আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশ ঐতিহাসিক আপোষহীন নেতৃত্ব হারাল – সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম

লেখক: সাবেক ছাত্রদল নেতা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বিএনপি নেতা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে একটি স্বাধীন মানচিত্র নিয়ে ৫৫ বৎসর যাবৎ দাঁড়িয়ে আছে। সেই যুদ্ধের দীর্ঘ সময়ের বন্দী বাংলাদেশের একটি অতি সাধারণ মহিলা খালেদা জিয়া। যিনি স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান ঘোষক, মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী।

আজ আমাদের বাংলাদেশের কোটি মানুষের প্রাণস্পন্দন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মহান রাব্বুল আলামীনের ডাকে সাড়া দিয়ে না ফেরার দেশে। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রাজেউন) শহীদ জিয়াউর রহমানের ১৯৮১ সালের ৩০ মে শাহাদাত বরণের দীর্ঘ পথ চলায় অসীম ধৈর্য্যরে সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন গৃহবধু বেগম খালেদা জিয়া। সাধারণ গৃহবধু থেকে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমেই পরিণত হন বাংলাদেশের ইতিহাসে আপোষহীন নেতৃত্বের একমাত্র মালিক।

বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এ কৃতিত্বের মালিক তাঁকেই মানিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশের ১৯৯০ এর স্বৈরাচার পতনের পর গণ রায়ে নিরব ব্যালট বিপ্লবই বাংলাদেশের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক সরকারের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৮ সালের বাংলাদেশের প্রায় ১৮টি সংসদীয় আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। এই ইতিহাস একমাত্র তিনিই সৃষ্টি করেছেন।

বাংলাদেশের মানুষের আস্থা অর্জনের কারণেই কেবলমাত্র এটা সম্ভব হয়েছিল। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়েই শিশু সন্তানকে নিয়ে কারাবন্দী। পরবর্তী বাংলাদেশেও আন্দোলন সংগ্রামের জন্য বার বার কারাবন্দী। দেশের মানুষের অন্তরে স্থান করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থানকারী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের আপোষহীন আইডল।

বিএনপি বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তরে স্থান করে নিয়েছে শহীদ জিয়ার আদর্শের এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের কারণেই। বাংলাদেশের মানুষের জন্য দেশনেত্রীর মৃত্যু অত্যন্ত শোকের।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী দেশনেত্রী বেগম জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় কারাবন্দী করেছে পতিত সরকার। সে সময়ে কারাগারে দিনের পর দিন শারীরিক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এই দেশনেত্রী। তার পরও পতিত সরকারের কাছে আপোষ করেন নি। পর্যায়ক্রমে দেশনেত্রীর শরীরে বিভিন্ন রোগের আক্রমণ হতে থাকে।বাংলাদেশের মানুষের চাওয়া ছিল দেশনেত্রী যাতে পতিত সরকারের পতন দেখে যেতে পারেন। রাব্বুল আলামীন তাঁর এ আশা এবং জনগণের আখাক্সক্ষা পূরণ করেছেন।

দেশনেত্রী বাংলাদেশের জনগণের অগাঢ় আস্থার প্রতীক। তাঁর অসীম ধৈর্য্যরে, সাহসিকতার এবং গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের জন্য- এই আস্থা। বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র দেশপ্রমিক দল বিএনপিকে এই আস্থা ধরে রাখতে হবে। শোককে দেশপ্রেমিক জনগণ শক্তিতে পরিণত করতে হবে। বাংলাদেশের তৃণমূলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শক্তি যোগাতে হবে।

বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে দেশনেত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে ধারণ করে তাঁর সুযোগ্য সন্তান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণকে সাহস দিয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এগিয়ে আসতে এবং সচেতন হওয়াটাই এ সময়ের জন্য অনেকাংশে জরুরী।

এর মধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি পরিবারের সদস্য একজন সফল প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, তাঁর কনিষ্ঠ সন্তান রাজনীতি না করেও ১/১১ তে নির্যাতিত আরাফাত রহমান কোকো এবং বাংলাদেশের অসীম ধৈর্য্যরে অধিকারী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশবাসী হারালেন।

মহান রাব্বুল আলামীনের নিকট দোয়া কামনা করি শহীদ জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো ও বেগম খালেদা জিয়াকে বেহেস্তের সর্বোচ্চ স্থানে স্থান যেন পান। কি অদ্ভুত রাব্বুল আল আমীনের সাদৃশ্য! ১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ জিয়ার শাহাদাত হওয়া এবং ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেশের মানুষকে কাঁদিয়ে বিদায় নেওয়া।

যেন “৩০ মে ও ৩০ ডিসেম্বর” তারিখের এই মিল বাংলাদেশের মানুষ আজীবন স্মরণ রাখবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির সকল পর্যায়ের এবং বাংলাদেশের অপরাপর সকল রাজনৈতিক গণতান্ত্রিক শক্তির প্রতি আহ্বান- আসুন আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই মাতৃভূমি বাংলাদেশকে রক্ষার জন্য শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে, দেশনেত্রীর দীর্ঘ আপোষহীন নেতৃত্বকে সবসময় স্মরণ করে তারেক রহমান এর নেতৃত্বকে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

তাহলেই বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে এবং তখনই বাংলাদেশের জনগণ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ ও সুফল ভোগ করবে এই প্রতাশা সবার।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস এর দ্রুত চিকিৎসা না হলে বাঁচানো সম্ভব নয়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের জুলহাস উদ্দীন সে দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। 
জুলহাস উদ্দীন ৫০ সে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঢাঙ্গীপুকুর গুচ্ছগ্রামের মৃত ছামাদ আলীর ছেলে। 

তিনি পেশায় একজন দিন মজুর, গেল এক বছর থেকে বিভিন্ন রোগে ভুগছেন তিনি। নিজস্ব কোন জমি না থাকায় সরকারের আশ্রয়ের প্রকল্পের ঘরে বসবাস করছেন। অসচ্ছলতার কারণে ডাক্তার দেখাতে পারছেন না। টাকার অভাবে ঘরের মধ্যে অসুস্থ অবস্থায় ধুকে ধুকে দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে। পরিবারের অন্য কেউ হাল ধরার মতো নেই আশপাশের মানুষের সহযোগিতায় চলতে হয় তাকে।

গুচ্ছগ্রামের মানুষেরা জানান দীর্ঘদিন থেকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে বিছানায় আছেন দিনমজুরের কাজ করতেন জুলহাস, কিন্তু অসুস্থতার কারণে তিনি আর কাজে যেতে পারছেন না। মানুষটিকে বাঁচাতে হলে অর্থের প্রয়োজন তাই সমাজের বৃত্তবান মানুষ ও সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন। দ্রুত চিকিৎসা ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়।এদিকে জুলহাস জানান ডাক্তারের কথা অনুযায়ী তার চিকিৎসার জন্য প্রায় দুই লক্ষ টাকার উপরে প্রয়োজন। যেটা হলে দ্রুত অপারেশন করা সম্ভব হবে। তার কোন কিছুই নেই যেটা বিক্রি করে চিকিৎসা নিবেন। টাকা জোগাড় করা তার পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব হচ্ছে না, তাই তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন।সকলের সহযোগিতায় একটি প্রাণ বেঁচে যেতে পারে। কেউ সহযোগিতা করতে চাইলে এই নাম্বারে 01760918282 যোগাযোগ করতে পারেন।

চট্টগ্রামে ইস্টার্ণ রিফাইনারীর শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যহত, দাবি ৪ দফা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে দেশের একমাত্র জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে চার দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে টানা আন্দোলন অব্যহত রেখেছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় ইস্টার্ণ রিফাইনারীর প্রধান ফটকের সামনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানটির শ্রমিক-কর্মচারীরা অংশ নেন। বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী দ্বিবার্ষিক চুক্তিনামা সম্পাদন, পার্সোনাল পে বাস্তবায়ন, আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পদোন্নতি নীতিমালা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনের ৮ম দিনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন তারা।সমাবেশ থেকে সিবিএ নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত এই শিল্পবিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করা না হলে শ্রম আইন অনুযায়ী আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে এবং নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


সিবিএ নেতারা বলেন, বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ অনুযায়ী পূর্বের নিয়মে ২০২৩-২৪ সালের দ্বিবার্ষিক চুক্তিনামা অবিলম্বে সম্পাদন করতে হবে। পাশাপাশি ২০০৩ সালের চুক্তি অনুযায়ী পার্সোনাল পে বাস্তবায়ন, শ্রমিক-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং পদোন্নতি নীতিমালা সংস্কারের দাবি জানান তারা।বিক্ষোভ সমাবেশে ইস্টার্ণ রিফাইনারী এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি দেওয়ান মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুর রহমানসহ অন্যান্য নেতারা বক্তব্য দেন।

সমাবেশে মো. আব্দুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইস্টার্ণ রিফাইনারী প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু শ্রমিক-কর্মচারীদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া নিয়ে কর্তৃপক্ষ বারবার নানা জটিলতা সৃষ্টি করছে। তিনি দাবি করেন, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখের একটি স্মারকের কারণে ২০২৩-২৪ সালের দাবিনামার ভিত্তিতে সম্পাদনযোগ্য চুক্তিনামা বাস্তবায়নে জটিলতা তৈরি হয়েছে।তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের আর্থিক সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়টি বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬-এর ২১০ ধারা অনুযায়ী যৌথ দরকষাকষির মাধ্যমেই নির্ধারণ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ