আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

ফটিকছড়িতে শুভ মহালয়া পালিত।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলা কেন্দ্রীয় মন্দিরে শেফালি-ঝরা প্রভাতে চণ্ডীপাঠ, ঢাক–কাঁসর ও শঙ্খধ্বনির মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে মর্ত্যে আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে সারা দেশে শুরু হয়েছে দেবী বন্দনার মহাউৎসব। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফটিকছড়ি পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রতন কুমার চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নজরুল ইসলাম। সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন-ফটিকছড়ি থানার ওসি নুর আহমেদ, উদ্বোধক ছিলেন- উজ্জ্বালানন্দ বক্ষ্রচারী।

জাহানারা মমতাজ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পুজা পরিষদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মিসেস পল্লবী খাস্তগীর এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু রুপন ভোমিক, অর্থ সম্পাদক জয়পদ চন্দ, ফটিকছড়ি পৌর সভা পুজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি ডা. স্বপন দত্ত, সভাপতি অজিত দে সুজন, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল শীল, জাতীয় গীতা পরিষদের সভাপতি বাবু ও পুজা পরিষদ নেতা বাবু প্রভাস দে,

উপস্থিত ছিলেন, পুজা পরিষদের সহ সহসভাপতি বাবু শিমুল ধর, গুরুপদ শীল, অশোক কুমার চৌধুরী, মাষ্টার মিলন নাথ, মাষ্টার আশীষ চক্রবর্ত্তী, বিধান ভট্টাচার্য্য, রজতশুভ্র পাল, প্রেমাংকুর চৌধুরী, সজল দে, সজল পাল, দয়াল রায়, লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাই, দয়াল শীল, প্রিয়রঞ্জন ভট্টাচার্য, রাজিব চৌধুরী, সবুজ দে, চন্দন দেবরায় প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে শনিবার অপারেশনাল কার্যক্রম,রোববার প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ কনটেইনার স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ও সাবেক সিবিএ। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের সমস্ত অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ রেখে সর্বাত্মক ধর্মঘট পালনের ডাক দেওয়া হয়েছে। একইভাবে পরদিন রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরে সব ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ রেখে ধর্মঘট পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। রোববার বিকেল ৫টায় আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এবং চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সাবেক সিবিএ’র পক্ষ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন বলেন, সারাদেশ নির্বাচনি ডামাডোলের মধ্যে আছে৷ এর ফাঁকে সরকার চট্টগ্রাম বন্দর এবং দেশের সবচেয়ে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এনসিটি দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে হস্তান্তরের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। আমরা এ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে গত দেড় বছর ধরে আন্দোলন করে আসছি। কিন্তু সরকার বিদেশি এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিচ্ছে।আমরা মনে করি এনসিটি বিদেশিদের হাতে দেওয়া চরম আত্মঘাতী একটি সিদ্ধান্ত। এর মাধ্যমে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব চরমভাবে হুমকির সম্মুখীন হবে।

কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা এনসিটি বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ধর্মঘট আহ্বান করেছি। আগামী শনিবার ৮ ঘণ্টা বন্দরে অপারেশনাল কার্যক্রম এবং রোববার ৮ ঘণ্টা প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এরপরও সরকার এ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

আলোচিত খবর

কোস্ট গার্ডের সাড়ে তিন হাজার সদস্য উপকূলীয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকবে : মহাপরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেছেন, কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্দ্বীপের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে বশিরিয়া আহমদিয়া আবু বকর সিদ্দিক ফাজিল মাদরাসা মাঠে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সুবিশাল সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।পাশাপাশি জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২৮ দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্যের ১০০টি প্লাটুন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।

এই প্লাটুনগুলো স্থলভাগ ও জলভাগে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি উৎসব মুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, জনকল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অন্তর্বতীকালীন সরকার একই দিনে গণভোটের আয়োজন করেছে। আমরা আমাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সব বয়স ও শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষদের নিকট গণভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যবস্থা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।নির্বাচনকালীন অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ