বোয়ালখালীতে আল্লামা আবদুল মাবুদ আলকাদেরী (র.)’র ৩৯তম বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার মহান আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব মোজাদ্দেদে মিল্লাত আল্লামা গাজী ইমাম শেরে বাংলা (র.)’র প্রধান খলিফা শাহ্সূফি আল্লামা আবদুল মাবুদ আলকাদেরী (র.)’র ৩৯তম বার্ষিক ওরশ শরিফ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৮ আগস্ট) ২৩ সফর আয়োজিত এ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাটহাজারী দরবার শরিফের প্রধান মুতাওয়াল্লি শাহসুফি হযরতুলহাজ আল্লামা ছৈয়্যদ মুহাম্মদ আমিনুল হক আলকাদেরী (মা.জি.আ.) বলেন, “আল্লাহর প্রতি তাকওয়া ও হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.)’র মহব্বতই দুনিয়া-আখিরাতের মুক্তির একমাত্র পথ। এজন্য প্রয়োজন আওলিয়া কেরামের আধ্যাত্মিক দর্শন। আল্লাহর ওলিদের দর্শনে অন্তর পাপমুক্ত হয়।”

তিনি আরও বলেন, সুন্নিয়ত কোনো পীর-ভিত্তিক সংগঠন নয়, বরং এটি আক্বিদা-ভিত্তিক একটি সংগঠন। বক্তারা এ সময় বলেন, যুগে যুগে আল্লাহর অলীগণ সমাজকে পথভ্রষ্টতা, নাস্তিকতা ও অনাচার থেকে মুক্ত করতে নিরলস কাজ করেছেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শাহ্সূফি আল্লামা আবদুল মাবুদ আলকাদেরী (র.)। তাঁর সততা, নিষ্ঠা, রাসূল (সা.) প্রেম ও আধ্যাত্মিকতার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ সঠিক পথে ফিরে এসেছে।

মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন শায়খুল হাদীস অধ্যক্ষ আল্লামা মোহাম্মদ রফিক উদ্দিন সিদ্দিকী, মুফতি আল্লামা আবদুল ওয়াজেদ, মুহাদ্দিছ আল্লামা আহমদুল হক, শাহজাদা মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল করিম আলকাদেরী, আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বারী, মাওলানা সৈয়দুল হক আনসারী, প্রফেসর মাহবুবুল আলম, সারোয়াতলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. বোলার হোসেন ও শাহজাদা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহেদ শিহাব আলকাদেরী। শাহজাদা হাফেজ কারী মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুর রকিব রাহাত আলকাদেরীর মিলাদ ক্বিয়াম শেষে আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন আওলাদে ইমাম শেরে বাংলা (র.) পীরজাদা আল্লামা সৈয়দ মোহাম্মদ আমিনুল হক আলকাদেরী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সাংবাদিকের কাজ ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা -কাদের গনি চৌধুরী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী বলেছেন- রাষ্ট্র ও ক্ষমতাবানকে প্রশ্ন করা এবং তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা সাংবাদিকতার কাজ। এটি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করে, জনগণের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সাহায্য করে।২ আগস্ট রোববার দুপুরে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ আয়োজিত সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এসব বলেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ২০ জন আহত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজধানীতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নেপচুন এক্সেসরিজ নামে একটি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা এ হামলা চালায়।ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

জানা যায়, উত্তর সিটির ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ডিএনসিসির তথ্য অনুযায়ী, হামলায় চারজন গুরুতর আহতসহ ১৫ থেকে ২০ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী আহত হন। গুরুতর আহত চারজনকে উত্তরা বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ