আজঃ রবিবার ৩১ মে, ২০২৬

চাটমোহরে মানব সেবা অভিযানের গাছ বিতরণ ও অনুদান প্রদান

পাবনা প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার চাটমোহর উপজেলার গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে মানব সেবা অভিযানের উদ্যোগে গাছ বিতরণ ও অনুদান প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্হার প্রতিস্ঠাতা সভাপতি ও বর্তমান সাধারণ পরিষদের সদস্য, এবং রাজশাহী সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ সারওয়ার জাহান (বাবু)।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই মানব সেবা অভিযানের মূল লক্ষ্য। এই উদ্যোগ শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, মানুষের মাঝে মানবিকতার বন্ধন আরও দৃঢ় করবে।এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ও সহকারী প্রোগ্রামার আইসিটি অধিদপ্তর চাটমোহর ও গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো: আব্দুল্লাহ আল নোমান।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গুনাইগাছা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো: গোলাম মওলা, গুনাইগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো: মোতালেব হোসেন, ইউপি সদস্য আজাহার আলী, ইউনিয়ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল কাদের ও সহকারী প্রকৌশলী মো: আব্দুস সাত্তার।

অনুষ্ঠানে অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে চিকিৎসা সহায়তা, সুদমুক্ত শিক্ষা ঋণ, প্রতিবন্ধীদের জন্য সহায়তা এবং ভাতা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১০০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১টি করে আম্রুপালি ও ১টি করে থাইপেয়ারা জাতের চারা গাছ বিতরণ করা হয়।
মানব সেবা অভিযানের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ পর্যন্ত মোট ১৫ জনকে ৫৩ হাজার টাকার চিকিৎসা সহায়তা, ২১ জনকে ১ লাখ ২৬ হাজার টাকার সুদমুক্ত শিক্ষা ঋণ, ১৬ জনকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার সুদমুক্ত প্রতিবন্ধী ঋণ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৪৫০ জনকে ৯০০টি গাছ, ৬ জনকে হুইলচেয়ার এবং ৩ জন অসহায় মানুষকে প্রতি তিন মাস অন্তর ২ হাজার ৪০০ টাকা করে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানব সেবা অভিযানের মূল লক্ষ্য। এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে সমাজসেবায় উদ্বুদ্ধ করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
দিনব্যাপী এ কর্মসূচিতে শত শত মানুষ অংশ নেন এবং মানব সেবা অভিযানের এ মহৎ উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও দি বুলবুল জয়ার সার্কাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ৩০ মে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ঐতিহাসিক বড়াল ব্রিজ খেলার মাঠ প্রাঙ্গণে তরঙ্গ সাংস্কৃতিক নাট্যগোষ্ঠীর উদ্যোগে শুরু হয়েছে ৭ দিন ব্যাপি ঈদ আনন্দ মেলা ও দি বুলবুল জয়ার সার্কাস।


প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঈদ আনন্দ মেলাটি উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। মেলাটিতে দর্শনার্থীদের বিনোদন দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে দি বুলবুল জয়ার সার্কাস, নাগরদোলা ও হাতি।
এছাড়াও মেলাটিতে বসেছে বিভিন্ন রকমের কসমেটিকের দোকান, বিভিন্ন আসবাসপত্রের দোকান, বিভিন্ন খাবারের দোকান। সব মিলিয়ে মেলাটি দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নিবে বলে জানিয়েছেন মেলা কতৃপক্ষ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন, সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার,ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাইদুল ইসলাম বুরুজ,সাবেক উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান এবং সাবেক পৌর বিএনপি সভাপতি শামসুল হক সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি,র সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।


উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গুড়ায় এমন একটি মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই জন্যে মেলাকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, হইচই, সংঘাত বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে 9oসবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন। একই সঙ্গে মেলায় কোনো ধরনের অশ্লীলতা বা অসামাজিক কর্মকাণ্ড কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও তারা সকলেই উল্লেখ করেন।

এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাকিউল আযম এর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সেকেন্ড অফিসার সুব্রত কুমার ও অপূর্ব কুমার সহ নিরাপত্তার জন্য একাধিক পুলিশ সদস্যরা।স্থানীয়দের মধ্যে মেলাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকরা আশা করছেন, সার্কাস ও নাগর দোলা মেলাটি সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের জন্য বিনোদনের একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও দি বুলবুল জয়ার সার্কাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ৩০ মে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ঐতিহাসিক বড়াল ব্রিজ খেলার মাঠ প্রাঙ্গণে তরঙ্গ সাংস্কৃতিক নাট্যগোষ্ঠীর উদ্যোগে শুরু হয়েছে ৭ দিন ব্যাপি ঈদ আনন্দ মেলা ও দি বুলবুল জয়ার সার্কাস।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঈদ আনন্দ মেলাটি উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। মেলাটিতে দর্শনার্থীদের বিনোদন দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে দি বুলবুল জয়ার সার্কাস, নাগরদোলা ও হাতি।

এছাড়াও মেলাটিতে বসেছে বিভিন্ন রকমের কসমেটিকের দোকান, বিভিন্ন আসবাসপত্রের দোকান, বিভিন্ন খাবারের দোকান। সব মিলিয়ে মেলাটি দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নিবে বলে জানিয়েছেন মেলা কতৃপক্ষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন, সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার,ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাইদুল ইসলাম বুরুজ,সাবেক উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান এবং সাবেক পৌর বিএনপি সভাপতি শামসুল হক সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি,র সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গুড়ায় এমন একটি মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই জন্যে মেলাকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, হইচই, সংঘাত বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন। একই সঙ্গে মেলায় কোনো ধরনের অশ্লীলতা বা অসামাজিক কর্মকাণ্ড কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও তারা সকলেই উল্লেখ করেন।
এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাকিউল আযম এর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সেকেন্ড অফিসার সুব্রত কুমার ও অপূর্ব কুমার সহ নিরাপত্তার জন্য একাধিক পুলিশ সদস্যরা।

স্থানীয়দের মধ্যে মেলাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকরা আশা করছেন, সার্কাস ও নাগর দোলা মেলাটি সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের জন্য বিনোদনের একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ