আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই মামলার তদন্তে স্বচ্ছতার অভাব রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকট তৈরি করেছে।

গ্রেনেড হামলা ভয়াবহ ঘটনার প্রকৃত সত্য এখনো উৎঘাটন করেনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ আগস্ট মুক্তাঙ্গনের জনসভার অনুমতি নিয়ে কেন সেটি আওয়ামী লীগ অফিসের চত্বরে নেয়া হল,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২০০৪ সালে একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা ভয়াবহ ঘটনার প্রকৃত সত্য এখনো উৎঘাটন করেনি। বিতর্কিত কর্মকর্তাদের দিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে তদন্ত করায় বিচারটি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। ২১ আগস্ট মুক্তাঙ্গনের জনসভার অনুমতি নিয়ে কেন সেটি আওয়ামী লীগ অফিসের চত্বরে নেয়া হল, গোয়েন্দারা সে বিষয়টি কি আমলেই নেয়নি। উচ্চ আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, ভয়াবহ এই ঘটনার সত্য উদঘাটন ও প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচার না করা রাষ্ট্রের জন্য বড় ব্যর্থতা।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে সংঘটিত গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি ভয়াবহ ঘটনা। এতে নিহত হন ২৪ জন, আহত হন কয়েক শতাধিক। দুই দশক পেরিয়ে গেলেও এই ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়নি।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেন। রায়ে বলা হয়, মামলার তদন্ত শুরু থেকেই রাজনৈতিক স্বার্থে পরিচালিত হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে, সাক্ষ্য ও চার্জশিটে অসঙ্গতি রেখে, বিচার প্রক্রিয়াকে বিকৃত করা হয়েছে।
বিতর্কিত তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাহহার আকন্দের নেতৃত্বে দ্বিতীয় চার্জশিটে বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়, যা হাইকোর্ট ‘অবৈধ’ বলে রায়ে উল্লেখ করে। মুফতি হান্নানের দ্বিতীয় স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দেওয়া চার্জশিটে প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি, সাক্ষ্য ছিল পরস্পরবিরোধী ও সন্দেহজনক।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই মামলার তদন্তে স্বচ্ছতার অভাব রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থার সংকট তৈরি করেছে। ২১ আগস্ট হামলার বিচারহীনতা কেবল ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নয়, পুরো জাতির জন্য এক ট্র্যাজেডি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ