আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

যানজটসহ সড়কে বিশৃঙ্খলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা এড়িয়ে চলার অনুরোধ সিএমপি’র।

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: ১১ মাস আগে চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করেছিল নগর পুলিশ। গত এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে কয়েক হাজার রিকশা জব্দও করা হয়। কিন্তু এরপর সড়কে এসব রিকশার দৌরাত্ম্য ঠেকাতে না পেরে পুলিশের পক্ষ থেকে নগরবাসীকে এসব যানবাহন ব্যবহার না করার অনুরোধ করা হয়েছে।একইসঙ্গে নগরীতে চলাচলের অনুমোদন না থাকা সিএনজিচালিত অটোরিকশাও এড়িয়ে চলার অনুরোধ করা হয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে। সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের সই করা এ গণবিজ্ঞপ্তি সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্যাটারিচালিত ও গ্রাম (চট্টগ্রাম নগরীতে চলাচলের জন্য নিবন্ধিত নয়) সিএনজি অটোরিকশা চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় চলাচলের অনুমোদিত নয়। কিন্তু এসব যানবাহন নগরীতে যানজটসহ সড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে। অধিকন্তু ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপ্রাপ্ত বয়স্করা চালক হিসেবে নিয়োজিত হচ্ছে। ফলে অনাকাঙ্খিত সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে।
গত বছরের সেপ্টম্বর থেকে চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাটারিচালিত ও অবৈধ ‘গ্রাম’ সিএনজি অটোরিকশার বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও বেগবান করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। এতে নগরবাসীকে অবৈধ এসব যানবাহন ব্যবহার থেকে বিরত থেকে পুলিশকে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ করে সিএমপি। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে পুলিশের জোরালো কোনো অভিযান ছিল না। এতে সড়ক ছেড়ে যেতে হয়নি অটোরিকশাগুলোকে। গত ১৮ এপ্রিল নগরীর কাপাসগোলা এলাকায় বৃষ্টির মধ্যে খালে অটোরিকশা পড়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়। তখন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলের বিরুদ্ধে সরব হন।
এ অবস্থায় এপ্রিলে নগরীতে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জ করার পয়েন্টগুলোতে এবং সড়কে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে রিকশা উচ্ছেদে ব্যাপক অভিযান চালানো হয়। এ সময় বিভিন্ন গ্যারেজে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়েও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। জব্দ করা হয় কয়েক হাজার ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ব্যাটারি।
এর প্রতিবাদে অটোরিকশা চালকদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছিল। এরপর নগরীর মূল সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার দৌরাত্ম্য কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক সময়ে আবার বেড়ে যাবার প্রেক্ষিতে সিএমপি এ গণবিজ্ঞপ্তি দিল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনাবাসী শিমুল বিশ্বাস কে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাবনা জেলা সদর থেকে কাউ কে মন্ত্রী করা হয়নি। মন্ত্রী করা হয়েছে জেলা সদরের বাইরে। এবার পাবনা সদর-৫ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। মন্ত্রী হওয়ার সব যোগ্যতাই তার আছে। তিনি সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী এবং বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান ছিলেন। এসব দায়িত্ব পালন কালে সততা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। স্বাধীনতার পর থেকে লাভের মুখ না দেখা বিআইডব্লিউটিসিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছিলেন।

মন্ত্রী, এমপি না হয়েও পাবনার উন্নয়নে ভূমিকা রেখেছেন। এবি ট্রাস্ট গঠন করে অসংখ্য মসজিদ, হাফেজ মাদ্রাসা, উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিয়েছেন। বেকারদের চাকরীর ব্যবস্থা করেছেন। মহৎ মনের এই মানুষটি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।সাবেক এমপি মোঃ ওয়াজ উদ্দিন খান এবং শাজাহান খানের অবর্তমানে তিনিই এখন এই সংগঠনটির মু্খ্য দায়িত্ব পালন করেন। এমন একজন ব্যক্তি বিএনপি সরকারের মন্ত্রী পরিষদে থাকলে শ্রমিক আন্দোলনের সময় কাজে লাগতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা। তাই পাবনা জেলাবাসী শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

চট্টগ্রামে বোধনের বসন্ত বন্দনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতকে আনুষ্ঠানিক বিদায় দিয়ে ভালোবাসার দিনে ফাল্গুনী সমীরণ, পাতাঝরা পলাশ আর শিমুলের ডালে ডালে যে রঙ লেগেছে, তাকে বরণ করতে দেশের পুরোধা সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ, চট্টগ্রাম আয়োজন করেছে বসন্ত উৎসব- ১৪৩২। শনিবার পহেলা ফাল্গুন নগরের পাহাড়তলীর শহীদ ওয়াসিম পার্কে উৎসবের আঙিনায় ছিল সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি, ঢোলবাদন, কথামালা, শোভাযাত্রা, যন্ত্রসংগীতসহ নানা আয়োজন।

সকাল ৯টায় ভায়োলিনিস্ট চিটাগাং এর যন্ত্রসংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসবের আয়োজন। বসন্তের হাওয়ায় দলীয় নৃত্যে অংশ নেন নৃত্যরূপ, সুরাঙ্গন বিদ্যাপীঠ, দ্যা স্কুল অব ক্লাসিক্যাল অ্যান্ড ফোক ডান্স, নৃত্য নিকেতন, মাধুরী ডান্স একাডেমির শিল্পীরা।গানে গানে দলীয় সংগীতে বসন্তকে স্বাগত জানান সুর পঞ্চম, আর কে মিউজিক, বাগেশ্বরী। একক গান পরিবেশন করেন কেশব জীপসী, ঋষু তালুকদার, চন্দ্রিমা ভৌমিক রাত্রি, কান্তা দে, সুমিতা সরকার, রিনা দাশ, মনি আচার্য্য। তবলা লহড়ায় ছিলেন উঠান সংগীত বিদ্যালয়। একক আবৃত্তি করেন কংকন দাশ, মিশফাক রাসেল, দেবাশীষ রুদ্র।ঢোলবাদনে ছিলেন দীপক ও তার দল।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যভাগে হয় বসন্তকথন পর্ব। এতে অংশ নেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, বোধনের সহ-সভাপতি সুবর্ণা চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল সোহেল, অর্থ সম্পাদক অনুপম শীল।

মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও শোষণহীন সমাজ গঠনের জন্য বাঙালির এসব উৎসব-পার্বণগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, সারা বছরের নানান বঞ্চনা, নানান টানাপোড়েনের গ্লানি মুছে যায় এই বসন্তে।এই ফাগুনেই রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার রাজপথ। বুকের রক্তে বাঙালি রক্ষা করেছে মাতৃভাষার মর্যাদা। পরে একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশন করেন বোধন আবৃত্তি পরিষদের আবৃত্তিশিল্পীরা। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন গৌতম চৌধুরী, পলি ঘোষ, শ্রেয়সী স্রোতস্বীনি, ঋত্বিকা নন্দী, পল্লব গুপ্ত। অনুষ্ঠান শেষে বসন্ত বরণে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ