চবিতে সংঘর্ষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩ শিক্ষার্থী, ২ জন আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো মহানগরের বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যাশায়ী আছেন শিক্ষার্থীরা। সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, সংঘর্ষে আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১১ শিক্ষার্থী। এছাড়া বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন ইমতিয়াজ সায়েম (২৪) ও আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৩)। দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের হাড় ভেঙেছে, কারো মাথায় গুরুতর আঘাত আছে। তবে সবাই শঙ্কামুক্ত আছে আর আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছি।অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খরচ বহনে সহায়তা করা হবে এবং যারা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের জন্য বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।

এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন আরও ১১৪ জন, আর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। এরমধ্যে একজন নাইমুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) স্থানান্তর করা হয়েছে।এছাড়া হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুলিশ সদস্য, ২ জন ছাত্র এবং একজন গ্রামবাসী।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট রাত সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় এক ছাত্রীকে বাড়ির দারোয়ান ‘মারধর’ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করলে স্থানীয়রা মাইকে ডেকে লোক জড়ো করে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। রাতভর সংঘর্ষের জেরে শিক্ষার্থীরা রবিবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে প্রধান ফটক বন্ধ করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। সকাল ১০টার দিকে প্রশাসন স্থানীয়দের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষ মুখোমুখি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা লাঠি, রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে রবিবার (৩১ আগস্ট) অফিস আদেশের মাধ্যমে দুপুর ২টা থেকে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এরপর বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নিলে সংঘর্ষ থামে। তবে দফায় দফায় সংঘর্ষে উপ-উপাচার্য, প্রক্টর, শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালকের মরদেহ উদ্ধার চট্টগ্রামে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের হালিশহরে নিজ বাসা থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমানের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উত্তর আগ্রাবাদের রমনা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কী কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

জানা গেছে, মোহাম্মদ ছায়েদুর রহমান তিন মেয়ের জনক। তার দুই মেয়ে ঢাকায় থাকেন। আরেক মেয়ে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আছেন।নিহতের সহকর্মীরা জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ব্যাংকে সহকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন ছায়েদুর রহমান। তখন তাকে স্বাভাবিকই দেখা গেছে। তবে গত দুই থেকে তিন মাস ধরে কর্মস্থলে তিনি অনেকটাই চুপচাপ থাকতেন।

মিটিং শেষে বাসায় ফেরার পর তিনি দরজা বন্ধ করে দেন। পরে দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে হালিশহর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা খুলে তার মরদেহ উদ্ধার করে।হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জয়নাল আবেদিন মণ্ডল বলেন, এক ব্যাংক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রামে আসর থেকে ৬ জুয়াড়ী গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে অভিযান চালিয়ে জুয়ার আসর থেকে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও নগদ ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ইপিজেডের দক্ষিণ হালিশহর আকবর আলী খালপাড় সিডিএ বালুর মাঠের আমবাগান এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আইটককৃতরা হলো, বাসু দে (৩৫), আব্দুল মজিদ (৪০), আরিফ (২৮), মো. আনোয়ার হোসেন (৪৬), সাইদ হোসেন শাকিল (২৬) ও মো. সাদ্দাম (৩৫)।
ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, অভিযানে বিভিন্ন রঙের ১৫ প্যাকেট তাস এবং নগদ ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়ার আসরে থাকা আরও কয়েকজন পালিয়ে গেছে।

তিনি জানান, স্থানীয় জুয়াড়ি ওসমান গণি ত্রিপল ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ীভাবে জুয়ার ঘরটি তৈরি করে সেখানে জুয়ার আসর পরিচালনা করছিলেন। এর আগেও আকবর আলী পকেট গেইট খালপাড় এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত একটি জুয়ার ঘর সিটি করপোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের যৌথ অভিযানে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। পরে ওসমান গণি আবারও নতুন করে জুয়ার ঘর তৈরি করেন। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ