আজঃ রবিবার ২২ মার্চ, ২০২৬

নৈশ্য প্রহরি থাকা সত্ত্বেও রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে চুরি ।

রাণীশংকৈল  (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশ্য প্রহরী থাকা সত্ত্বেও রাতের আঁধারে চুরির ঘটনা ঘটেছে। ১১ অক্টোবর শনিবার দিবা গত রাতে রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে ।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,  বিদ্যালয়ের  একটি সরকারি ল্যাপটপ, ওয়াইফাই মেশিন ,পানি পাম্পের মোটর, রাইস কুকার, আলমারিতে থাকা ৯০ হাজার টাকা, ড্রয়ারে থাকা ৯১ হাজার টাকা সর্বমোট টাকার পরিমান ১৮১০০০/  হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায় । নৈশ প্রহরী আয়েশ আলী প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে গিয়ে বলে যে স্কুলের বিভিন্ন মালামাল চুরি হয়ে গেছে। চুরির খবর শুনে প্রধান শিক্ষক তৎক্ষণাৎ কয়েকজন শিক্ষক শিক্ষিকাকে নিয়ে বিদ্যালয়ে আসেন। অফিস কক্ষে ঢুকতে চাইলে নৈশ প্রহরী আয়েশ আলী বাধা প্রদান করিয়া বলেন যে, পুলিশ তদন্ত ছাড়া এ ঘরে প্রবেশ করা যাবে না । 

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষক শিক্ষিকারা তালা খুলতে বললে তার কাছে থাকা চাবি দিয়ে তালা খুলে  অফিসের ভিতরে প্রবেশ করেন । অফিসের ভিতরে প্রবেশ করে দেখা যায় চুরি হওয়া সব জিনিসপত্র সেখানে আছে। তবে প্রবেশের পরে আলমারি ও ড্রয়ারে থাকা টাকার সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে পাঁচজনের নামে প্রধান শিক্ষক  চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ কৃতরা হলেন, ( ১ ) আব্দুল কাদের (২ )  সাব্বির ওরফে সাকা ( ৩ ) নজু (  ৪ ) জামাল ( ৫ ) আয়েশ আলী (নৈশ্য প্রহরী)।

রাঘবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিধান চন্দ্র রায় বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে আমাকে ফাঁসানোর জন্য অভিযোগকৃত চারজন নৈশ্য প্রহরীর দ্বারা চুরির ঘটনাটি ঘটায়। তিনি আরো বলেন , আমাকে ফাঁসানোর জন্য চুরি হওয়া মালামাল আমার অফিস কক্ষে রেখে আমাকে খবর দিতে যায় ।

রাণীশংকৈল থানার ওসি তদন্ত রফিকুল ইসলাম বলেন, বিদ্যালয়ের চুরির ব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ