আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

কুতুবদিয়ায় দীর্ঘ বছরের পর উন্নয়নের স্পর্শে তোফায়েল আহমেদ সড়ক

মো: মনিরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার দক্ষিণ ধূরুংয়ের ৬নং ওয়ার্ডের তোফায়েল আহমেদ সিকদার সড়কটি দীর্ঘ বছর ধরে উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। রাস্তাটি কুতুব শরীফ দরবার সংলগ্ন পূর্ব ধূরুং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধূরুং কাঁচা এলাকা ১৮/২০ চেইন পর্যন্ত চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়ে শিক্ষার্থী, কৃষক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন পথচারীদের চলাচলের অতি প্রয়োজনীয়। দীর্ঘ সময় ধরে অবহেলিত থাকায় বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের অতি কষ্টে চলাফেরা করতে হয়েছে। শুক্ন মৌসুমেও গাড়ি চলাচলের উপযোগী ছিলনা। বিষয়টি স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ এর দৃষ্টি গোচর হলে তিনি সরকারিভাবে উর্ধতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি অবগত করলে সড়কটি উন্নয়নের জন্য অনুমোদন পায়।


এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্র জানান, আমি এবং আমার সহপাঠীরা এই সড়ক দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। বর্ষা মৌসুমে আমাদের চলাচল করতে অতি কষ্ট হয়। রাস্তাটি সংস্কার হবে শুনে খুবই খুশি লাগছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন উদ্দিন আল আজাদ সড়কটি পরিদর্শন করেন এসময় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ সিকদারের পুত্র জিয়াউল হক জিয়া, হিলফুল ফুজুল কুতুবদিয়া সংগঠনের সভাপতি শেখ আখতারুল হক আল কুতুবী, বাদশাহ সহ বিভিন্ন জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, কুতুবদিয়া উপজেলার সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব যার নামে নাম করণ করে নির্মাণ করে ছিলাম আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ সিকদার সড়ক।


করেছি ইনভেন্টরি কোড ভোক্ত।আজ এক কোটি ত্রিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ে কার্পেটিং দ্বারা উন্নয়ন কাজের লেওয়াড বা সূচনালগ্নে।এই সড়কটি প্রায় ১৫/১৮ ফিট প্রসস্থ করে মাঠি দ্বারা উন্নয়ন করার সময় অনেকে জমি, মাঠি এমন কি অনেকে গাছ কাটতে হয়েছে আরসিসি গেইট ভেঙ্গে জায়গা ছাড়তে হয়েছে সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। যার কথা না বললে নয় নীরবে যিনি কুতুবদিয়া উপজেলার উন্নয়ন করে যাচ্ছেন প্রকৌশলী আলহাজ্ব মনজুর সাদেক প্রকল্প পরিচালক আমার গ্রাম আমার শহর প্রকল্প। তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞ, তার উত্তর উত্তর সাফলতা কামনা করি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কুতুবদিয়ায় ঈদ উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া দ্বীপে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাতিঘর সী-বীচে প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটের শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ। ২০ মার্চ, বিকালে জনসাধারণ নিয়ে উদ্বোধন করেন। এ উদ্যোগে স্থানীয় পর্যটন শিল্পে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সমুদ্র উপকূলে পর্যটকদের জন্য নতুন এই বিনোদন সুবিধা চালুর প্রশংসা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য মো: ফোরকান, কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান কুতুবী, সাংবাদিক ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় দক্ষিণ ধূরুং ইউপির চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়বে এবং কুতুবদিয়ার পর্যটন খাত আরও সমৃদ্ধ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর কুতুবদিয়ার বাতিঘর সী-বীচ ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। নতুন এই বোট সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এলাকাটির আকর্ষণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উদ্বোধনের পরপরই পর্যটকরা প্যাডেল বোট ও কায়াকিং বোটে চড়ে সাগরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করেন। আয়োজকরা জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পরে ইফতার ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্তি হয়।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ