আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

আমিরাতে বাংলাদেশি ২টি স্কুলের এইচএসসিতে সাফল্য

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী আরব আমিরাত প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি ২টি স্কুল রয়েছে। স্কুল ২টি হলো রাজধানী আবুধাতিতে অবস্থিত ‘শেখ খালিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এবং রাস আল খাইমাহ প্রদেশে ‘রাস আল খাইমাহ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ’।
স্কুল ২টি বাংলাদেশের ঢাকা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করে। দেশটির বাংলাদেশি প্রবাসী সন্তানদের শিক্ষা কার্যক্রমে এ ২টি প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

বাংলাদেশি কারিকুলামে পরিচালিত ২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ কর।
আবুধাবিতে অবস্থিত শেখ খলিফা বিন যায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া স্কুলের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, মোট ৪৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪৩ জন পাস করেছে এবং মাত্র ১ জন অনুত্তীর্ণ হয়েছে। পাসের হার ৯৭.৭৩ শতাংশ। ৪৩ জনের মধ্যে ১জন গোল্ডেন এ প্লাস, ৭ জন এ প্লাস, ২৮ জন এ, ৭ জন এ মাইনাস এবং ১ জন সি গ্রেড পেয়েছে।

রাস আল খাইমাহ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়, এর মধ্যে ১৭ জন শিক্ষার্থী পাশ করেছেন এবং ২জন শিক্ষার্থী অনুত্তীর্ণ হয়েছেন। পরীক্ষায় ১৩ জন বিজ্ঞান বিভাগের ও ৬ জন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিলেন। পাশের হার ৮৯ শতাংশ। এদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে থেকে ১ জন এ প্লাস এবং ১১ জন এ গ্রেড পেয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ জন এ প্লাস ও ৪ জন এ গ্রেড পেয়েছে।

উল্লেখ্য, গত জুন মাসে বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ডের সাথে মিল রেখে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত ২টি বাংলাদেশি স্কুলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। আমিরাতের ২টি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের ঢাকা বোর্ডের অধীনে মোট ৬৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।

প্রবাসীরা জানায়, আমিরাতের ৭টি প্রদেশের মধ্যে ২টি প্রদেশে বাংলাদেশি স্কুল আছে, অন্য ৫টি প্রদেশে নাই। ফলে বসবাসরত বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীরা বাংলা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দুবাই ও শারজাহে বাংলাদেশি স্কুল না থাকায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে ভারতীয় স্কুল বা ইংরেজী মাধ্যমে লেখাপড়া করছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

সৌদি আরব ও কাতার পাকিস্তানকে ৫০০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেবে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব ও কাতার পাকিস্তানকে ৫০০ কোটি ডলার আর্থিক সহায়তা দেবে। এসহায়তা পেলে পাকিস্তান দুর্বল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের কারণে যে চাপ পড়েছে তা এড়াতে পারবে ইসলামাবাদ।জুনের মধ্যে বৈদেশিক দায়-দেনাও শোধ করতে পারবেন। জানা যায়,চলতি মাসের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দেনা ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করার কথা ইসলামাবাদের। পাকিস্তানের অর্থনীতি ইরান যুদ্ধের কারণে আরও খারাপ পরিস্থিতিতে পড়েছে। মূল্যস্ফীতি ও আমদানি ঋণের চাপ আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

এ পরিস্থিতিতে দেশটিকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে রিয়াদ।শুক্রবার রাতে ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-জাদান।
এ বৈঠকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও সামরিক বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরসহ ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে পাকিস্তান বিদ্যমান নগদ আমানতের সম্প্রসারণ ও

তেল অর্থায়ন সুবিধার সম্প্রসারণসহ বাড়তি আর্থিক সহায়তার অনুরোধ জানান। পাকিস্তানের তেল অর্থায়ন সুবিধা চলতি মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে ইসলামাবাদের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ঘোষিত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পৌঁছেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
ইরানের প্রতিনিধি দলে রয়েছে, স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফর, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি, প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সচিব, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং কয়েকজন আইনপ্রণেতা।

দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নিতে ইতিমধ্যে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এর নেতৃত্বে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার।
সংগৃহীত –
[email protected]

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ