আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষ্যে সবাইকে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রেরণায় উদজ্জীবিত হয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এর ধানের শীষের পক্ষে আগামী নির্বাচনে গণজোয়ার সৃষ্টির লক্ষ্যে সবাইকে ঐকবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, কেউ দলের উর্ধ্বে নয়। জাতীর এক ক্রান্তিলগ্নে ১৯৭৫ সালের সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে এদেশের ক্ষমতার কেন্দ্র বিন্দুতে আসেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম।

তিনি আজ ৪ নভেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৪ টায় ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীদেরকে জয়যুক্ত করতে জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ এবং দৃঢ় প্রতিজ্ঞবদ্ধ।


জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচন এ জাতির ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। ১৯৭৫ সালের সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জাতীর ক্রান্তিলগ্নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া যেমন এ জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন, তেমনি আমাদের বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও দেশ রক্ষার ভূমিকায় অবর্তীর্ণ। ব্যক্তিগত কোন্দল রেষারেষি বাদ দিয়ে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষে কাজ করতে হবে।

প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সি: সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন, সাবেক সহ সভাপতি ফজলুল হক সুমন, মিয়া মো: হারুন, জসিমুল ইসলাম কিশোর, অরূপ বড়–য়া সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, সাবেক সহ সধারণ সম্পাদক ওসমান গণি সিকদার, মুজিবুর রহমান রাসেল, সাবেক সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মহিউদ্দিন মুকুল, সাবেক সহ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, মিজানুর রহমান দুলাল, সাবেক সদস্য শাবাব ইয়াজদানি, কলিম উল্লাহ, থানা যুবদলের মনজুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, সাইফুল ইসলাম রুবেল, সাদ্দাম হোসেন, ইকরাম সিদ্দিকী, নিজাম উদ্দিন, জানে আলম, রাজিব, সোহেল আরমান, সেলিম, রাসেল, ওয়ার্ড যুবদলের মো: হাসান, রিয়াদ, অভি, আনোয়ার হোসেন, তারেক রহমান, ইমতিয়াজ রহমান, আলাউদ্দিন আলো, শাকিল, রফিক, ইমন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ