আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চবিতে সংঘর্ষে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১৩ শিক্ষার্থী, ২ জন আশঙ্কাজনক।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো মহানগরের বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যাশায়ী আছেন শিক্ষার্থীরা। সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, সংঘর্ষে আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১১ শিক্ষার্থী। এছাড়া বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি আছেন ইমতিয়াজ সায়েম (২৪) ও আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৩)। দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক বলেন, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের হাড় ভেঙেছে, কারো মাথায় গুরুতর আঘাত আছে। তবে সবাই শঙ্কামুক্ত আছে আর আমরা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রেখেছি।অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার খরচ বহনে সহায়তা করা হবে এবং যারা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের জন্য বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।

এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন আরও ১১৪ জন, আর বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন অন্তত ৩০ জন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর। এরমধ্যে একজন নাইমুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে (এনআইসিভিডি) স্থানান্তর করা হয়েছে।এছাড়া হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন ১০ জন। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৭ জন পুলিশ সদস্য, ২ জন ছাত্র এবং একজন গ্রামবাসী।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট রাত সোয়া ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় এক ছাত্রীকে বাড়ির দারোয়ান ‘মারধর’ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদ করলে স্থানীয়রা মাইকে ডেকে লোক জড়ো করে শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। রাতভর সংঘর্ষের জেরে শিক্ষার্থীরা রবিবার (৩১ আগস্ট) সকাল থেকে প্রধান ফটক বন্ধ করে জিরো পয়েন্ট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। সকাল ১০টার দিকে প্রশাসন স্থানীয়দের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করলে উভয়পক্ষ মুখোমুখি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয়রা লাঠি, রড ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে রবিবার (৩১ আগস্ট) অফিস আদেশের মাধ্যমে দুপুর ২টা থেকে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

এরপর বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ, র‌্যাব ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে অবস্থান নিলে সংঘর্ষ থামে। তবে দফায় দফায় সংঘর্ষে উপ-উপাচার্য, প্রক্টর, শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম
নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে আগুন
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের (সিসিএস) কার্যালয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত এই কার্যালয়ে শুক্রবার রাতে কার্যালয়ের একটি অংশে হঠাৎ করে আগুন লাগে। খবর পেয়ে রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আগ্রাবাদ ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম কন্ট্রোল রুম। এদিকে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
পাহাড়তলীতে অবস্থিত প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রকের এই কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন সরঞ্জাম, যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় মালামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ