আজঃ মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬

চাটমোহরে মানব সেবা অভিযানের গাছ বিতরণ ও অনুদান প্রদান

পাবনা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মানব সেবা অভিযানের উদ্যোগে গাছ বিতরণ ও অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্হার প্রতিস্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান সাধারণ পরিষদের সদস্য, এবং রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সারওয়ার জাহান (বাবু)।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই মানব সেবা অভিযানের মূল লক্ষ্য। এই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, মানুষের মাঝে মানবিকতার বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ও সহকারী প্রোগ্রামার আইসিটি অধিদপ্তর চাটমোহর ও গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: আব্দুল্লাহ আল নোমান।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: গোলাম মওলা, গুনাইগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো: মোতালেব হোসেন, ইউপি সদস্য আজাহার আলী, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের ও সহকারী প্রকৌশলী মো: আব্দুস সাত্তার।

অনুষ্ঠানে অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা, সুদমুক্ত শিক্ষা ঋণ, প্রতিবন্ধীদের জন্য সহায়তা এবং ভাতা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১টি করে আম্রুপালি ও ১টি করে থাইপেয়ারা জাতের চারা গাছ বিতরণ করা হয়।
মানব সেবা অভিযানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে ৫৩ হাজার টাকার চিকিৎসা সহায়তা, ২১ জনকে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকার সুদমুক্ত শিক্ষা ঋণ, ১৬ জনকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার সুদমুক্ত প্রতিবন্ধী ঋণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৪৫০ জনকে ৯০০টি গাছ, ৬ জনকে হুইলচেয়ার এবং ৩ জন অসহায় মানুষকে প্রতি তিন মাস অন্তর ২ হাজার ৪০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানব সেবা অভিযানের মূল লক্ষ্য। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে শত শত মানুষ অংশ নেন এবং মানব সেবা অভিযানের এ মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের উখিয়ায় মিয়ানমার সীমান্তের কাছে মাইন বিস্ফোরণে মো. শাকের (২৫) আহত এক যুবককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে আহত অবস্থায় তাকে চমেক হাসপাতালে আনা হয়।মো. শাকের কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

হাসপাতালে আনয়নকারীর দেওয়া তথ্যমতে, মিয়ানমার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় কাজ করার সময় হঠাৎ মাইন বিস্ফোরণ হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবককে হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করেন।

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ