আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে হাতকড়া নিয়েই পালিয়ে গেছে আসামী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে পুলিশের হাত থেকে হাতকড়াসহ এক আসামী পালিয়ে গেছে। ওই আসামিকে ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশের একাধিক টিম। ডবলমুরিং থানা এলাকায় ওই আসামি পালিয়ে যায়। সোমবার দুপুরের দিকে পাঠানটুলি এলাকার গায়েবী মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। পালিয়ে যাওয়া ওই আসামির নাম মো. মাহবুব আলম। তিনি একই এলাকার জাফর সওদাগরের বাড়ির বাসিন্দা। তিনি মাদক এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পরবর্তীতে হওয়া একাধিক মামলার আসামি।

স্থানীয় সূত্রে জানা দুপুরে পাঠানটুলি গায়েবী মসজিদের সামনে থেকে মাহাবুবকে হাতকড়া পড়িয়ে পুলিশের গাড়িতে উঠানো হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি শুরু হয়। এ সুযোগে লুঙ্গি পরিহিত মাহবুব লুঙ্গি ফেলে গাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। পরে তাকে না পেয়ে তার ছোট ভাই মোজাহিকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ।

এ বিষয়ে জানতে অভিযান পরিচালনাকারী ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ জানান। পরবর্তীতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (জনসংযোগ) শ্রীমা চাকমা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলেন, জেনেছি এমন কোনো ঘটনা ঘটেছি। আমি তো আর ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ওসি জানালেন, তিনি মাদক সংক্রান্ত একটি অভিযানে রয়েছেন।

অন্যদিকে ডবলমুরিং থানা পুলিশের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আসামি পলায়নের ঘটনার পরপরই আরেকটি টিমকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের একাধিক টিম পালিয়ে যাওয়া ওই আসামিকে ধরতে অভিযানে নেমেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে গণহত্যা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় ১৯৭১ সালের ভয়াবহ Operation Searchlight-এর নির্মমতা স্মরণ করা হয় এবং শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান ফারুকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সুধীজন অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ২৫ মার্চের কালরাত্রি বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বিভীষিকাময় অধ্যায়। এদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালায়, যা ইতিহাসে Operation Searchlight নামে পরিচিত।

বক্তারা নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানার আহ্বান জানান এবং দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সভার শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে : চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।বুধবার দুপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে নগরীর পাহাড়তলীর জাকির হোসেন রোডে অবস্থিত বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ এর মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর নির্মম গণহত্যা চালায়। সে সময় দিকনির্দেশনাহীন একটি জাতিকে চট্টগ্রাম থেকেই সাহস জুগিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার আহবানে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা এবং বিপ্লব উদ্যান এলাকা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ইতিহাস আমাদের গর্বের অংশ।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। আমরা এখনও সঠিকভাবে জানতে পারিনি কতজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, কতজন শহীদ হয়েছেন। একটি নির্ভুল গেজেট প্রকাশ করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিভ্রান্ত না হয়।

ডা.শাহাদাত হোসেন অভিযোগ করেন, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয়নি এবং অযোগ্য ব্যক্তিরা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেয়েছে। যারা প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধ করেছেন, যাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, তাদের যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান নিশ্চিত করতে হবে।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে আমরা কাজ করছি। তবে অনেক স্থাপনা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে সিটি কর্পোরেশনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।


এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা সহ বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ ও স্থানীয় জনগণ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ