আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ডাকসুর ভিপি-জিএসসহ ৭ পদের বিজয়ের মুকুট চট্টগ্রামের।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসুর প্রধান দুটি পদ-সহসভাপতি (ভিপি) আর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ের মুকুট পড়েছে চট্টগ্রামের দুই তরুণের মাথায়। শুধু কি ভিপি-জিএস; পদাধিকার বলে সভাপতির আসনে বসবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান, তিনিও আবার চট্টগ্রামের সন্তান।

বিশেষ করে ডাকসুর ভিপি-জিএস সহ ৭ পদে নেতৃত্ব দেবেন বৃহত্তর চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা। গত ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হওয়া ডাকসু নির্বাচনে তারা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।ভিপি পদে নির্বাচিত আবু সাদিক কায়েমের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় হলেও বাবা ব্যবসায়িক সূত্রে পরিবার নিয়ে থাকেন খাগড়াছড়িতে। এছাড়া জিএস এসএম ফরহাদের বাড়ি সাদিকের পাশের উপজেলা লোহাগাড়ায়।

শুধু এখানেই মিল নয়, ফরহাদও থাকেন রাঙামাটিতে। সেটিও আবার খাগড়াছড়ির পাশের উপজেলা। পাশাপাশি ফরহাদ-সাদিক দুইজনই আলিম পাস করেছেন চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ আদর্শ কামিল মাদ্রাসা থেকে। বর্তমানে পড়ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন পদে বিজয়ী মহেশখালীর মেয়ে ফাতেমা তাসনিম জুমা। কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া পদে বিজয়ী সাতকানিয়ার মেয়ে উম্মে ছালমা। সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন রাঙামাটির সর্বমিত্র চাকমা, সাতকানিয়ার রায়হান উদ্দিন এবং খাগড়াছড়ির হেমা চাকমা। এদের মধ্যে রায়হান উদ্দিন ও উম্মে ছালমা দুইজনই স্বামী-স্ত্রী। ডাকসু’র ইতিহাসে প্রথম স্বামী-স্ত্রী একইসঙ্গে নির্বাচনে জয়লাভ করে নেতৃত্ব দেবেন।

এদিকে, ডাকসু নির্বাচনে চট্টগ্রামের প্রার্থীদের বিজয়ে অনেকটাই উৎসবমুখর তাদের এলাকা। বিশেষ করে ভিপি পদে সাদিক কায়েমের জয়লাভে উৎসবের আমেজ বইছে জন্মস্থান সাতকানিয়ায়। পাশাপাশি ফরহাদের জন্মভিটায়ও চলছে আলোচনা। গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, তাদের নেতৃত্ব শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, পরবর্তীতে জাতীয় রাজনীতিতেও তারা অবদান রাখুক।

এদিকে এই অর্জন যেন কেবল তাদের ব্যক্তিগত কোনো অর্জন নয়, বরং তারা যেন বার্তা দিলেন-রাজধানী নির্ভর রাজনীতির সমীকরণেও সমান শক্তি নিয়ে উঠে আসতে পারেন প্রান্তিক এলাকার আলো-হাওয়ায় বেড়ে ওঠা তরুণ-তরুণীরাও। প্রধান পদগুলোতে চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের জয়-জয়াকার দেখে তাই অনেকে রসিকতা করছেন ডাকসুতে ‘চট্টগ্রাম সমিতি’!

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ