দেশ ও জাতির স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখাই বিএনপির মূলমন্ত্র

প্রেস রিলিজ

বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বোয়ালখালী উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির আলোচনা সভায় আবু সুফিয়ান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, দেশ ও জাতির ঐতিহাসিক প্রয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। প্রতিষ্ঠালব্ধ থেকে আজ পর্যন্ত বিএনপি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে লড়াই করে যাচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় যাওযার জন্য রাজনীতি করেনা। বিএনপির রাজনীতি উন্নয়ন ও উৎপাদনের। বিএনপির রাজনীতি জনকল্যাণে। দেশ ও জাতির স্বার্থ অক্ষুণ্ন রাখাই বিএনপির মূলমন্ত্র। বিএনপি হচ্ছে গত ১৭ বছর ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের অন্যায়, দুর্নীতি ও দু:শাসনের বিরুদ্ধে হিমালয় পর্বতের মতো দাঁড়িয়ে থাকা একটি সংগঠন। আগামীতেও বিএনপির হাত ধরে গণতন্ত্র মুক্তি পাবে। জনগণ তার সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।

মঙ্গলবার ২ সেপ্টেম্বর বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বোয়ালখালী উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ‘আলোচনা সভা’ ও ‘বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কর্মসূচীর’ শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারীতে জাতীয় নির্বাচন। ভোটের মাধ্যমে কারা নির্বাচিত হবে, কারা সরকার গঠন করবে সে সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ। কিছু কিছু কিছু দল বিএনপিকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ফায়দা লুঠতে চায়। তারা নানাভাবে বিএনপিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাদের জানা উচিত বিএনপির অবস্থান জনগণের হৃদয়ের মনিকৌঠায়। হাসিনার কোন ষড়যন্ত্রই বিএনপিকে ধ্বংস করতে পারেনি। তাই কোন ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে বিএনপির অগ্রযাত্রাকে রুখে দেওয়া যাবেনা। জনগণের মেন্ডেট নিয়ে বিএনপিই সরকার প্রতিষ্ঠা করবে। জনগণের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করবে।

বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপি সাবেক আহবায়ক হাজী ইছহাক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপি সাবেক সদস্য সচিব হামিদুল হক মান্নান চেয়ারম্যান। উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মহসিন খোকন এর সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা আক্কাস মেম্বার, ওহিদুল আলম, শাহালম, নুরুল আমিন, মো. কপিল উদ্দিন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন আবু সিদ্দিক, সিরাজুল ইসলাম, আবদুল করিম, সোলায়মান মেস্বার, আবুল বশর, মো. শওকত, নজরুল ইসলাম, মোঃ ইউছুপ, মোঃ সাইফু,আরিফ চৌধুরী ছোটন, মোঃ আজগর, মোঃ জামাল, মোঃ বখতিয়ার, জানে আলম, মোঃ সাজ্জাদ, আবদুল খালেক, মোঃ জামাল, মোঃ মোরশেদ, যুবদল নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী, আবদুল মান্নান, সায়েম উদ্দিন টিটু, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক, শহীদুল্লাহ চৌধুরী মানিক, নুরুল আবছার,নজরুল ইসলাম, বাহাদুর, বোয়ালখালী পৌরসভা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক,ইব্রাহিম চৌধুরী, নুর হোসেন, মোঃ শওকত, মোঃ সেলিম, মীর ইলিয়াস, ছাত্র নেতা জাহেদ শাহরিয়ার, শাহাদাত হোসেন জিকু, আরমান আলম, মোঃ সাজ্জাদ, পারভেজ, মোঃ জাহেদ প্রমুখ।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতির ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সিলেট ও হবিগঞ্জে এনসিপি নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলামের ফেসবুক পোস্ট তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।পোস্টে হামলার পেছনে ‘সুপরিকল্পিত উদ্দেশ্য’ থাকতে পারে বলে মন্তব্য করায় শুরু হয় পাল্টাপাল্টি বক্তব্য। পরে পোস্টটি সরিয়ে নেয়ার পরও বিতর্ক থামেনি।

একদিকে এপোস্টকে নিয়ে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ একাধিক নেতা জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন। মনিরা শারমিন নিজের ফেসবুক পোস্টে জামায়াতের সাম্প্রতিক বিতর্কিত একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে হামলার প্রতিবাদ না জানিয়ে ‘ডিপ প্ল্যান’ খোঁজার প্রবণতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন।

অন্যদিকে, শিবির-সমর্থিত বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্টে জাহিদুল ইসলামের বক্তব্যের পক্ষের পোস্টও যথেষ্ট দেখা যায়। বিষয়টি নিয়ে এনসিপি ও জামায়াত-সমর্থকদের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য অব্যাহত রয়েছে।

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে এনসিপি ছাড়লেন মাহমুদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে দল ছাড়লেন এনসিপি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ।

বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই নিজের ফেসবুকে আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইব্রাহিম মাহমুদ, যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুলাউড়া উপজেলা।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ