আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

পানি সরবরাহে চউক চেয়ারম্যানের হাতে ৬২ লক্ষ টাকার পে অর্ডার দিলো ৪০ জন প্লট মালিক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (চউক) কর্ণফুলী হাউজিং সোসাইটির দীর্ঘদিন ধরে চলমান পানিসংকট নিরসনে বৃহস্পতিবার বিকেলে চউক চেয়ারম্যান কার্যালয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ৪০ জন প্লট মালিক ৬২ লক্ষ টাকা সার্ভিস চার্জ পে অর্ডার মূলে জমা দেন । চ¦উক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নুরুল করিমের হাতে প্লট মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ এসব পে অর্ডার আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন ।

অনতিবিলম্বে বাকী প্লট মালিকগণও তাদের প্লট প্রতি ৪০ হাজার টাকার সার্ভিস চার্জ জমা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন । চউক কর্ণফুলী মালিক কল্যাণ সমিতির সিনিয়র সহ সভাপতি এডভোকেট জিয়া হাবীব আহ্সান সমিতির পক্ষ থেকে চউক চেয়ারম্যানকে মৃত প্রায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়ায় আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। এ সময় চউক চেয়ারম্যান বলেন , দৃষ্টিনন্দন প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সিডিএ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে । তিনি আরো বলেন, ভান্ডারজুড়ি প্রকল্পের পানি পেতে ৫১৯ টি প্লট মালিকরা হকদার ।

উক্ত প্রকল্পে ওয়াসা ৫০ লাখ লিটার পানি সরবরাহ করবে চট্টগ্রাম ওয়াসা, অর্থ প্রাপ্তির তিন মাসের মধ্যে পানি সরবারহের কার্যক্রম শুরু করবে ওয়াসা । সভায় সিডিএ কর্মকর্তা চট্টগ্রাম ওয়াসা এবং প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন । কর্ণফুলী আবাসিকে সুপেয় পানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম ওয়াসার সহযোগিতায় পাইপলাইন সম্প্রসারণ ও সংযোগ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয় ।চউকের মাধ্যমে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ও অন্যান্য নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের ব্যাপারেও সিডিএ চেয়ারম্যান ঘোষণা দেন ।

চেয়ারম্যান নুরুল করিম আরো বলেন, “আপনি সরবরাহের এই চুক্তি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বাস্তবায়নের মাধ্যমে যেন প্লট মালিকরা সরাসরি উপকৃত হন, সে লক্ষ্যেই আমাদের অঙ্গীকার ।আমরা এই উদ্যোগের সঙ্গে আছি।” চট্টগ্রামের জনগণ যাতে আবসাসন নির্মাণে ও বসবাসে পানির মত মৌলিক সেবায় বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।” সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকেও উক্ত উদ্যোগের প্রশংসা করা হয় এবং এই চুক্তিকে একটি “টাইমলাইনভিত্তিক অ্যাকশন প্ল্যান”-এর সূচনা হিসেবে বর্ণনা করা হয় ।

প্লট মালিক সমিতির যে সকল সদস্য এখনও ওয়াসার পানি সংযোগ প্রদানের জন্য কাটা প্রতি ৪০ হাজার টাকা জমা প্রদান করতে পারেন নি তদেরকে অতি সত্বর উক্ত অর্থ জমা প্রদানের জন্য সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মোজাম্মেল হক আহ্সান জানান । এফ ডি আর হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন – সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্লট মালিক কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা প্রফেসর ডাঃ ইমরান বিন ইউনুস ও এডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি এডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান, সহ সভাপতি গোলাম ওয়ারেস, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: ইয়াসিন (

সাবেক চেয়ারম্যান), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হুদা, অর্থ সম্পাদক এড সেলিম চৌধুরী, এডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট আশীষ কিরণ দাশ, মোঃ ফজলুল করিম, মোঃ শাহবুদ্দিন চৌধুরী, লেঃ কমান্ডার মোজাফফর আহমেদ বিন এন (অবঃ), অধ্যাপক ড. এ কে এম সাইফুদ্দিন, সামদান কাশেম চৌধুরী, আব্দুস সবুর, মৃণাল কান্তি নাথ রফিক আহমেদ, রোকেয়া আক্তার, সৈয়দ মাহমুদ, মোয়াজ্জেম হোসেন, গিয়াস উদ্দিন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ – এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সিডিএ তত্ত্বাবধারক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মঞ্জুর হাসান, ষ্টেট অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর খান, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ওসমান শিকদার, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইলিয়াস প্রমুখ ।

এই চুক্তির মাধ্যমে কর্ণফুলী আবাসিক এলাকার শত শত প্লট মালিকের দীর্ঘ ৩৩ বছরের নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবের আশাব্যঞ্জক দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে বলে মত দেন অংশগ্রহণকারীরা।উল্লেখ প্লট মালিকদের কাটা প্রতি ৪০ হাজার টাকা সার্ভিস চার্জ প্রদান (অর্থায়নে) ওয়াসার উক্ত সংযোগ প্রদান করা হচ্ছে ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ