আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে  প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন এর ব্যানারে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অবাস্তব দাবি ।

প্রেস রিলিজ

দেশের বিদ্যমান আইন দ্বারা মীমাংসিত একটি বিষয় নিয়ে দেশের  বিভিন্ন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় বিপদগামী শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে  প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন এর ব্যানারে ভিত্তিহীন অবাস্তব ও অযৌক্তিক ৩ দফা দাবি অযৌক্তিক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের বিদ্যমান আইন দ্বারা মীমাংসিত একটি বিষয় নিয়ে দেশের  বিভিন্ন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় বিপদগামী শিক্ষার্থীরা ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে  প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন এর ব্যানারে ভিত্তিহীন অবাস্তব ও অযৌক্তিক ৩ দফা দাবি উত্থাপনের মাধ্যমে দেশের প্রকৌশল খাতকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে।

গণপূর্ত অধিদপ্তরের নিয়োগ, পদোন্নতি সংক্রান্ত অসত্য ও ভিত্তিহীন তথ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার করছে যা বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সকল সদস্য প্রকৌশলী তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন সহ প্রত্যাখ্যান করেন।

বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদ কর্তৃক উত্থাপিত যৌক্তিক ৭ দফা দাবির সাথে একাত্ততা প্রকাশ করে অদ্য ৩ আগষ্ট ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সকল সদস্য প্রকৌশলী অফিস সময়ের পরে আরো ১ ঘন্টা অতিরিক্ত কাজ করে ইতিবাচক আন্দোলনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

উক্ত ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ শেষে বাংলাদেশ পিডব্লিউডি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির সদস্যবৃন্দ রহমতগঞ্জস্থ সমিতি কার্যালয়ে সন্ধ্যা ৭ টায় জেলা কমিটির সভাপতি  মোঃ নূর উদ্দীন এর সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণ করেন। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন আইডিইবি অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ন-আহবায়ক (চট্টগ্রাম) প্রকৌশলী মোঃ জয়নুল আবেদীন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্র শিক্ষক পেশাজীবী সংগ্রাম পরিষদ, চট্টগ্রাম জেলা কমিটির

আহবায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ রহিম উল্ল্যাহ, সদস্য সচিব প্রকৌশলী এস. এম তারেক, বাপিডিপ্রকৌস কেন্দ্রীয় পরিষদের সহ-সভাপতি (চট্টগ্রাম) জনাব মোহাম্মদ তৌফিকুর রহমান, উক্ত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ জনাব মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া, জনাব দীপক বড়ুয়া, জনাব মোহাঃ মোরশেদুল আলম চৌধুরী, জনাব আজিজুল ইসলাম আজমীর, জনাব আবু মোহাম্মদ আরিছ, জনাব মোঃ গোলাম মুনহাম জোয়ার্দ্দার সহ প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) জনাব সৌরজিত বড়ুয়া।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ