আজঃ শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬

প্রশিক্ষণ বিমান দূর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষার্থী ও পাইলট হতাহতের ঘটনায়  চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 ।

বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন অবস্থায় রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন   চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তবর্তী  সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, সদস্য মুস্তফা নঈম, সদস্য গোলাম মওলা মুরাদ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউিনয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান।   এক শোক বার্তায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের কর্মকর্তারা এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব কর্মকর্তারা গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ প্রেরনের দাবি জানিয়েছেন।  প্রশিক্ষণ বিমান দূর্ঘটনায় কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ অনেকের যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে যা অপ্রতাশিত। এটি খুবই বেদনাদায়ক।

আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর-আইএসপিআর জানিয়েছে, বিমান বাহিনীর ‘এফ-৭ বিজেআই’ প্রশিক্ষণ বিমানটি সোমবার দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়নের পরপরই বিধ্বস্ত হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন দেড় শতাধিক। এর মধ্যে আহত প্রায় দেড় শতাধিক  জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যাদের অধিকাংশই স্কুলের শিক্ষার্থী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর পালন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে চাঁদপুরের অর্ধশতাধিক গ্রামে কয়েক ঈদুল ফিতর পালন।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাদপুরের এসব গ্রামে আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর।

হাজীগঞ্জ উপজেলায় ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজের ইমামতি করেন দরবারের বর্তমান পীর মুফতি জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা যাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে এসব গ্রামের মানুষ রোজা ও ঈদ পালন করে আসছেন। তাদের দাবি, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই তারা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।

আজ ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ উদযাপনকারী হাজীগঞ্জ উপজেলার গ্রামগুলো হচ্ছে – সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার দশানী, মোহনপুর, পাঁচানীসহ কচুয়া ও শাহরাস্তি উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম।

জানা যায়, ১৯২৮ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রথম চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ধর্মীয় রীতিনীতি চালু করেন সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর আল্লামা মোহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী। তার মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদ অনুসরণ ও প্রচার অব্যাহত রেখেছেন।প্রতিবছরই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের এসব গ্রামে ঈদ উদযাপন করা হয়।

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ