আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আবহমান কাল থেকে চলে এসেছে: রুমিন ফারহানা।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এদেশের আবহমান কাল থেকে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। রোববার শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ঐতিহাসিক জেএম সেন হলে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজনে মাতৃসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।রুমিন ফারহানা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এদেশের আবহমান কাল থেকে চলে এসেছে। এ ধরনের সম্প্রীতি বিশ্বে বিরল।এদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সব জাতি, বর্ণ ও ধর্মের। কিন্তু একটি গোষ্ঠী সব সময় ধর্মকে ব্যবহার করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির চেষ্টা করেছে, বিভাজনের চেষ্টা করেছে। এ বিভাজন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ চায় না।
  2. কারণ একজন হিন্দুর উৎসবে যেমন মুসলিমরা অংশগ্রহণ করে ঠিক তেমনি একজন মুসলিমের উৎসবেও হিন্দুরা অংশগ্রহণ করে। এদেশে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে বারবার মানুষ প্রত্যাহান করেছে, রুখে দিয়েছে। তাই ধর্ম ব্যবসায়ীদের জায়গা এদেশে হবে না।
    শ্রীকৃষ্ণ মানবপ্রেম শিখিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের যখন জন্ম হয়েছিল তখন এ সমাজে অন্যায় অবিচারে পূর্ণ ছিল। সেই অবিচার অন্যায়কে দূরীভূত করতে কত অসুরকে নিধন । শিশুকাল থেকে শেষ পর্যন্ত শুধু সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করেছেন। সত্য ও অসত্যের মধ্যে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে মহাভারতের যুদ্ধে ধর্মের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। দ্রোপদীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে নারীদের মর্যাদাকে সমুন্নত করেছেন। নারীর প্রতি সম্মান জানানো, তাদের মর্যাদা রক্ষা করা শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম একটি শিক্ষা।
  3. শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উৎসবের দ্বিতীয় দিনের ৩য় অধিবেশনে মাতৃসম্মেলন ও মহাধর্মসম্মেল শ্রীমতি ঊষা আচার্য্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্বোধক ছিলেন কানন বালা দেবী (সন্তোষী মা), প্রধান ধর্মীয় আলোচক অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী। উপস্থিত থেকে মাতৃ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন শিক্ষিকা মৌসুমি চৌধুরী, বৃষ্টি বৈদ্য, অশ্রু চৌধুরী, সোমা দাশ, অধ্যাপিকা অপর্না বিশ্বাস, ধর্মীয় আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক রুপন ধর, শিক্ষক উত্তম কুমার চক্রবর্ত্তী, মাস্টার অজিত কুমার শীল, শ্রীমৎ স্বামী দীপানন্দ পুরী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী ছত্ত্বেশরানন্দ স্বরসতী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী শ্রদ্ধানন্দ ব্রহ্মচারী, রননাথ ব্রহ্মচারী, শ্রীমৎ স্বামী চিন্ময়ানন্দ ব্রহ্মচারী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী কৃষ্ণানন্দ পুরী মহারাজ, শ্রীমৎ স্বামী নির্বানানন্দ পুরী মহারাজ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ভোটের লাইনে -১ জন ও খুলনায় হট্টগোলে -১ জন নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক।
চট্টগ্রাম নগরীতে ভোট দিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে এক বৃদ্ধ ভোটারের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরীর কাজীর দেউড়ি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।নিহত ব্যক্তির নাম মনু মিয়া (৫৫)। তিনি চট্টগ্রাম–১৪ আসনের বাগমনিরাম ব্যাটারিগলি এলাকার বাসিন্দা।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় জোট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য জোটের নেতারা।বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এ বৈঠক শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকা-৫ আসনে ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ নিয়ে অসন্তোষ ভোটাররা বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমসহ ১১ দলীয় জোটের ১০ সদস্য অংশ নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকরা বৈঠকের বিষয়বস্তু জানতে চাইলে জোটের নেতারা কোনো মন্তব্য করেননি। তবে বৈঠক শেষে তারা ব্রিফিং করবেন বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ