আজঃ বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ, ২০২৬

৩১ দফা বাস্তবায়নে : বোয়ালখালীতে বিএনপির সমাবেশ।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার কধুরখীল ইউনিয়ন ও পৌরসভার ১,২ নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে কধুরখীল ইউনাইটেড মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আজগর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ এরশাদুল্লাহ। প্রধান বক্তা ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, বিশেষ অতিথি ছিলেন, দক্ষিন জেলা বিএনপির সদস্য শওকত আলম শওকত।


জেলা যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক মো: জসিম উদ্দিন ও সহ দপ্তর সম্পাদক এমএন করিমের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাশেম, উপজেলা বিএনপি নেতা মজিবত উল্লা, ডা: মহসিন খান তরুন, শফিকুল ইসলাম শাহিন, জসিম মেম্বার, শাহিদা আকতার শেফু, এস এম ইকবাল,মো: লোকমান, কপিল উদ্দিন, সেলিম খতিব, রফিকুল ইসলাম, মো: হায়দার হিরু।

প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক তার বক্তব্য বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯ দফা কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাল খননসহ নানান কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অল্পদিনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন, তেমনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ৩১ দফা ঘোষনা করেছেন। তিনি বলেন ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে দেশ সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে যাবে।

প্রধান বক্তা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশ বাংলাদেশে বাম দল থেকে এসে সবক দেয়, মুফতির মত ফতোয়া দেয়। তিনি কোন আলেমও নন। জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে নিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন যারা আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের কথা বলেনা, তাদের নিয়ে চলে তারাই ভারতের দালালী করছে। তিনি সভা থেকে জুলাই আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে নিহত হওয়া সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, তারা যদি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে না দিত তাহলে প্রকাশ্য এভাবে সভা সমাবেশও করা হতনা।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি নেতা জাকির হোসেন, স্বপন শীল, জয়নাল আবেদীন সিকদার, এডভোকেট এসকান্দর সোহেল, আবু আকতার,আইয়ুব আলী মেম্বার, উসমান গনি,মো: আকবর,আবু জাফর, তোফায়েল মেম্বার, শাহ আলম মেম্বার, আজিজ মেম্বার, মো: আনোয়ার, মো: সিরাজ, এমদাদুল হক চৌধুরী রিটু, সরোয়ার উদ্দিন,নাসির উদ্দীন, সৈয়দ কামাল, সোহেল মিয়াজি, ইমতিয়াজ রিমি, মো: সেকান্দর, আবু তালেব, মোজাম্মেল মেম্বার, কৃষক দল নেতা নাজিম উদ্দীন, মো: মাসুদ, মো: আকতার, মো: মনছুর, মো: সাগরসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে শেষ সময়ে ঘরমুখো মানুষের স্রোত, রেল ষ্টেশন-টার্মিনালে উপচেপড়া ভিড়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদের সাতদিনের ছুটিকে কেন্দ্র পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ বাগাভাগি করতে বন্দরনগরী ছেড়ে যাচ্ছে মানুষ। মহানগরের বাস টার্মিনালগুলো ও রেলওয়ে স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখ পড়ার মতো। বুধবার ভোর থেকেই চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা যায়। যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে একের পর এক ট্রেন। এছাড়া ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে যেতে বাস টার্মিনালেও ভিড় করেন যাত্রীরা।

পরিবার-পরিজন নিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেকেই। এদিকে চট্টগ্রাম অনেকটা ফাঁকা হতে শুরু করেছে। নগরের বিভিন্ন ব্যস্ত রাস্তায় নেই আগের চিরচেনা যানজটের দৃশ্য। যানজটহীন স্বস্তিতে গাড়ি নিয়ে ঘুরছেন নগরবাসী।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) শেখ মো. সেলিম বলেন, এখানে নিরাপত্তার কোনও শঙ্কা নেই। পুলিশের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রার জন্য। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা করা দরকার তা নেওয়া হয়েছে। যানজট নিরসনেও পুলিশ কাজ করছে। যাত্রীদের ভাড়ার বিষয়েও আমরা তদারকি করছি।

বুধবার মহানগরের কদমতলী, বহদ্দারহাট ও নতুন ব্রিজ জিইসি বাস কাউন্টারে গিয়ে দেখা যায়, যাত্রীর চাপ বেশি। টিকিট পাচ্ছেন না অনেকে। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা পর সকালে ছেড়ে যাওয়া ফিরতি গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কেউ কেউ। যাত্রীর চাপের তুলনায় বাস টার্মিনালে গাড়ির সংকট দেখা গেছে। তবে কাউন্টার বসে থাকা কর্মকর্তারা বলছেন, যে গাড়িগুলো গেছে সেগুলো ফিরে এলেই এই টিকিটের সংকট থাকবে না। যাত্রীর তুলনায় গাড়ি কম।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে যাত্রীরা বলছেন, কোনও ভোগান্তি নেই। তারা নির্বিঘ্নে যথাসময়ে ট্রেনে উঠছেন এবং ট্রেন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাচ্ছে। এছাড়াও কিছু কিছু ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট কেটে যাত্রীরা যেতে পারছেন। সকালে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন থেকে ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে বিজয় এক্সপ্রেস ট্রেন। অন্য ট্রেনগুলোও যথাসময়ে ছেড়ে গেছে। তাই স্টেশনে যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে না। দূরপাল্লার যানবাহনের পাশাপাশি মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও খোলা ট্রাকে কম ভাড়ায় গন্তব্যে যাচ্ছে লোকজন।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে বিআরটিএ’র সতর্ক সংকেত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকগুলোতে সতর্ক সংকেত হিসেবে লাল পতাকা স্থাপন করেছে। ঈদুল ফিতর সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ৯টি বাঁকে উভয় পাশে সারিবদ্ধভাবে এসব পতাকা বসানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছরে এসব বাঁকে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে গত বছরের ঈদুল ফিতরের দিন সকালে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া এলাকায় একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন নিহত হন। এরপর থেকেই বাঁকগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি ওঠে।

মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকজন বাস চালক জানান, রাতে বা কুয়াশার সময় হঠাৎ বাঁক সামনে চলে আসায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকে। নতুন করে লাল পতাকা বসানোয় আগেভাগেই সতর্ক হওয়া সহজ হবে।তবে সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু অস্থায়ী পতাকা নয়-স্থায়ী সাইনবোর্ড, গতিসীমা নির্দেশনা, রিফ্লেক্টর ও পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও জরুরি। পাশাপাশি অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিআরটিএর তালিকা অনুযায়ী, যেসব স্থানে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেশি, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লোহাগাড়ার চুনতির শেষ সীমানায় বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য সংলগ্ন বাঁক, লোহাগাড়া–চুনতির জাঙ্গালিয়া বাঁক, চুনতির ডেপুটি বাজারের আগে ও পরের বাঁক, চুনতি ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকা, লোহাগাড়া রাজাঘাটা, সাতকানিয়ার মিঠা দীঘি, চন্দনাইশের খানহাট পুকুর এবং পটিয়ার পাইরুল মাজারসংলগ্ন বাঁক।

বিআরটিএ চট্টগ্রাম জেলা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) উথুয়াইনু চৌধুরী বলেন, ঈদের সময় এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই ঝুঁকিপূর্ণ বাঁকগুলোতে আগাম সতর্কতা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিআরটিএর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি বাঁকের উভয় পাশে পাঁচটি করে মোট ১০টি লাল পতাকা বসানো হয়েছে। ফলে দূর থেকেই চালকেরা বিপজ্জনক বাঁক সম্পর্কে সতর্ক হতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ