আজঃ বৃহস্পতিবার ১৬ এপ্রিল, ২০২৬

সরকারি সহয়তা বঞ্চিত কুতুবদিয়ার অর্ধেকের বেশি জেলে

কুতুবদিয়া প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে মাছ ধরার ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। ইতোমধ্যে, দুঃখ-কষ্টে জেলেরা কোন সহয়তা ছাড়া ১১ দিন কেটেছে। তাদের অভিযোগ, প্রকৃত জেলেরা বাদ পড়ছেন। অথচ, অন্যরা সুবিধা ভোগী হচ্ছেন। আবার প্রকৃত জেলেরা সরকারের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সময়ে ২৫ কেজি চাল পেলেও তা পর্যাপ্ত নয়। তবে, এবারে কুতুবদিয়ার অর্ধেকের বেশি নিবন্ধিত জেলে এ সহায়তা থেকে বঞ্চিত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়া উপজেলায় পয়ত্রিশ হাজার জেলে থাকলেও নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১০ হাজার ৯শ ৫৯ জন। কিন্তু, তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৩শ ৬০ জন নিবন্ধিত জেলেদেরকে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। ফলে, অর্ধেকের বেশি নিবন্ধিত জেলে এ সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত।

আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের সরওয়ার আলম, আব্দুল খালেকসহ অনেকেই জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে নিবন্ধনকৃত জেলেদের সরকারের পক্ষ থেকে ২৫ কেজি করে চাল দেওয়া হয়। কিন্তু, একটি পরিবারে শুধু মাত্র চাল দিয়ে কিছুই হয় না। আনুষাঙ্গিক অনেক কিছুই তো লাগে। তাই এ নিষেধাজ্ঞা সময়ে কী ভাবে সংসার চলবে সেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলেরা।

লেমশীখালী ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল জলিল, মাহামুদুল করিমসহ অনেকেই জানিয়েছেন, নিবন্ধিত জেলে হয়েও সরকারি সহায়তা পাবে না। তাদের জন্য সরকারি বরাদ্দ আসে নি। তবে, চাল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রকৃত জেলেরা।

উত্তর ধূরুং ইউনিয়নের মো. কালু, ফজল করিম সহ অনেকেই জানিয়েছেন, জেলে পেশার সাথে জড়িত প্রায় ৩০ বছর। এ পেশার উপর নির্ভরশীল তাদের পরিবার। কিন্তু, তারাই সরকারি ভাবে নিবন্ধিত হতে পারেনি। ফলে, কোন সময় চাল পায় না এসব প্রকৃত জেলেরা।

কুতুবদিয়া উপজেলা মেরিন ফিশারিজ কর্মকর্তা মো. নাজমুস সাকিব জানিয়েছেন, দ্বীপের নিবন্ধিত জেলে সংখ্যা ১০ হাজার ৯শ ৫৯ জন। এরমধ্যে ৫ হাজার ৩শ ৬০ জেলের মাঝে সরকারি খাদ্য সহায়তা হিসেবে ১৩৪ মেট্রিক টন চাল বিতরণের কার্যক্রম চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি ইউনিয়নে জেলেদের চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে, সরকারি বরাদ্দ সীমিত থাকায় নির্ধারিত সংখ্যক জেলেকেই সহায়তা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে ডিজেল-জেট ফুয়েল নিয়ে আসা ৩ জাহাজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে মালয়েশিয়া থেকে দুটি জাহাজে করে ডিজেল এবং সিঙ্গাপুর থেকে একটি জাহাজে জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) এসেছে। এর মধ্যে এমটি গ্রেট প্রিন্সেস নামে জাহাজটি গত মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ডলফিন জেটি-৬-এ জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি সিঙ্গাপুর থেকে প্রায় ১১ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল নিয়ে এসেছে। অন্যদিকে, ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী এমটি লুসিয়া সোলিস জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। জাহাজটিতে প্রায় ৩৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল রয়েছে।বর্তমানে লাইটারেজ প্রক্রিয়ায় জ্বালানি খালাস চলছে এবং বুধবার দুপুরে এটি ডলফিন জেটি-৫-এ ভিড়েছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের গভীরতাজনিত সমস্যা থাকায় বড় জাহাজ প্রথমে বহির্নোঙরে পৌঁছে কিছু তেল খালাস করে৷ পরে বাকিগুলো জেটিতে ভেড়ানোর পর খালাস করা হয়।
বিপিসির সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, ডেনমার্কের পতাকাবাহী এমটি টর্ম দামিনি জাহাজটি প্রায় ৩২ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকে বহির্নোঙরে জ্বালানি খালাস করছে। জাহাজটি বুধবার ডলফিন জেটি-৬-এ পৌঁছেছে। জাহাজটি ৯ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল বলে তিনি জানান।

বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ কমিটির অনুমোদন প্রদান করে।অনুমোদিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার।

এছাড়া স্থানীয় ক্রীড়াবিদ হেলাল উদ্দীন টিপুকে কমিটির সদস্য করা হয়েছে। কমিটির সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ক্রীড়া সংগঠক হাজি আবু আকতার।
নবগঠিত এ কমিটির মাধ্যমে বোয়ালখালী উপজেলার ক্রীড়া কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ