আজঃ বুধবার ২৫ মার্চ, ২০২৬

কুতুবদিয়ার ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স জ্বালানি ও জনবল সংকটে অসচল !

মো: মনিরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুতুবদিয়ার দ্বীপের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা আরটিএমআই একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স দেন। কিন্তু, ওই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটির জ্বালানি ও জনশক্তির সংকটের কারণে অ-ব্যবহারে অযত্নে পড়ে থাকতে দেখা যায়। স্থানীয়দের দাবি, জরুরি স্বাস্থ্য সেবায় দ্বীপবাসীর জন্য এই ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি চালু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুনজরের দাবি করেন। এদিকে, দ্বীপবাসীর সেবা বঞ্চিত একমাত্র ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি বড়ঘোপ জেটিঘাটের উত্তর পাশে কাঁদা মাটিতে পুরোপুরি অকেজো হয়ে পড়ে আছে। রবিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটির এই বেহাল দশা চোখে পড়ে যায়।

সূত্রে জানা যায়, কুতুবদিয়ার ছয়টি ইউনিয়নের প্রায় দুই লাখ মানুষের বসবাস। তাদের জন্য একটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১২ কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও আধুনিক সুযোগ সুবিধা না থাকায় জেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে সাধারণ যাত্রীদের সাথে সাগরপাড়ী দিয়ে যেতে হয় মুমূর্ষু রোগীদের। এ দূর্দশা দূর করতে গত ২ বছর আগে একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স দেয় আরটিএমআই। কিন্তু, কয়েক দিন ব্যবহার করার পর ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে নষ্ট হয়। পরে, সংস্কার করেও মুমূর্ষু রোগীদের জন্য এটি ব্যবহার হচ্ছে না। ফলে, বড়ঘোপ জেটিঘাটেই কাঁদা মাটিতেই বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয়দের দাবি এ ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি কখনও জনসাধারণের সেবায় আসেনি। তেলের বরাদ্দ এবং জনবল না থাকায় ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের এমন বেহাল পরিস্থিতি বলছেন দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় জনসাধারণ বলেন, রোদ-বৃষ্টির মধ্যে নৌকায় পারাপারে সময় সুস্থ মানুষ অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন। রোগীদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এ ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি চালু হলে সঠিক সময়ে উন্নত স্বাস্থ্য সেবা মুমূর্ষু রোগীরা পাবে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রেজাউল হাসান বলেন, জ্বালানি তেলের সরকারি বরাদ্দ এবং জনবল না থাকায় ওয়াটার অ্যাম্বুুলেন্সটি অকেজো হয়ে পড়েছে। এ সমস্যার কারণে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সের সেবা পাচ্ছে না দ্বীপবাসী। তবে, উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করলে এটি পুনরায় চালু করার কথা বলেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রাণীহাটি ইউনিয়নের কুথালিপাড়া গ্রামে সালিশ বৈঠককে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি বসতবাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পরে দুপুর ১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। বৈঠক চলাকালে রানিহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সমর্থক ও স্থানীয় সাবেক মেম্বার চান্দুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

এ সময় উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে অর্ধশতাধিক ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আতঙ্কে সাধারণ মানুষ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মোজাফফর নামে এক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় মসজিদ-ঈদগাহ কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত -৪।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের কলকতির ঝবঝবিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-মোঃ কামিল ইসলাম (৩০), মোঃ হাসমত আলী (৩৬), মোঃ বাকি বিল্লাহ এবং মোঃ আব্দুল হাকিম (৩৫)। আহতরা সকলেই জামায়াতের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পূর্বের কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও সেটি বহাল ছিল। নতুন কমিটি গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে পূর্বের কমিটির সভাপতি পুনরায় একই পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এতে অন্য পক্ষ আপত্তি জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এদিকে এলাকায় রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহ মাঠের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত।

সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ এস এম আরাফাত ফয়সাল জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের আঘাত গুরুতর নয় এবং চিকিৎসা নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

খবর পেয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানা গেছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ