখ্যা রয়েছে। অর্থাৎ যতটা মিটার চুরি করেছে তারা এক রাতে সে অনুযায়ী নাম্বারগুলো দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ভবানীগঞ্জ থেকে দুইটি মিটার চুরি করা হয়েছে। তবে মিটার দুটির মধ্যে একটি পাওয়া গেছে। মিটার চুরির ঘটনায় গভীর নলকূপ ও রাইস মিলের মালিকরা আলাদা করে অভিযোগ দায়ের করে বাগমারা থানায়। তবে এখন পর্যন্ত কাউকেই শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

 

এদিকে শংকরপৈ মোড়ের রাইস মিল মালিক আপন সরকার বলেন, আমি সকাল অনুমান ০৫.০০ ঘটিকার সময় রাইস মিলে গিয়ে দেখি যে, আমার মিটারটি কে-বা কাহারা চুরি করে নিয়ে গেছে। তবে সেখানে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির মোবাইল নং ০১৯৪৬৮৯৩০৫৪ মিটারের কাছে পাওয়া গেছে। ওই নাম্বারে মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করলে আমার কাছে ৬০০০ হাজার টাকা দিলে মিটার ঘুরিয়ে দেয়া হবে। তা-না হলে তোমার মিলে যতো বার মিটার লাগাবে ততোবার আমি মিটার চুরি করবো। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করছে চোরেরা।

নাটোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর বাগমারা জোনাল অফিসের ডিজিএম আসাদুজ্জামান বলেন, বাগমারায় প্রায় এরকম ঘটনা ঘটছে। মিটার চুরির ঘটনায় বেশ কয়েকজন মোবাইলে জানিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ছয়টি মিটার চুরি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। এর মধ্যে ভবানীগঞ্জে একটি পাওয়া গেছে। অন্যগুলোর এখনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। কারা এই মিটার চোরের সাথে জড়িত সেটি খোঁজ নেয়া হচ্ছে। মিটার চুরির একটি চক্র রয়েছে দেশব্যাপী। তারা মিটার চুরি করে সেখানে মোবাইল নাম্বার রেখে যায়। এর আগে আমি অন্য অফিসে থাকা অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় বেশ কয়েকজন চোরকে ধরতে সক্ষম হয়েছিলাম।

এ ব্যাপারে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে মিটার চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ