আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

স্মার্ট সিটি সেবার পরিকল্পনায় চসিকের সঙ্গে কাজ করবে গ্রামীণফোন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্রুত স্মার্ট সিটি গড়ে তুলতে চট্টগ্রামবাসীদের জন্য দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী কোম্পনি গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (সিসিসি)।সোমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এবং গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইয়াসির আজমানের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন কার্যালয়ে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রামীণফোন এ তথ্য জানায়।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, গ্রামীণফোনের চিফ বিজনেস অফিসার ড. আসিফ নাইমুর রশিদ এবং চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার অটো মাগনে রিসব্যাকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পার্টনারশিপের আওতায় যৌথভাবে বিভিন্ন স্মার্ট সিটি সেবার পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন করবে গ্রামীণফোন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, যা বাড়াবে দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শহর সেবা উন্নত করতে, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি করতে এবং নাগরিকদের জন্য আরও সুবিধা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে এই পার্টনারশিপ। গ্রামীণফোনের সঙ্গে দেশে স্মার্ট সিটি সল্যুশনের একটি মানদণ্ড স্থাপন করতে চাই আমরা। আমাদের অগ্রাধিকার হলো নাগরিকরা যেন দ্রুততর, সহজতর এবং আরও নির্ভরযোগ্য সেবা উপভোগ করতে পারেন, যা তাদের দৈনন্দিন জীবনমানকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি শহরগুলো যেভাবে তাদের নাগরিকদের সেবা দেয় তা বদলে দিতে পারে ডিজিটাল উদ্ভাবন। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে এই সহযোগিতা একটি স্মার্ট এবং আরও সংযুক্ত চট্টগ্রাম গড়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সংযোগ ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা এমন একটি শহর গড়ার কথা ভাবছি, যেখানে নাগরিকরা আরও স্বাস্থ্যকর, সুখী ও নিরাপদ জীবনযাপন করতে পারবে। অন্যদিকে সূচনা হবে দেশে স্মার্ট সিটি অগ্রযাত্রার।

এই সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রামীণফোন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন একটি ভবিষ্যৎ-উপযোগী চট্টগ্রামের ভিত্তি স্থাপন করছে যেখানে প্রযুক্তি মানুষের জীবনমান উন্নত করবে, দক্ষতা বাড়াবে এবং নিশ্চিত করবে সুশাসন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহনন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসাত্মক গল্প ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে ওই যুবক গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার স্বজন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা জানা গেছে ভিন্ন কথা।

শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নামের এক যুবক নিউমার্কেটের সামনে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজে গলায় চালিয়ে দেয়।রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের টহলটিম স্থানীদের সহযোগিতা চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারে রক্ত প্রয়োজন হলে আমাদের সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ স্যার রক্ত প্রদান করেন। কিন্তু রাতেই কামাল মারা যান।নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে, তিনি চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

তিনি বলেন, ওই যুবকের স্ত্রী ইপিজেডে চাকরি করেন। ঘটনার সময় স্ত্রী কামালের সঙ্গেই ছিলেন না। এস এম রিদুয়ান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে আনারসের দোকান থেকে কামাল যখন ছুরি নিয়ে নিজের গলায় চালান তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকে জানানো থেকে শুরু করে কামালের চিকিৎসা পর্যন্ত তিনি সঙ্গে ছিলেন।কামালের সঙ্গে কোনো নারী ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি মিথ্যা।

কামালের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, রাত ৮টার দিকে কামাল তার ভাগিনার কাছ থেকে হাত খরচের কিছু টাকা চায়। ভাগিনা তার মামাকে টাকা দিলে টাকা নিয়ে কামাল উধাও হয়ে যান। তাকে পতেঙ্গা এলাকায় আর দেখা যায়নি।ভোরে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে কামালকে মৃত দেখতে পান।
কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, আমার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মামা যখন আমার থেকে টাকা নিয়ে আসেন তখন মামি কারখানায় চাকরিতে ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে মামির কোনো সম্পর্ক নেই। মামার চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিছুদিন ভালো থাকেন, তারপর আবার সমস্যা শুরু হয়।

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ