আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

একাত্তরের জননী – রমা চৌধুরী স্বাধীনতা যুদ্ধে নির্যাতিত একজন বীরাঙ্গনা।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

১৯৭১ সালের ১৩ মে ভোরে তিনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে নিজ বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হন। সম্ভ্রম হারানোর পর পাকিস্তানি দোসরদের হাত থেকে পালিয়ে পুকুরে নেমে আত্মরক্ষা করেছিলেন। হানাদাররা গানপাউডার লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয় তাঁর ঘরবাড়িসহ যাবতীয় সহায়-সম্পদ। তিনি তার উপর নির্যাতনের ঘটনা “একাত্তরের জননী” নামক গ্রন্থে প্রকাশ করেন।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদাররা তাঁর একমাত্র ভিটেটুকু পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। সেই পোড়া ভিটা, সেই পোড়া মাটির ঘর আজও তাঁর বাসগৃহ, যা এখন ‘দীপঙ্কর স্মৃতি অনাথালয়’ নামে একটি অনাথ আশ্রম হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় রত রমা চৌধুরী নিজেই।
রমা চৌধুরী ১৯৪১ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থানার পোপাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। বলা হয়ে থাকে তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামের প্রথম নারী স্নাতকোত্তর (এমএ)। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। রমা চৌধুরী ১৯৬২ সালে কক্সবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কর্মজীবন শুরু করেন। পরে দীর্ঘ ১৬ বছর তিনি বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার দায়িত্ব পালন করেন। বিজয়লাভের পর ২০ ডিসেম্বর তাঁর বড় ছেলে সাগর নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এর ১ মাস ২৮ দিন পর মারা যায় আরেক ছেলে টগর। এরপর তিনি জুতা পরা বাদ দেন। পরে অনিয়মিতভাবে জুতা পরতেন তিনি। ১৯৯৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর আরেক ছেলে মারা গেলে পুত্রশোকে তিনি আর জুতা পায়ে দেননি। খালি পায়ে হেঁটে নিজের লেখা বই বিক্রি করে চলতেন এই নারী।
স্বাধীনতার পরে ২০ বছর তিনি লেখ্যবৃত্তিকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন। প্রথমে তিনি একটি পাক্ষিক পত্রিকায় লিখতেন। বিনিময়ে সম্মানীর বদলে পত্রিকার ৫০টি কপি পেতেন। সেই পত্রিকা বিক্রি করেই চলত তাঁর জীবন-জীবিকা। পরে নিজেই নিজের লেখা বই প্রকাশ করে বই ফেরি করতে শুরু করেন। প্রবন্ধ, উপন্যাস ও কবিতা মিলিয়ে তিনি নিজে ১৮টি গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:-
একাত্তরের জননী।
১০০১ দিন যাপনের পদ্য।
আগুন রাঙা আগুন ঝরা অশ্রু ভেজা একটি দিন।
ভাব বৈচিত্রে রবীন্দ্রনাথ।
অপ্রিয় বচন।
লাখ টাকা।
হীরকাঙ্গুরীয়
একাত্তরের জননী’সহ ১৮টি গ্রন্থের লেখক, মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতনের শিকার নারী রমা চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হাড়ের ব্যথাসহ নানা রোগে ভুগছিলেন। চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সোমবার ভোররাত ৪টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। শুক্রবার বাদে জুমা জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্স উন্নয়ন ও মুসল্লি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাবেক মন্ত্রী মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। বিএনপির রাজনীতিতে তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি রাজনীতিবিদ।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তিনি ছিলেন এক অবিচল যোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধে তার সাহসী ভূমিকা অবিস্মরণীয়। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়। চট্টগ্রামের ব্যবসা বাণিজ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর প্রচেষ্টা ছিল প্রশংসনীয়।তিনি চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, ইস্ট ডেল্টা ইউনির্ভাসিটি, স্বৈরাচার বিরোধী ৯০ গণ আন্দোলনে শহীদের স্মৃতি রক্ষায় প্রতিষ্ঠা করেন এন এম জে মহাবিদ্যালয়। জনগণের কল্যাণে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ আজও চট্টগ্রামের মানুষ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

দোয়া মাহফিলে মরহুম আবদুল্লাহ আল নোমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। এছাড়া শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।মোনাজাত পরিচালনা করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। মুসল্লি পরিষদের সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বৃহত্তর চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে মরহুম আব্দুল্লাহ আল নোমানের অবদান চট্টগ্রামবাসী আজীবন মনে রাখবে। তিনি এ অঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগ আজও স্মরণীয়।চট্টগ্রামসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থাপনায় তাঁর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে জমিয়তুল ফালাহ জামে মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান অনস্বীকার্য। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এই মসজিদটিকে ঘিরে যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান সেই স্বপ্নের সার্থক রূপ দিয়েছেন।

বিশেষ অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী অনন্য এক নেতা। তিনি কেবল চট্টগ্রাম নয়, বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে এক কিংবদন্তি পুরুষ। তিনি শুধু নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন একটি প্রতিষ্ঠান। তিনি ছিলেন নেতাদের নেতা, আমাদের সবার অভিভাবক। চট্টগ্রামে ৮০’র দশকে যখন শহীদ জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পরে বিএনপি অনেকটা দূর্বল হয়ে গিয়েছিল। তখন বিএনপিকে পুনর্জাগরণ করেছিলেন আবদুল্লাহ আল নোমান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আবদুল্লাহ আল নোমান ছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন সম্মুখ সারির যোদ্ধা। দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তাঁর অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ রাখবে। নোমান ভাই শুধু একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন গণমানুষের নেতা। তাঁর সাহস, সততা এবং দেশপ্রেম আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয়।

দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মো. মহসিন, মো. কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মুসল্লি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুর রহমান, বিএনপি নেতা মন্জুর রহমান চৌধুরী, জাকির হোসেন, নুর হোসাইন প্রমুখ।

বাংলাদেশ ঐতিহাসিক আপোষহীন নেতৃত্ব হারাল – সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন মানচিত্র নিয়ে ৫৫ বৎসর যাবৎ দাঁড়িয়ে আছে। সেই যুদ্ধের দীর্ঘ সময়ের বন্দী বাংলাদেশের একটি অতি সাধারণ মহিলা খালেদা জিয়া। যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান ঘোষক, মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী।

আজ আমাদের বাংলাদেশের কোটি মানুষের প্রাণস্পন্দন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান রাব্বুল আলামীনের ডাকে সাড়া দিয়ে না ফেরার দেশে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজেউন) শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯৮১ সালের ৩০ মে শাহাদাত বরণের দীর্ঘ পথ চলায় অসীম ধৈর্য্যরে সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন গৃহবধু বেগম খালেদা জিয়া। সাধারণ গৃহবধু থেকে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই পরিণত হন বাংলাদেশের ইতিহাসে আপোষহীন নেতৃত্বের একমাত্র মালিক।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এ কৃতিত্বের মালিক তাঁকেই মানিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের ১৯৯০ এর স্বৈরাচার পতনের পর গণ রায়ে নিরব ব্যালট বিপ্লবই বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের বাংলাদেশের প্রায় ১৮টি সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। এই ইতিহাস একমাত্র তিনিই সৃষ্টি করেছেন।

বাংলাদেশের মানুষের আস্থা অর্জনের কারণেই কেবলমাত্র এটা সম্ভব হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েই শিশু সন্তানকে নিয়ে কারাবন্দী। পরবর্তী বাংলাদেশেও আন্দোলন সংগ্রামের জন্য বার বার কারাবন্দী। দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থানকারী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আপোষহীন আইডল।

বিএনপি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তরে স্থান করে নিয়েছে শহীদ জিয়ার আদর্শের এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের কারণেই। বাংলাদেশের মানুষের জন্য দেশনেত্রীর মৃত্যু অত্যন্ত শোকের।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় কারাবন্দী করেছে পতিত সরকার। সে সময়ে কারাগারে দিনের পর দিন শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এই দেশনেত্রী। তার পরও পতিত সরকারের কাছে আপোষ করেন নি। পর্যায়ক্রমে দেশনেত্রীর শরীরে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হতে থাকে।বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া ছিল দেশনেত্রী যাতে পতিত সরকারের পতন দেখে যেতে পারেন। রাব্বুল আলামীন তাঁর এ আশা এবং জনগণের আখাক্সক্ষা পূরণ করেছেন।

দেশনেত্রী বাংলাদেশের জনগণের অগাঢ় আস্থার প্রতীক। তাঁর অসীম ধৈর্য্যরে, সাহসিকতার এবং গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের জন্য- এই আস্থা। বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র দেশপ্রমিক দল বিএনপিকে এই আস্থা ধরে রাখতে হবে। শোককে দেশপ্রেমিক জনগণ শক্তিতে পরিণত করতে হবে। বাংলাদেশের তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শক্তি যোগাতে হবে।

বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে দেশনেত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে সাহস দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এগিয়ে আসতে এবং সচেতন হওয়াটাই এ সময়ের জন্য অনেকাংশে জরুরী।

এর মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি পরিবারের সদস্য একজন সফল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাঁর কনিষ্ঠ সন্তান রাজনীতি না করেও ১/১১ তে নির্যাতিত আরাফাত রহমান কোকো এবং বাংলাদেশের অসীম ধৈর্য্যরে অধিকারী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশবাসী হারালেন।

মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া কামনা করি শহীদ জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো ও বেগম খালেদা জিয়াকে বেহেস্তের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান যেন পান। কি অদ্ভুত রাব্বুল আল আমীনের সাদৃশ্য! ১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ জিয়ার শাহাদাত হওয়া এবং ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশের মানুষকে কাঁদিয়ে বিদায় নেওয়া।

যেন “৩০ মে ও ৩০ ডিসেম্বর” তারিখের এই মিল বাংলাদেশের মানুষ আজীবন স্মরণ রাখবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির সকল পর্যায়ের এবং বাংলাদেশের অপরাপর সকল রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান- আসুন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই মাতৃভূমি বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে, দেশনেত্রীর দীর্ঘ আপোষহীন নেতৃত্বকে সবসময় স্মরণ করে তারেক রহমান এর নেতৃত্বকে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

তাহলেই বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে এবং তখনই বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ ও সুফল ভোগ করবে এই প্রতাশা সবার।

 

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ