বাংলাদেশ ঐতিহাসিক আপোষহীন নেতৃত্ব হারাল – সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম

লেখক: সাবেক ছাত্রদল নেতা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপি নেতা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন মানচিত্র নিয়ে ৫৫ বৎসর যাবৎ দাঁড়িয়ে আছে। সেই যুদ্ধের দীর্ঘ সময়ের বন্দী বাংলাদেশের একটি অতি সাধারণ মহিলা খালেদা জিয়া। যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান ঘোষক, মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী।

আজ আমাদের বাংলাদেশের কোটি মানুষের প্রাণস্পন্দন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান রাব্বুল আলামীনের ডাকে সাড়া দিয়ে না ফেরার দেশে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজেউন) শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯৮১ সালের ৩০ মে শাহাদাত বরণের দীর্ঘ পথ চলায় অসীম ধৈর্য্যরে সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন গৃহবধু বেগম খালেদা জিয়া। সাধারণ গৃহবধু থেকে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই পরিণত হন বাংলাদেশের ইতিহাসে আপোষহীন নেতৃত্বের একমাত্র মালিক।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এ কৃতিত্বের মালিক তাঁকেই মানিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের ১৯৯০ এর স্বৈরাচার পতনের পর গণ রায়ে নিরব ব্যালট বিপ্লবই বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের বাংলাদেশের প্রায় ১৮টি সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। এই ইতিহাস একমাত্র তিনিই সৃষ্টি করেছেন।

বাংলাদেশের মানুষের আস্থা অর্জনের কারণেই কেবলমাত্র এটা সম্ভব হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েই শিশু সন্তানকে নিয়ে কারাবন্দী। পরবর্তী বাংলাদেশেও আন্দোলন সংগ্রামের জন্য বার বার কারাবন্দী। দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থানকারী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আপোষহীন আইডল।

বিএনপি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তরে স্থান করে নিয়েছে শহীদ জিয়ার আদর্শের এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের কারণেই। বাংলাদেশের মানুষের জন্য দেশনেত্রীর মৃত্যু অত্যন্ত শোকের।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় কারাবন্দী করেছে পতিত সরকার। সে সময়ে কারাগারে দিনের পর দিন শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এই দেশনেত্রী। তার পরও পতিত সরকারের কাছে আপোষ করেন নি। পর্যায়ক্রমে দেশনেত্রীর শরীরে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হতে থাকে।বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া ছিল দেশনেত্রী যাতে পতিত সরকারের পতন দেখে যেতে পারেন। রাব্বুল আলামীন তাঁর এ আশা এবং জনগণের আখাক্সক্ষা পূরণ করেছেন।

দেশনেত্রী বাংলাদেশের জনগণের অগাঢ় আস্থার প্রতীক। তাঁর অসীম ধৈর্য্যরে, সাহসিকতার এবং গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের জন্য- এই আস্থা। বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র দেশপ্রমিক দল বিএনপিকে এই আস্থা ধরে রাখতে হবে। শোককে দেশপ্রেমিক জনগণ শক্তিতে পরিণত করতে হবে। বাংলাদেশের তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শক্তি যোগাতে হবে।

বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে দেশনেত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে সাহস দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এগিয়ে আসতে এবং সচেতন হওয়াটাই এ সময়ের জন্য অনেকাংশে জরুরী।

এর মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি পরিবারের সদস্য একজন সফল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাঁর কনিষ্ঠ সন্তান রাজনীতি না করেও ১/১১ তে নির্যাতিত আরাফাত রহমান কোকো এবং বাংলাদেশের অসীম ধৈর্য্যরে অধিকারী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশবাসী হারালেন।

মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া কামনা করি শহীদ জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো ও বেগম খালেদা জিয়াকে বেহেস্তের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান যেন পান। কি অদ্ভুত রাব্বুল আল আমীনের সাদৃশ্য! ১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ জিয়ার শাহাদাত হওয়া এবং ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশের মানুষকে কাঁদিয়ে বিদায় নেওয়া।

যেন “৩০ মে ও ৩০ ডিসেম্বর” তারিখের এই মিল বাংলাদেশের মানুষ আজীবন স্মরণ রাখবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির সকল পর্যায়ের এবং বাংলাদেশের অপরাপর সকল রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান- আসুন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই মাতৃভূমি বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে, দেশনেত্রীর দীর্ঘ আপোষহীন নেতৃত্বকে সবসময় স্মরণ করে তারেক রহমান এর নেতৃত্বকে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

তাহলেই বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে এবং তখনই বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ ও সুফল ভোগ করবে এই প্রতাশা সবার।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক গণপতি হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক গণপতি হত্যাসহ সারা দেশ খুন, বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে হামলা ও জমি দখলের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, গত ছয় মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুন, সংখ্যালঘুদের নির্যাত, জমি জবর দখলের ঘটনা আমাদের হতাশ করছে। দেশ যদি মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অধীনে চলে যায় তবে সকল প্রগতিশীল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চার হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি ও চট্টগ্রাম মহানগর পূজা কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে সভাপতিত্ব করেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি চন্দন তালুকদার। মহানগর পূজা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিখিল নাথের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পূজা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী, জন্মাষ্টমী পরিষদের সহসভাপতি তপন কান্তি দাশ, আশুতোষ দাশ, কার্যকরী সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, সহসভাপতি চন্দন দাশ, বিদ্যালাল শীল, অরবিন্দ পাল অরুন, বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী প্রমুখ।
আরও পড়ুন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিএনপির কাছে হিন্দুদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু গত ছয় মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুন, হিন্দুদের ওপর হামলা, জমি জবর দখলের ঘটনা হিন্দুদের হতাশ করছে। এছাড়া হিন্দুদের বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে চাকরিসহ বিভিন্ন দপ্তরে হয়রানি ও চাকরিচ্যুত করছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হলেও সরকার, প্রশাসন ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ঘাপটি মেরে বসে আছে। তারা সময় সুযোগ পেলে এ দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তারা আরও বলেন, রংপুরসহ সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, মঠ-মন্দির, দোকানপাট দখল করছে তাদের কোনো ধর্ম পরিচয় থাকতে পারে না। তাদের অনতিবিলম্বে তদন্তপূর্বক বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনের হত্যায় প্রকৃত দোষীদের তদন্তপূর্বক গ্রেপ্তার ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়।পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে চেরাগী পাহাড় হয়ে জেএমসেন হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

দীপেন তালুকদার দীপুকে সংবর্ধনা দিল কাউখালী উপজেলা বিএনপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবাগত চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দীপুকে সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে বরণ করে নিয়েছে কাউখালী উপজেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার বেতবুনিয়া গোদাপাড় এলাকায় কাউখালী উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দীপুকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ এবং জেলা পরিষদের নতুন সদস্য পাইচিং মং মারমা। এছাড়া বিএনপি রাঙামাটির উপদেষ্টা সৈয়দুল আলম, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব, যুগ্ম সম্পাদক চিংছাউ মারমা, জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম, জাসাস সভাপতি কামাল উদ্দিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বেতবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আকবর, ফটিকছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শশি চাকমা এবং বেতবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং পাহাড়ি-বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। তারা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে জেলা পরিষদকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবর্ধনার জবাবে নবাগত চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দীপু উপস্থিত নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং রাঙামাটি জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সফলতা কামনা করেন। পরে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ